ঢাকা, সোমবার 24 September 2018, ৯ আশ্বিন ১৪২৫, ১৩ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

পুলিশি নির্যাতন ও হত্যার বিরুদ্ধে আমেরিকায় সহস্রাধিক লোকের বিক্ষোভ

সম্প্রতি পুলিশের হাতে দুজন নিরস্ত্র কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক নিহত হওয়ার প্রেক্ষাপটে আমেরিকাজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। নিউইয়র্ক ও ওয়াশিংটনে পুলিশি নিপীড়নের বিরুদ্ধে কয়েক হাজার মানুষ ওয়াশিংটন ও বিক্ষোভ করেছে।

ওয়াশিংটনের ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় ক্যাপিটাল ভবনের সামনে জড়ো হওয়া মানুষেরা ‘কৃষ্ণাঙ্গ মানুষদের জীবনেরও দাম আছে’ এবং ‘বর্নবাদী পুলিশকে প্রতিহত কর’ এমন প্ল্যাকার্ড বহন করে শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল সমাবেশ করেন।
আয়োজকরা জানান, গত শনিবারের বিক্ষোভ সাম্প্রতিক সময়ের বৃহত্তম বিক্ষোভগুলোর মধ্যে অন্যতম।

বিক্ষোভকারীদের অনেকে ‘আমি নি:শ্বাস নিতে পারছি না’ বলেও স্লোগান দেন। এটি ছিল নিউ ইয়র্কে পুলিশের হাতে নিহত হওয়া কৃষ্ণাঙ্গ নাগরিক এরিক গার্নারের মৃত্যুর আগে শেষ বাক্য।

বিক্ষোভে অংশ নেয়া কমিউনিটি নেতা মার্টিন বায়েজ বলছিলেন, কৃষ্ণাঙ্গ মানুষেরা সমঅধিকারের দাবীতে এখানে সমবেত হয়েছে।

বায়েজ বলেন, “এখানে সমবেত মানুষেরা নিজেদের অধিকারের দাবী নিয়ে এসেছেন। আমরা এখানে শ্বেতাঙ্গ ও কৃষ্ণাঙ্গ মানুষের জন্য সমান গণতন্ত্র এবং ন্যায়বিচারের দাবীতে লড়াই করছি। বেআইনি ভাবে সিগারেট বিক্রির অপরাধে কাউকে হত্যা করা যায়, আপনি বলুন। এ ধরণের অন্যায় বন্ধ হতে হবে।” বিক্ষোভকারীরা যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান পরিবর্তনের দাবি জানান।

ওয়াশিংটনের বিক্ষোভে এরিক গার্নার এবং মিজৌরিতে নিহত মাইকেল ব্রাউনের পরিবারের সদস্যরাও যোগ দেন।

বিক্ষোভকারীরা জানান, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।

বায়েজ আরো বলেন, “যতক্ষণ পরিস্থিতি না বদলাবে, যতক্ষণ সরকার আমাদের স্বাধীনতাকে সম্মান না দেখাবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।”

ক্যাপিটাল ভবনের বাইরে সম্ভাব্য দাঙ্গা ঠেকাতে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

এর আগে ফার্গুসনে কৃষ্ণাঙ্গ কিশোর মাইকেল ব্রাউনকে গুলি করে হত্যা, এবং নিউ ইয়র্কে এরিক গার্নারকে শ্বাসরোধে হত্যার দায় থেকে শ্বেতাঙ্গ পুলিশ সদস্যদের আদালত অব্যাহতি প্রদান করে। আর এর পরেই দেশজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়।–বিবিসি/আলজাজিরা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ