ঢাকা, মঙ্গলবার 25 September 2018, ১০ আশ্বিন ১৪২৫, ১৪ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

যুক্তরাষ্ট্রের বন্দি নির্যাতন দেখে ‘উৎসাহিত’ হচ্ছে অন্যান্য দেশ : জাতিসংঘ

বন্দি নির্যাতন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় মার্কিন প্রশাসন আন্তর্জাতিক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কাজ করতে অনিচ্ছা প্রকাশ করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের এই অপরাধমূলক কাজ অন্যান্য দেশকেও আইনি এবং সামাজিক দায়িত্ব এড়িয়ে যেতে উৎসাহিত করছে।

গত বৃহস্পতিবার জাতিসংঘের বিশেষ দূত জুয়ান মেনডেজ এ মন্তব্য করেছেন।

বন্দিদের ওপর সিআইএয়ের নির্যাতনের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত মার্কিন সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার একদিন পর তিনি এই মন্তব্য করলেন।

প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে সিআইএয়ের সামগ্রিক নির্যাতনের চিত্র। নির্যাতনের কৌশল হিসেবে উপহাস, যৌন নির্যাতন, নিচের দিকে মাথা দিয়ে শ্বাসনালী দিয়ে অনবরত পানি ঢালাসহ অনেক অমানবিক কৌশলে নির্যাতন করতো তারা। আটকদের বিরুদ্ধে অসম্মানজনক আচরণ করা হত।

তিনি বলেন, ‘আমি প্রমাণ দিয়ে বলতে পারি, অনেক দেশ পরোক্ষ কিংবা প্রত্যক্ষভাবে আমাদের বলছে, ‘কেন শুধু আমাদের বলছেন? যদি যুক্তরাষ্ট্র এ রকম নির্যাতন করতে পারে, তবে আমাদের শুধু অপরাধ হবে কেনো?

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা আমাদের নৈতিকতা হারিয়ে ফেলেছি কিন্তু এখান থেকে ফিরে আসা সম্ভব এবং ফিরে আসা উচিত।’

তিনি জানান, নিউইয়র্কে ২০০১ সালের ৯/১১ এর ঘটনা সিআইএকে উৎসাহিত করেছে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তাদের এই অবমাননাকর কৌশল অবলম্বন করতে।

তিনি আরো বলেন, ‘কোন সন্দেহ নেই যে, তাদের এই নির্যাতন সন্ত্রাসবাদকে আরো বেশি উসকে দিচ্ছে।’

‘যুক্তরাষ্ট্র প্রায়ই অন্য দেশকে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার আহ্বান জানায়’ উল্লেখ করে মেনডেজ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের উচিত জিজ্ঞাসাবাদের সময় নিজেদের এবং বিদেশিদের ক্ষেত্রে একই মানদণ্ড অনুসরণ করা।

নিষ্ঠুর নির্যাতনের ফলে আটক ব্যক্তিদের অনেকেরই দৃষ্টিভ্রম, অনিদ্রা, মানসিক বৈকল্য দেখা দেয়। দুর্বিষহ জীবনের ভারে ধৈর্য্য হারিয়ে এদের অনেকেই আত্মহত্যা কিংবা অঙ্গহানি করতে উদ্যত হন। ওর্য়াল্ড বুলেটিন

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ