ঢাকা, রোববার 18 November 2018, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

নারায়ণগঞ্জ সাত খুনের ঘটনায় শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তারেক-আরিফ জড়িত

র‌্যাব নারায়ণগঞ্জের বর্বরোচিত সাত খুনের ঘটনায় হাইকোর্টে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেছে র‌্যাব। র‌্যাব-১১ এর তৎকালীন অধিনায়ক তারেক সাঈদ এবং অপর দুই কর্মকর্তা সাবেক কোম্পানি কমান্ডার আরিফ হোসেন ও এম এম রানা জড়িত ছিলেন। চূড়ান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, তারেক সাঈদ ও আরিফ হোসেন অপহরণ থেকে শুরু করে লাশ নদীতে ডোবানো পর্যন্ত পুরো ঘটনায় জড়িত ছিলেন। আর এমএম রানা অপহরণ পর্যন্ত আংশিক জড়িত ছিলেন। উচ্চ আদালতের নির্দেশে গঠিত র‌্যাব সদর দপ্তরের তদন্ত কমিটির এ চূড়ান্ত প্রতিবেদন বিচারপতি মোহাম্মদ রেজাউল হক ও বিচারপতি গোবিন্দ চন্দ্র ঠাকুরের হাইকোর্ট বেঞ্চে দাখিল করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। এর আগে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত কমিটির প্রধান র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) ডিআইজি আফতাব উদ্দিন। প্রতিবেদনে বলা হয়, সাত খুনের ঘটনায় প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত (অপহরণ থেকে শুরু করে লাশ নদীতে ডোবানো পর্যন্ত) র‌্যাব-১১ এর সাবেক অধিনায়ক লে. কর্নেল (অব.) তারেক সাঈদ মুহাম্মদ ও কোম্পানি কমান্ডার মেজর (অব.) আরিফ হোসেন সিপিএসসি জড়িত ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে প্রতীয়মান হয়। আর লে. কমান্ডার (অব.) এম এম রানা অপহরণ পর্যন্ত অংশ নিয়ে আংশিক জড়িত ছিলেন বলে প্রতীয়মান হয়। তবে ঘটনার সঙ্গে র‌্যাব সদর দপ্তরের কোনো ধরনের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। গত ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দন সরকারসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয়। ৩০ এপ্রিল ও ১ মে শীতলক্ষ্যা নদীতে তাদের লাশ পাওয়া যায়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ