ঢাকা, শুক্রবার 14 November 2014 ৩০ কার্তিক ১৪২১, ২০ মহররম ১৪৩৬ হিজরী
Online Edition

ছাত্রলীগের সন্ত্রাসের শেষ নেই

জিবলু রহমান : (গত কালের পর) চট্টগ্রাম মহানগর শাখার ছাত্রীবিষয়ক সম্পাদিকা মাহবুবা রহমান শিফুর সঙ্গে দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক স্থাপন করেন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত শিকদার। কিন্তু লিয়াকত বিবাহিত এ তথ্য শিফু জানতে পেরে সম্পর্কের সমাপ্তি টানেন। লিয়াকত তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। এতে রাজি না হওয়ায় ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীরা শিফু এবং তারা পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। ২০০৬ সালের ৭ জুন শিফু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতিতে স্বশরীরের হাজির হয়ে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, লিয়াকত শিকদার একজন ভ- ও প্রতারক। লিয়াকতের ভাইসহ কয়েকজন ছাত্রলীগকর্মী তাকে হুমকি দিচ্ছে। লিয়াকতের বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় লিয়াকত ও তার সহযোগীরা ০১৭১২-১৫১৮০৭, ০১৫২-৩৫৯৮৩৩, ০১৭১১-৬৬৭৬১৯, ০১৭১১-৪৫৮০৯৪, ৯৩৫২৯৮৮ ফোন নাম্বার থেকে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে মোবাইল ফোনের ভয়েস রেকর্ডিং শোনানো হয়। এই রেকর্ড থেকে জানা গেছে, ছাত্রলীগ নেতা লিয়াকত দৃঢ়তার সঙ্গে তার লন্ডন ফেরত বিবাহিত স্ত্রী মুন্নীকে ডিভোর্স দেয়ার কথা বলেছেন। লিয়াকত শিকদারের বিরুদ্ধে যৌন কেলেঙ্কারির অভিযোগও তোলেন ছাত্রলীগ নেত্রী শিফু।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক সমিতিতে সংবাদ সম্মেলন চলাকালে লিয়াকত শিকদারের পোষ্য মাস্তানরা সাংবাদিকদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করে এবং অভিযোগকারিণী মাহবুবাকে অপহরণের চেষ্টা চালায়। উপস্থিত সাংবাদিকরা মাহবুবাকে নিরাপত্তাজনিত কারণে পুলিশের কাছে পাঠিয়ে দেয় এবং ঘটনার প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে মৌন মিছিল করে। পুলিশ হেফাজতে থাকা ছাত্রলীগ নেত্রী তার নিরাপত্তার জন্য রমনা থানায় একটি জিডিও করেন যার নম্বর ৫৪৯।
৪২ বছর বয়স্ক লিয়াকত শিকদার সম্পর্কে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা জানত সে অবিবাহিত। ছাত্রলীগের সম্মেলনের পর নেতাকর্মীরা লিয়াকত শিকদারের বিয়ে খাওয়ার অপেক্ষায় ছিল। লিয়াকত শিকদারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ পাওয়া যায়। কুয়েত মৈত্রী হলের ছাত্রলীগের প্রভাবশালী দুই নেত্রীর মাধ্যমে লিয়াকত শিকদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্রীদের নিজ বাসায় নিয়ে ধর্ষণ করত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের তৃতীয় বর্ষের এক ছাত্রীর অভিযোগ, তাকে কোক খাইয়ে অজ্ঞান করে লিয়াকত শিকদার তার সেগুনবাগিচার বাসায় কয়েক দফা ধর্ষণ করেছে। পরে বিবস্ত্র অবস্থায় ছবি তোলে, তাকে ব্লেকমেইল করার হুমকি দেয়া হচ্ছে। তাকে খোদ আওয়ামী লীগের নেতারা ধর্ষণ করেছে বলেও সে জানায়। তার ছোট বোনের দিকে যাতে লিয়াকত শিকদারের লোলুপ দৃষ্টি না দিতে পারে তার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি বরাবর খোলা চিঠি দিয়েছিল মেয়েটি। (সূত্র : দৈনিক দিনকাল ৯ জুন ২০০৬)
২০০২ সালে জিরো থেকে হিরো বনে যাওয়া থেকে শুরু করে সভাপতি থাকাকালীন নানা অপকর্ম লিয়াকত সিকদারের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত ক্যারিয়ারকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এসব অভিযোগ প্রকাশ্য দিবালোকের মতো সত্য বলে জানিয়েছেন তার সঙ্গে ছাত্রলীগ করা শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা। কেউ কেউ বলেছেন, লিয়াকত সিকদার ছাত্রলীগ করতেন মুখে মুখে। আসলে তিনি ছিলেন অন্য কারো এজেন্ট। শিফু লিয়াকত শিকদারের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় ছাত্রলীগের অনেক নেতাকর্মী তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হন। অভিযোগ রয়েছে, শেখ হাসিনার প্রথম শাসনামলে লিয়াকত সিকদারই ছাত্রলীগে গ্রুপিংয়ের জন্ম দেন। ফরিদপুর ভিত্তিক গ্রুপিংয়ের সৃষ্টি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে হলেও ক্যাম্পাসে মারামারি-সংঘর্ষ লাগিয়ে রাখতে তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত। সে সময় বাণিজ্য মেলার টেন্ডার ছিল তার একক নিয়ন্ত্রণে। তার ক্যাডারদের দাপটে কেউ টেন্ডার ড্রপ করতে পারতো না। এ কাজের জন্য তখন কয়েকবার সংবাদপত্রের শিরোনামও হতে হয় তাকে। ঢাকা কলেজের সন্ত্রাসী অশ্রু ছিল তার সহযোগী। গ্রুপিংয়ের কারণে ঢাকা কলেজের ছাত্রসংসদ নির্বাচন নিয়ে তিনি সম্মুখে থেকে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে অবস্থা নেন।
ছাত্রলীগের নেতা হওয়ার জন্য লিয়াকত সিকদার ২০০২ সালে নাটকের আশ্রয় নেন। কাঁঠালবাগানের এক নেতাকে কাজে লাগানোসহ তার নিজের অনুরোধে পুলিশ তাকে শেখ হাসিনার বাসার সামনে থেকে গ্রেফতার করে। সাত মাস তিনি কারাগারে ছিলেন। নেত্রীর সহানুভূতি পাওয়ার জন্য কারাগারে তিনি জামাই আদরে থেকেও আর্সেনিকযুক্ত পানি খাওয়ানো হচ্ছে, নির্যাতন করা হচ্ছে বলে বাইরে প্রচার করতেন। তার সেই কৌশলই তাকে সভাপতি দেয়। সভাপতি হওয়ার পর লিয়াকত সিকদার নানা অপকর্ম করেছেন। প্রায় এক ডজন মেয়ের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। এদের অধিকাংশ ছিল ক্যাম্পাসের বাইরের। ক্যাম্পাসের অনেকেই এগুলো জানতেন। প্রকাশ করতেন না পদ হারানোর ভয়ে। অর্পণা পাল, শারমিন ইভার সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল ঘনিষ্ঠ। ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনকে পুঁজি করে লিয়াকত সিকদার কয়েক লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে তথ্য-প্রমাণসহ অসংখ্য অভিযোগ শেখ হাসিনার কাছে জমাও দেয়া হয়েছিল। ক্যাম্পাসেও তার বিরুদ্ধে লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে।
 কমিটিতে ভালো পদ দেয়ার নাম করে অচেনা-অপরিচিত নেতাদের কাছ থেকে তিনি ২০-৩০ হাজার টাকা করে নিয়েছেন। এ টাকা ভাগাভাগি হয়েছে তৎকালীন সভাপতি রিপন ও রোটনের মধ্যে। ছাত্রলীগের আগের কমিটি অনেক নেতাই ছিলেন এই বাণিজ্যে। অভিযোগ রয়েছে, কামরুল হাসান খোকন ফেরদৌস নামে দিনাজপুর জেলা শাখার এক নেতার কাছ থেকে পদ দেয়ার নাম করে ৩ লাখ টাকা নিয়েছেন। সাইফুজ্জামান শেখর রাজশাহী অঞ্চলের ফারুক নামের এক নেতার কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা নিয়েছেন। লিয়াকত সিকদারের ঘনিষ্ঠ বন্ধু লিটন সাহা ২০-৩০ লাখ টাকা নিয়েছেন মাঠ পর্যায়ের নেতাদের কাছ থেকে। জোবায়দুল হক রাসেল নিয়েছেন ১৫-২০ লাখ টাকা। এবিএম আরিফ পদ পেতে এসব নেতাকে ১৫ লাখ টাকা দিয়েছেন। কাইয়ুম নামে এক নেতার সঙ্গে যোগসাজশ করে সম্মেলনকে কেন্দ্র করে লিয়াকত সিকদার, শাহজাদা মহিউদ্দিন, খোকন, শেখর, রনি ১৫ লাখ টাকা ভাগাভাগি করেছেন। (সূত্র : দৈনিক নয়া দিগন্ত ৯ জুন ২০০৬)
৪ জানুয়ারি ২০০৬ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে পালিত হয় ছাত্রলীগের ৫৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলায় মূল আয়োজন শুরু হলেও সকাল থেকেই বহিরাগতরা এসে ক্যাম্পাস দখল করে ফেলে। সামনে কাউন্সিল, আসবে নতুন নেতৃত্ব, পদপদবি পেতে হলে নিজের শক্তি সামর্থ্য ও জনমমর্থন প্রদর্শনের এটাই মোক্ষম সময়-ছাত্রলীগের চিরাচরিত নীতিকে সামনে রেখে রাজধানীর বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃবৃন্দ ব্যাপক লোক সমাগমের মাধ্যমে নিজের সর্বোচ্চ শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা চালায়। এদের মধ্যে টাকার বিনিময়ে স্থান পেয়েছে টোকাইসহ দিনমজুর শিশু শ্রমিকেরাও। ‘কাম করলে পাই ৫০ টাকা আর এখানে আসলে কাম না কইরাই পামু ১শত টাকা’ বলল অনুষ্ঠানে আগত এক শিশু শ্রমিক। (সূত্র : দৈনিক সংগ্রাম ৫ জানুয়ারি ২০০৬)
ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন প্রধান অতিথি ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। আগামী মার্চ মাসের ১ম সপ্তাহে ছাত্রলীগের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে নেতাকর্মীদের এ সুসংসবাদ দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন তিনি। আওয়ামী লীগকে আরো একবার ক্ষমতায় আনার জন্য তার বক্তব্যে সবিনয়ে তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসলে দেশের প্রতিটা পরিবারের বেকার যুবক বা যুবতীদের ১ জন করে চাকরি ব্যবস্থা করা হবে। তিনি বলেন, নতুন প্রজন্মকে কথা নয়, কাজ করে দেখাতে হবে। মেধাবী সৎ ও যোগ্যতাসম্পন্ন মানুষদের দেশের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন। ছাত্রলীগ সভাপতি লিয়াকত সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমদ, আব্দুর রহমান, খ ম জাহাঙ্গীর এমপি, ইসহাক আলী খান পান্না, বাহাদুর ব্যাপারী, অসীম কুমার উকিল ও ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম বাবু প্রমুখ।
অনুষ্ঠানকে ঘিরে ক্যাম্পাস দখল ছিল বহিরাগতদের। ক্যাম্পাসে ঢোকার সময় বিভিন্ন মিছিলের মধ্যে বিকট শব্দের ফটকা ফুটিয়ে আনন্দ-উল্লাসে ফেটে পড়ে তারা। তবে অভ্যস্ত না থাকায় এ শব্দ ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের মধ্যে বোমাতঙ্কের জন্ম দেয়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ আগত মিছিলে বিরতিহীনভাবে প্রায় ১শ পটকা ও আতশবাজি করা হয়। অন্যদিকে মঞ্চে ১০০ গজের মধ্যেই ছাত্রলীগ ঢাকা কলেজের দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাধে। এ সংঘর্ষ চলাকালে আগত বহিরাগতরা আতঙ্কে যে যার মতো পালাতে থাকে। সংঘর্ষে ঢাকা কলেজের সাধারণ সম্পাদক শাহিন, সাংগঠনিক সম্পাদক হিরুসহ কমপক্ষে ৫ জন আহত হয়। ঢাকা কলেজ সভাপতি সগীর গ্রুপ ও সাধারণ সম্পাদক শাহিন গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষে মামুন, রাসেল রিগ্যানসহ আরো কয়েকজন সামান্য আহত হয়।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ভারতীয় হিন্দিগানের রমরমা পরিবেশনা। দেশের ক্লোজআপ ওয়ান নোলক বাবু ও ক্যাম্পাসের ছাত্র রাজীবের গান স্থান না পেলেও ভারতের হিন্দি আইটেম সং ‘ধুমসা চালে......’ ‘এইস্যা যাদু চালারে ও হেনা হেনা’ গান র‌্যালি চলাকালে দেদারছে বাজতে থাকে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এসব গান শুনে ক্যাম্পাসের সাধারণ শিক্ষাথীদের নানা ধরনের বিরূপ মন্তব্য করতে শোনা যায়। অনুষ্ঠানে জাতীয় সঙ্গীত চলাকালে উপস্থিত সকলে স্বসম্মানে দাঁড়িয়ে নীরবতা পালন করলেও তেজগাঁও কলেজ ছাত্রলীগ শাখার কিছু নেতাকর্মী এ সময় নাচানাচি ও উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করে। এ ঘটনাকে উপস্থিত অনেকেই জাতীয় সঙ্গীতের অবমাননা বলে মন্তব্য করেন।
১৪ জুন ২০০৬ দৈনিক দিনকালে প্রকাশ, মুজিববাদী ছাত্রলীগের একাধিক নেতার নেতৃত্বে মিরপুর-পল্লবী-কাফরুল থানা এলাকায় চাঁদাবাজি ও অস্ত্রবাজি আবার শুরু হয়েছে। জমি কেনাবেচা, বাড়ি নির্মাণ, দোকানপাট এবং গার্মেন্টস কারখানা খুলতে তারা চাঁদা আদায় করছে। চাঁদা না দেয়ার কারণে ১২ জুন ২০০৬ রাতে মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনে নির্মাণাধীন একটি বাড়ির কেয়ারটেকার আলতাফ হোসেনকে গুলী করেছে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। পুলিশের সাবেক সহকারী সুপার গার্মেন্টস ব্যবসায়ী জাহেদ আকবর চৌধুরী ২ মাস আগে ১১ নম্বর এ ব্লকে একটি বাড়ি কিনেন। বাড়ির সংস্কার চলছে। এখানে মুজিববাদী ছাত্রলীগ মিরপুর থানা শাখার সাধারণ সম্পাদক, ওয়ার্ড কমিশনার নিউটন হত্যার মামলার মৃত্যুদ-াদেশ প্রাপ্ত আসামী সাহাদাত হোসেনের ক্যাডার বাহিনী চাঁদার জন্য হানা দেয়। তারা কেয়ার টেকারের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করে। ঘটনার রাত ১২টার দিকে কয়েকজন যুবক এই বাড়িতে গিয়ে কেয়ারটেকার আলতাফকে একটি মোবাইল ফোন নম্বর দিয়ে মালিককে যোগাযোগ করতে বলে। ফোন নম্বরটি হাতে ধরিয়ে দিয়েই তারা আলতাফের পায়ে গুলী করে। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করায়।  (চলবে)

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ