ঢাকা, রোববার 18 November 2018, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের সদস্যপদ পেল ফিলিস্তিন

নেদারল্যান্ডের হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) সদস্যপদ পাওয়ার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র হিসেবে ফিলিস্তিনের আলাদা মর্যাদা গৃহীত হয়েছে। এর ফলে অধিকৃত ফিলিস্তিনে যুদ্ধাপরাধের সঙ্গে জড়িত ইসরাইলি কর্মকর্তাদের বিচার করার পথ প্রশস্ত হল।

গত সোমবার নিউ ইয়র্কে আইসিসি'র ১২২ সদস্য দেশের শীর্ষ বৈঠকে ফিলিস্তিনকে সংস্থাটির সদস্য দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। এ সিদ্ধান্তকে প্রতীকি বিজয় হিসেবে দেখছে ফিলিস্তিনিরা। কারণ সদস্যপদ লাভের পর সংস্থাটিতে ফিলিস্তিনের পক্ষ থেকে আবেদন করা হলে ইসরাইলের যুদ্ধাপরাধের অভিযোগের তদন্ত করা হবে।

খবরে বলা হয়, ফিলিস্তিন এখন থেকে আইসিসি'র পর্যবেক্ষক দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। একই ধরনের স্বীকৃতি আমেরিকা, রাশিয়া ও অন্যান্য রাষ্ট্র পেয়ে থাকে। বিশেষ করে যারা রোম স্ট্যাটুতে স্বাক্ষর করেনি তাদেরকে এ ধরনের মর্যাদা দিয়ে থাকে আইসিসি। যারা রোম স্ট্যাচুতে স্বাক্ষরকারী, তারা আইসিসি'র পূর্ণ সদস্যপদ পেয়ে থাকে।

আইসিসি একটি স্বাধীন আন্তর্জাতিক সংস্থা যা জাতিসংঘের অধীনস্থ নয়। সংস্থাটি বিভিন্ন দেশে সংগঠিত গুরুত্বপূর্ণ অপরাধের বিচার করে থাকে। বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্র, সংস্থা, প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির অনুদান পেয়ে থাকে সংস্থাটি।

২০১২ সালের ২৯ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের প্রবল আপত্তি সত্ত্বেও জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা পায় ফিলিস্তিন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতে বিপুল ভোটের ব্যবধানে এ মর্যাদা লাভ করে ফিলিস্তিন। এ সংক্রান্ত প্রস্তাবের পক্ষে ১৩৮টি ভোট এবং বিপক্ষে মাত্র ৯টি ভোট পড়ে। এছাড়া যুক্তরাজ্যসহ ৪১টি দেশ ভোটদানে বিরত থাকে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলসহ ৯টি দেশ প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দেয়।

জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রের মর্যাদা পাওয়ার পরই ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষ আইসিসির সদস্যপদ লাভের চেষ্টা করে। কিন্তু রাজনৈতিক জটিলতার কারণে তাদেরকে দুই বছর অপেক্ষা করতে হয়। সূত্র: আল জাজিরা

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ