ঢাকা, বুধবার 19 September 2018, ৪ আশ্বিন ১৪২৫, ৮ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

পাইপে কোনও শিশু দেখা যায়নি: উদ্ধারকারী দল

অনলাইন ডেস্ক: শাহজাহানপুরে পাইপ থেকে চার বছরের শিশুকে উদ্ধারের চেষ্টায় অত্যাধুনিক ক্যামেরা নামানো হলেও শিশুটিকে দেখা যায়নি বলে জানাচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার বিকেলে জিয়াদ নামের যে শিশুটি রাজধানীর শাহজাহানপুরের রেলওয়ে মাঠসংলগ্ন পানির পাম্পের কয়েক শ’ ফুট গভীর একটি পাইপে পড়ে গিয়েছিল, ফায়ার সার্ভিসের কয়েকটি ইউনিট সারারাত কাজ করেও তাকে এখন পর্যন্ত উদ্ধার করতে পারেনি।

রাতে উদ্ধার কাজে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিশুটিকে উদ্ধারে নানা চেষ্টা করা হচ্ছে।
শাহজাহানপুর থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেছিলেন, শিশুটিকে উদ্ধারের জন্য রশির সঙ্গে বস্তা বেধে নিচে ফেলা হয়েছে। তবে, যে গর্তে শিশুটি পড়েছে সেটি অপরিসর হওয়ায় কাজ করতে সমস্যা হচ্ছে। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, পাইপে রশি বেধে শিশুটিকে খাবার ও পানীয় পাঠানো হয়েছে।

এছাড়া, অন্ধকারে যাতে ভয় না পায়, সেজন্য দুটি টর্চ লাইটও পাঠানো হয়েছে। আর ওপর থেকে ডাকা হলে এবং জিনিসপত্র পাঠাবার পর শিশুটি কয়েকবারই সাড়া দিয়েছে বলেও জানাচ্ছিলেন কর্মকর্তারা।

কিন্তু, রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাইপটিতে অত্যাধুনিক ক্যামেরা নামানো হয়। এটি দিয়ে সেখানে শিশুটির অবস্থান দেখার চেষ্টা করা হচ্ছিল।

তবে, সেখানে নানা ধরনের পরিত্যক্ত জিনিস পড়ে থাকতে দেখা গেলেও কোনও শিশুর অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি বলে বিবিসিকে জানান, ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক আলি আহমেদ খান।

শিশুটিকে উদ্ধারের অভিযান নিয়ে গণ মাধ্যমে নানা বিতর্ক উঠলেও ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক জানান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ঘটনা স্থল পরিদর্শনে গিয়ে তাদেরকে নির্দেশ দিয়েছেন, পরিত্যক্ত যেসব জিনিসপত্র ক্যামেরাতে দেখা গেছে, সেগুলো সরানোর ব্যবস্থা নিতে এবং এরপর শিশুটির সন্ধান চালাতে।
উদ্ধার তৎপরতার পরবর্তী ধাপে ক্রেন ব্যবহার করে পরিত্যক্ত জিনিসপত্র সরানোর প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে জানান ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক।

তিনি বলছিলেন, বাংলাদেশে এমন ঘটনা বিরল, তবে সব ধরনের চেষ্টা তারা করছেন।
বিবিসিকে তিনি বলেন, শিশুটি যদি মারা গিয়ে থাকে, অন্ততপক্ষে তার মৃতদেহটিও যেন তারা উদ্ধার করতে পারেন, সেই চেষ্টা করছেন তারা।

তাই শতভাগ নিশ্চিত না হয়ে উদ্ধার তৎপরতা বন্ধ করা হচ্ছেনা বলেই জানিয়েছেন, ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক আলি আহমেদ খান।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ