ঢাকা,বুধবার 14 November 2018, ৩০ কার্তিক ১৪২৫, ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

হাগুপিটের আঘাতে লণ্ডভণ্ড ফিলিপাইন

ঘূর্ণিঝড় হাগুপিটের (স্থানীয় নাম রুবি) আঘাতে লণ্ডভণ্ড হয়েছে ফিলিপাইনের পূর্বাঞ্চল। শনিবার রাতে দেশটির দোলোরেস ও সামার প্রদেশে এটি আঘাত হানে।
ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও ব্যাপকহারে গাছ-গাছালি উপড়ে গেছে এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। এছাড়া অনেক বাড়ি-ঘরের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। উপকূলীয় এলাকায় সমুদ্রের পানির উচ্চতা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এলাকা থেকে পাঁচ লাখের বেশি লোককে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে, গত বছর ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় হাইয়ানের আঘাতে যে সব এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ২০১৩ সালের নভেম্বরে আঘাত হানা হাইয়ানের আঘাতে সাত হাজারের বেশি লোক নিহত কিংবা নিখোঁজ হয়।
হাইয়ানের আঘাতে সবচেয়ে বেশি নিহত হয়েছে ট্যাকলোবান। হাগুপিটের আঘাতে সেখানে অনেক বাড়ির ছাদ উড়ে গেছে এবং অনেক গাছ উপড়ে গেছে। তবে হাগুপিট নিয়ে মানুষ যতটা আতঙ্কে ছিল ততটা ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করেনি বলে দেশটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
বিবিসি সংবাদদাতা জানান, হাগুপিট স্পষ্টত একটি শক্তিশালী ঝড় ছিল। তবে সেটা কোথাও হাইয়ানের মতো শক্তিশালী ছিল না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পূর্ব সতর্কতা হিসেবে এবার যথেষ্ট প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছিল।
আলবে প্রদেশের গভর্নর জয়ে সালসিডা জানান, টাইফুন হাইয়ান থেকে তারা একটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস শিখেছেন সেটা হলো-পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে লোকজনকে অপসারণ। তিনি বলেন, ‘আর সেটিই আমরা এবার করেছি। ফলে হতাহতের হার শূন্যে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে।’
দোলোরেস প্রদেশের পুলিশের মুখপাত্র এ্যালেক্স রবিন বার্তা সংস্থা এপিকে জানান, ইতোমধ্যে অনেক গাছ পড়ে গেছে। তিনি বলেন, ‘আমরা পুরো অন্ধকারের মধ্যে রয়েছি।’ টর্চলাইট ও মোমবাতির সাহায্যে সেখানকার মানুষ চলছে বলে জানান তিনি।

সূত্র : বিবিসি

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ