ঢাকা,বুধবার 14 November 2018, ৩০ কার্তিক ১৪২৫, ৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

সিআইএ’র বন্দি নির্যাতন রিপোর্ট প্রকাশ আজ, বিশ্বজুড়ে সতর্কতা

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশের সময়ে বন্দিদের কাছ থেকে স্বীকারোক্তি আদায়ে নির্যাতনের যেসব কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে তা প্রকাশ করার কথা আজ মঙ্গলবার।

এর প্রেক্ষিতে বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনা বা প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মেরিন। সিআইএ রয়েছে তৎপর। বাড়ানো হয়েছে হোয়াইট হাউজের নিরাপত্তা। রিপোর্ট প্রকাশের পর মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে দেখা দিতে পারে অসন্তোষ। এ জন্য সেখানে যুক্তরাষ্ট্রে হাজার হাজার নৌ সেনাকে রাখা হয়েছে আরও সতর্ক অবস্থায়। যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস বা ঘাঁটিগুলোর জন্য হুমকি দেখা দিলে কয়েক ঘন্টার মধ্যে মোতায়েন করা হবে ওই সেনাদের।

রিপোর্ট প্রকাশ হওয়ার পর ক্ষমতাসীন ডেমক্রেট ও রিপাবলিকান শিবির একে অন্যের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আক্রমণে জড়িয়ে পড়তে পারে। এর কারণ, ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্কে বিশ্ব বাণিজ্য কেন্দ্রে সন্ত্রাসী হামলার পর যেসব ব্যক্তিকে এর সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আটক করা হয়েছে তাদের কাছ থেকে স্বীকারোক্তি আদায়ে বুশ সরকার ৫ কোটি ডলার খরচ করেছে। বন্দিদের কাছ থেকে অকথ্য নির্যাতন করে স্বীকারোক্তি আদায়ের অভিযোগ আছে।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি কৌশল হলো ওয়াটারবোর্ডিং। এ পদ্ধতিতে বন্দিকে পানিতে ফেলে তাকে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে স্বীকারোক্তি আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

আজ যে রিপোর্ট প্রকাশ হচ্ছে তা পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট নয়। তবে এতে রয়েছে রিপোর্টের সারমর্ম। মূল রিপোর্ট ৬ হাজার পৃষ্ঠারও বেশি।

প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ক্ষমতাসীন হওয়ার ৬ বছরের মাথায় এই রিপোর্ট প্রকাশ হতে চলেছে, যখন সিনেটে ডেমক্রেটদের দিনকাল ভাল যাচ্ছে না। কংগ্রেসে আধিপত্য বিস্তার করেছে রিপাবলিকানরা। আজকের এই রিপোর্টে থাকবে ২০টি থটনার তদন্ত রিপোর্ট, ২০টি ঘটনার পর্যালোচনা।

সিনেটের ডেমক্রেট সদস্যরা আগেভাগেই বলছেন, এই কর্মসূচি ভুলভাবে উপস্থাপন করেছে সিআইএ। এমন ২০টি ঘটনার মধ্যে আল কায়েদা প্রধান ওসামা বিন লাদেনের অনুসন্ধান অন্যতম। যেসব দেশ সিআইএ’কে গোপন কারাগার স্থাপনে ও বন্দি হস্তান্তরে সহায়তা করেছে তাদের নাম এ রিপোর্টে পরোক্ষভাবে প্রকাশ করা হবে। তবে দেশগুলোর পুরো নাম প্রকাশ করা হবে না।

রিপোর্টে সিআইএ’র কর্মচারী বা কর্মকর্তাদের নাম প্রকাশ করা হবে না। কারণ, তাহলে তাদেরকে চিহ্নিত করতে পারবে অন্যরা। সূত্র: ওয়েবসাইট

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ