ঢাকা, সোমবার 24 September 2018, ৯ আশ্বিন ১৪২৫, ১৩ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

সিলেটে গুলি ভর্তি রিভলবার ও ১৯ রামদাসহ ২৭ বহিরাগত ছাত্রলীগ ক্যাডার আটক

সিলেট ব্যুরো : গত বৃহস্পতিবারে সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবি) রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর অবশেষে সিলেটের জালালাবাদ ও কোতয়ালী থানা পুলিশ বন্দুকযুদ্ধের সাথে সংশ্লিষ্ট ছাত্রলীগ ক্যাডারদের ধরতে অভিযানে নেমেছে। ক্যাম্পাসে দুই গ্রুপের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় একটি গুলি ভর্তি রিভলবার ও ১৯টি রামদাসহ বহিরাগত ২৭ ছাত্রলীগ ক্যাডারকে আটক করেছে পুলিশ।
সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (মিডিয়া) রহমত উল্যাহ দৈনিক সংগ্রামকে জানান, কোতয়ালী ও জালালাবাদ থানা পুলিশের অভিযানে ২৭ ছাত্রলীগ ক্যাডারকে আটক করা হয়েছে। তার পাশাপাশি একটি গুলি ভর্তি রিভলবার, দুইটি কাচি ও ১৯টি রামদা রয়েছে। তিনি বলেন, অস্ত্রধারীদের গ্রেফতার করতে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
জালালাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ আখতার হোসেন জানান, গত বৃহস্পতিবার রাতে নগরীর কুয়ারপার ও পাঠানটুলা এলাকায় ডিবি পুলিশ ও জালালাবাদ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে আটক করে। তাদের কাছ থেকে চার রাউন্ড গুলি ভর্তি একটি রিভলবার ও ১৯টি রামদা উদ্ধার করা হয়। ওসি জানান, আটক অনিক ছাত্রলীগ ক্যাডার পিযুষের প্রধান সহযোগী। পুলিশের পক্ষ থেকে জালালাবাদ থানায় একটি মামলা গ্রহণ করা হলেও নিহত সুমন দাসের পরিবারের পক্ষ থেকে গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি। তবে ওসি আখতার হোসেন আশাবাদী শুক্রবার রাতের মধ্যেই সুমন দাসের পরিবারের পক্ষ থেকে জালালাবাদ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হবে।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টায় শাবি ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ছাত্রলীগের উত্তম-অঞ্জন গ্রুপের সাথে সঞ্জীবন চক্রবর্তী পার্থ গ্রুপের সংঘর্ষ হয়। এতে বহিরাগত ক্যাডার হিসেবে মারামারিতে অংশ নিয়ে সুমন দাস (২২) নামে সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির বিবিএ শেষ বর্ষের  এক ছাত্র নিহত হয়। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। ঘটনা তদন্তে শাবি’র সাবেক কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. ইলিয়াস উদ্দিন বিশ্বাসকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। গতকাল শুক্রবার সকাল ৯টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নির্দেশে হল ছেড়ে গিয়েছে মহিলা হলের শিক্ষার্থীরা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ