ঢাকা, বৃহস্পতিবার 11 December 2014 ২৭ অগ্রহায়ন ১৪২১, ১৭ সফর ১৪৩৬ হিজরী
Online Edition

ফের 'সাধ্বী-বচন' সুদর্শন চক্রের সামনে যে আসবে সে-ই মরবে

নতুন বার্তা, নয়া দিল্লি: তার উস্কানিমূলক মন্তব্যের জেরে দিনের পর দিন ভারতে সংসদ মুলতুবি হয়ে যাচ্ছে। ভারতজুড়ে চলছে বিতর্ক। বিরোধীদের দাবিতে সংসদে দাঁড়িয়ে ক্ষমাও চাইতে হয়েছে। কিন্তু তার এসবে কোনো হেলদোল নেই। বরং যাবতীয় বিতর্ক, সমালোচনাকে আমল না দিয়ে ধর্মীয় উস্কানিমূলক মন্তব্য জারিই রেখেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতি। গেরুয়া এমপি এবার 'চরম' আপত্তিকর মন্তব্য করলেন দিল্লির ত্রিলোকপুরী এলাকায়। যেখানে কয়েক দিন আগেই দাঙ্গা হয়েছে। উস্কানিমূলক মন্তব্যের সঙ্গেই দুটি সভায় গাইলেন রামের ভজন। সব দিল্লিবাসীকেও রামের ভজন গাওয়ার পরামর্শ দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।
কী বলেছেন সাধ্বী নিরঞ্জন?
ত্রিলোকপুরীতে সোমবার কঠিন নিরাপত্তাবলয়ের মধ্যে দুটি সভা করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সাধ্বী নিরঞ্জন জ্যোতি। প্রসঙ্গত, ত্রিলোকপুরীতে কয়েক দিন আগেই দাঙ্গা হওয়ায় এমনিতেই এলাকার পরিবেশ যথেষ্ট সংবেদনশীল হয়ে রয়েছে। কোনো সভাতেই দাঙ্গা-প্রসঙ্গ তোলেননি সাধ্বী নিরঞ্জন। কিন্তু কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দু'টি সভাতেই উন্নয়নের প্রসঙ্গ থেকে রাম-প্রসঙ্গই অধিক প্রাধান্য পায়। ' ধর্মীয় গুরু'দের মতো সভায় উপস্থিত মানুষদের রামের ভজন গেয়ে শোনান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ভজন শেষ করেই শুরু করে দেন বিতর্কিত মন্তব্য।
রামের ভজন শেষ করে সাধ্বী নিরঞ্জন বলেন, 'রামের এই ভজন গোটা দিল্লিকে গাইতে হবে। আর ভগবান শ্যামসুন্দরের সুদর্শন চক্রের সামনে যে আসবে, সে-ই মরবে।' এরপর কৃষ্ণের প্রসঙ্গ টেনে সাধ্বী নিরঞ্জন বলেন, 'জাগো। ভগবান কৃষ্ণের মতো তোমাকেও যুদ্ধের শঙ্খ বাজাতে হবে। এখানে শান্তি দিয়ে শান্তি কায়েম রাখা যাবে না। তোমাকেও চক্র তুলে নিতে হবে।'
স্বাভাবিকভাবেই সাধ্বী নিরঞ্জনের এহেন মন্তব্যে ফের তৈরি হয়েছে বিতর্ক। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর তুমুল বিরোধিতায় সরব হয়েছে বিরোধীরা। যদিও গেরুয়া-সাংসদ নিজের বক্তব্যেই অনড়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ