ঢাকা,বুধবার 14 November 2018, ৩০ কার্তিক ১৪২৫, ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

আল-আকসা ইস্যুতে ইসরাইলকে কড়া বার্তা জর্দানের

ডন: জেরুজালেমের পবিত্র মসজিদ আল-আকসার রক্ষক হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরো দৃঢ়ভাবে জানান দিচ্ছে জর্দান। সম্প্রতি আল-আকসাতে ইস্যুতে ইসরাইলের সঙ্গে বৈঠকেও তা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

সম্প্রতি জেরুজালেম ইস্যুতে জর্ডানস্থ ইসরাইলি দূতকে তলব নতুন এক বার্তা নিয়েছে দেশটি। ইসরাইলি দূত তলব করে হাশেমী রাজবংশ সতর্ক বাণী হিসেবে বলেছে, “আল-আকসা মসজিদ কম্পাউন্ডের ভেতর পুলিশ মোতায়েন শেষ সীমার পর্যায়ে চলে এসেছে। আর এটি কূটনৈতিক সৌজন্যবোধটাও ভেঙে দেবে।”

এর আগে গত বৃহস্পতিবার জেরুজালেমের চলমান সংকট নিয়ে আম্মানে এক কূটনৈতিক বৈঠকে বসেন জর্ডানে বাদশাহ দ্বিতীয় আব্দুল্লাহ, আমেরিকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি ও ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।

আম্মান আল-কুদস সেন্টার ফর পলিটিক্যাল স্টাডিস এর প্রধান ওরায়েব রানতাবি বলেন, “জর্ডানের দূতকে পুনরায় তলব ও কূটনৈতিক আলোচনা ইসরাইলকে এক কঠিন বার্তা দিচ্ছে। আল-আকসায় নিয়ম লঙ্ঘন করছে ইসরাইল আর তা শান্তি প্রচেষ্টাকে বিপদের মুখে ফেলে দেবে।”

তিনি বলেন, “ব্যস্ততার মধ্যেও মধ্যেপাচ্যের উড়ে গেছেন কেরি। কারণ তিনি জানেন জর্ডান, ফিলিস্তিনের সাথে ইসরাইলের সম্পর্কের ক্রমেই অবনতি হচ্ছে।”

জেরুজালেমে প্রতিনিয়ত ইসরাইল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে। উত্তজেনা আরো চরম আকার ধারণ করে গত মাসে। ইসরাইলি পুলিশ দেশটির ডানপন্থী ইহুদিদের নিয়ে আল-আকসা মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করে।

ওরায়েব রানতাবি বলেন, “আল-আকসা মসজিদে কোনো ধরনের নিয়ম লঙ্ঘন হলে তা জর্ডানের নেতৃত্বকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দেবে। মসজিদের রক্ষক হিসেবে তাদের অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন উঠবে।

তিনি বলেন, “এমনটি হলে তা জর্ডানের মানুষদের অসন্তুষ্টির সৃষ্টি করবে। আর তাতে এ রাজ্যটির স্থিতিশীলতা হুমকির মুখে পড়বে।”

আল-আকসা মুসলামন ও ইহুদি উভয়ের জন্য পবিত্র স্থান। ১৯৬৭ সালে ছয়দিন ধরে চলা যুদ্ধে জরেুজালেমের পূর্বের অংশটি দখল করে নেয় ইসরাইল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ