ঢাকা, মঙ্গলবার 20 November 2018, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

পাকিস্তানে রক্তের মাধ্যমে ১০ শিশুর দেহে এইচআইভি সংক্রমণ

অনলাইন ডেস্ক : দুষিত রক্ত গ্রহণের পর পাকিস্তানের ১০ শিশু এইচআইভি আক্রান্ত হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারা বৃহস্পতিবার এ খবর জানান।

এসব শিশুর বয়স পাঁচ থেকে ১৬। এদের সবাই জন্মগতভাবে থ্যালাসিমিয়া নামক রক্তজনিত রোগাক্রান্ত। ফলে তাদের নিয়মিত রক্ত নিতে হয়।

জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা বিষয়কমন্ত্রী সায়রা আফজাল তারার এ ঘটনাকে ‘দুঃখজনক’ উল্লেখ করে এর তদন্তের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি এ ঘটনার রিপোর্ট চেয়েছি এবং এ ব্যাপারে প্রাদেশিক সরকারগুলোর কাছে চিঠি লিখছি।’

পাকিস্তানে রক্ত দেয়ার আগে পরীক্ষার আইন থাকলেও এর খুব একটা বাস্তবায়ন নেই।

পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস-এর উপাচার্য জাভেদ আকরাম বলেন, ‘যেসব লোক এজন্য দায়ী তাদের শাস্তি হওয়া উচিত এবং কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত।’

আকরাম বলেন, আরো থ্যালাসিমিয়া রোগীর রক্ত পরীক্ষা করা হয়েছে। তাই এইচআইভি আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা আরো বেশি হতে পারে।

তিনি বলেন, ‘আমরা তাদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দেবো। তাদের এইচআইভি-এইডস এবং একই সাথে থ্যালাসিমিয়ার চিকিৎসা দেয়া হবে।’

পাকিস্তান থ্যালাসিমিয়া ফাউন্ডেশনের মহাসচিব ড. ইয়াসমিন রশিদ বলেন, আক্রান্ত শিশুরা ইসলামাবাদ, রাওয়ালপিন্ডি ও লাহোরের। তবে এই সংক্রমণের জন্য কোন কোন ব্লাড ব্যাংক দায়ী তা সঠিকভাবে চিহ্নিত করা দুরূহ।

তিনি বলেন, এসব শিশুর জন্য বিভিন্ন ব্লাড ব্যাংক থেকে রক্ত নেওয়া হয়।

ড. রশিদ বলেন, কোনো কোনো রক্ত কেন্দ্র হেপাটাইটিস বি ও সি পরীক্ষা করলেও সাধারণত তারা এইচআইভি পরীক্ষা করে না।

পাকিস্তানে এইচআইভি আক্রান্তের সংখ্যা কম। ইউএনএইডস-এর অনুমান অনুযায়ী দেশটির মাত্র দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ এইচআইভি আক্রান্ত।

তবে ইনজেকশনের মাধ্যমে মাদক গ্রহণকারী যৌনকর্মী ও উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে ফেরা অভিবাসী শ্রমিকদের মধ্যে এ রোগ ছড়িয়ে পড়ছে।

সূত্র : বাসস

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ