ঢাকা,বৃহস্পতিবার 15 November 2018, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

কায়সারের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় কাল

সাবেক প্রতিমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সারের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আগামীকাল মঙ্গলবার ঘোষণা করা হবে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল রায় ঘোষণার দিন ধার্য করে আজ এ আদেশ দেয়। বিচারক প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারপতি শাহিনুর ইসলাম ও বিচারপতি মো. মুজিবুর রহমান মিয়া।
কায়সারের মামলায় উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক পেশের পর গত ২০ আগস্ট রায় যে কোন দিন ঘোষণার (সিএভি) আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল। ওইদিন কায়সারের জামিন বাতিল করে তাকে কারাগারে পাঠানোরও নির্দেশ দেয়া হয়।
প্রসিকিউটর রানা দাশগুপ্ত আসামি কায়সারের বিরুদ্ধে সবগুলো অভিযোগ প্রমাণে সক্ষম হয়েছে দাবী করে তার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড প্রার্থনা করেন। পাশাপাশি তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় কায়সারের অপরাধের শিকার ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করেন। তিনি বলেন, ৪২ বছর আগে মুক্তিযুদ্ধের সময় কায়সার ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জসহ বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে অপরাধ সংঘটিত করে। সচেতনভাবে, সুপরিকল্পিতভাবে এ আসামি অপরাধ করে। তখন সে ২৮ বছরের যুবক ছিল। সে সময় ‘ড্রাগনের’ ভূমিকা পালন করেছিলো এ আসামি।
প্রসিকিউটর রানা দাস গুপ্ত আরো বলেন, অভিযুক্ত কায়সারের বিরুদ্ধে মোট ১৬টি অভিযোগ আনা হয়েছে। আসামিপক্ষ একটি অভিযোগও অস্বীকার করে নি। কায়সারের বাবা ও মামা ১৯৬৫ সালে প্রাদেশিক সরকারের সদস্য ছিলেন এবং তার বাবা এবং মামার প্রভাবে এলাকার সকলে তাদের পরিবার ও কায়সারের ভয়ে তটস্থ ছিল।
সৈয়দ কায়সারের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় গত ২ ফেব্রুয়ারি অভিযোগ গঠন করা হয়। তার বিরুদ্ধে গণহত্যার একটি, হত্যা, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ ও লুণ্ঠনের ১৩টি এবং ধর্ষণের দু’টিসহ মোট ১৬টি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়। গত বছরের ১৪ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেয়া হয়।
গত বছরের ৫ আগস্ট শর্তসাপেক্ষে জামিন পেয়ে কায়সার রাজধানীতে তার ছেলের বাসায় ছিলেন। কায়সার হচ্ছেন দ্বিতীয় কোনো আসামী যিনি শর্ত সাপেক্ষে জামিন পান। এর আগে বিএনপি নেতা আব্দুল আলীম শর্ত সাপেক্ষে জামিন পেয়েছিলেন। বাসস

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ