ঢাকা, বৃহস্পতিবার 24 January 2019, ১১ মাঘ ১৪২৫, ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

জিম্বাবুয়েকে হোয়াইট ওয়াশ করল বাংলাদেশ

সংগ্রাম ডেস্ক : বাংলাদেশ হোয়াইট ওয়াশ করল জিম্বাবুয়েকে।
স্পিনারদের দাপটে সমাপ্তিটা মধুরই হল বাংলাদেশের। তাইজুল ইসলাম, সাকিব আল হাসানদের ঘূর্ণিতে ছোট লক্ষ্যই পায় স্বাগতিকরা। সিরিজের প্রথমবারের মতো লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দ্রুত উইকেট হারালেও শেষ পর্যন্ত দলকে সহজ জয়ই এনে দেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ।
৫ উইকেটের এই জয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ৫-০ ব্যবধানে জিতল বাংলাদেশ। এর আগে ৩-০ ব্যবধানে তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজ জিতে তারা।

সোমবার মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৩০ ওভারে ১২৮ রানে অলআউট হয়ে যায় জিম্বাবুয়ে। জবাবে ২৪ ওভার ৩ বলে ৫ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় বাংলাদেশ।

জিম্বাবুয়ের দুই পেসার টিনাশে পানিয়াঙ্গারা ও টেন্ডাই চাটারা পরীক্ষায় ফেলেন বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের।

মাত্র ২৮ রানে বিদায় নেন স্বাগতিকদের দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল ও এনামুল হক। তামিমকে ফিরিয়ে প্রথম আঘাত হানেন পানিয়াঙ্গারা। এরপর এনামুলকে বিদায় করেন চাটারা।
নিজের অভিষেকে উইকেটে থিতু হয়েও ফিরে যান সৌম্য সরকার। দলীয় ৪৭ রানে তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে বিদায় নেয়ার আগে ২০ রান করেন তিনি। মাত্র শূন্য রানে সাকিব ফিরে গেলে চাপে পড়ে স্বাগতিকরা।
এর আগে শুরুটা ভালো হয়নি জিম্বাবুয়ের। দলে ফেরা সিকান্দার রাজাকে উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিমের গ্লাভসবন্দি করে প্রথম আঘাত হানেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।
তবে এরপর দ্রুত রান তুলতে থাকেন হ্যামিল্টন মাসাকাদজা ও ভুসি সিবান্দা। এই দুইজন ছাড়া দলের আর কোনো ব্যাটসম্যান দুই অঙ্কে যেতে পারেননি।

এক সময়ে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ছিল ১ উইকেটে ৯৫ রান। অর্ধশতকে পৌঁছানোর পরপরই হ্যামিল্টন মাসাকাদজাকে বোল্ড করে ৭৯ রানের জুটি ভাঙেন জুবায়ের হোসেন।
মাত্র ৩৩ রান যোগ করতে শেষ ৯ উইকেট হারানোয় দেড়শ’ পর্যন্তও যায়নি অতিথিদের সংগ্রহ।
প্রথম ৩ ওভারে ২৩ রান দেয়া সাকিব দ্রুত ব্রেন্ডন টেইলর ও সিবান্দাকে বিদায় করে অতিথিদের চাপে ফেলেন।
অতিথিদের জন্য দুর্বোধ্য ছিলেন জুবায়েরও। টিমিসেন মারুমকে বোল্ড করে নিজের দ্বিতীয় উইকেট নেন এই লেগস্পিনার।

সিরিজে দুটি অর্ধশতক পাওয়া সলোমন মায়ারকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে নিজের প্রথম ওয়ানডে উইকেট নেন অভিষিক্ত তাইজুল। সেই ওভারের শেষ বলে টিনাশে পানিয়াঙ্গারা বোল্ড করেন এই বাঁহাতি স্পিনার।
নিজের পরের ওভারের প্রথম বলে জন নিউম্বুকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগান তাইজুল। পরের বলে টেন্ডাই চাটারাকে বোল্ড করে গড়েন ইতিহাস।
বিশ্বের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেকে হ্যাটট্রিক করার কৃতিত্ব দেখান বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল।
পরের ওভারেই টাফাজওয়া কামুনগোজিকে বোল্ড করে অতিথিদের ইনিংস গুটিয়ে দেন সাকিব।
মাত্র ১১ রানে ৪ উইকেট নিয়ে তাইজুলই বাংলাদেশের সেরা বোলার। সাকিব ৩ উইকেট নেন ৩০ রানে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ