ঢাকা, শনিবার 17 November 2018, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

প্যারিসে আবার গুলি, নারী পুলিশ নিহত

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে পত্রিকা অফিসে হামলায় ১২ জন নিহতের ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই আবারো হামলার ঘটনা ঘটেছে। এবার অজ্ঞাত বন্দুকধারীর গুলিতে মারা গেছেন পুলিশের এক নারী সদস্য।
বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল সোয়া ৭টার দিকে প্যারিসের দক্ষিণাংশের শহরতলীতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে একটি সড়ক দুর্ঘটনা স্থলে উপস্থিত ছিলেন পুলিশের ওই নারী সদস্য। বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরা এক ব্যক্তি সেখানে হাজির হয় এবং পুলিশ কর্মকর্তাকে অতর্কিতে গুলি করে পালিয়ে যায়। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন সিটি করপোরেশনের এক কর্মকর্তাও।
প্যারিস পুলিশের বরাত দিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম জানিয়েছে, সন্দেহভাজন একজনকে আটক করা হয়েছে। তবে বুধবারের হামলার ঘটনার সঙ্গে আজকের ঘটনার কোনো যোগসূত্র আছে কিনা তা এখনো নিশ্চিত করে বলতে পারছে না পুলিশ।
এদিকে বুধবার বিদ্রুপাত্মক সাময়িকী ‘শার্লি অ্যাবদোর’  কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় সন্দেহভাজন তিনজনকে চিহ্নিত করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে একজন আত্মসমর্পণ করেছেন।
বৃহস্পতিবার সকালে সন্দেহভাজন দু’জনের নামে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি এবং ছবি প্রকাশ করেছে পুলিশ।
প্যারিসের পুলিশ জানায়, সন্দেভাজন ব্যক্তিরা হলেন দুই ভাই- সাঈদ কোয়াচি (৩৫) ও শেরিফ কোয়াচি (৩৩)। এদের মধ্যে একজনকে পরিচয়পত্রের মাধ্যমে চিহ্নিত করা হয়, যে পরিচয়পত্রটি তিনি ভুলে গাড়িতে ফেলে গিয়েছিলেন। শেরিফ কৌয়াচিকে ২০০৮ সালে জিহাদি কার্যক্রমে লোক পাঠানোর অভিযোগে তিন বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়।
এদিকে হামিদ মুরাদ (১৮) অপর এক সন্দেহভাজন হামলাকারী বুধবার রাতে উত্তর-পূর্ব প্যারিসের পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন। সংবাদে সন্দেহভাজন তালিকায় নিজের নাম শুনে আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত নেন বলে জানান হামিদ।
বুধবার ফ্রান্সের বিদ্রুপাত্মক সাপ্তাহিক সাময়িকী ‘শার্লি অ্যাবদোর’ কার্যালয়ে ঢুকে গুলি করে ১২ জনকে হত্যা করে অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা। সেখান থেকে গাড়ি নিয়ে পালানোর সময় পুলিশের সঙ্গে অজ্ঞাতদের গোলাগুলির ঘটনাও ঘটে। নিহতদের মধ্যে দুইজন পুলিশ সদস্য ছাড়াও রয়েছেন ম্যাগাজিনটির সম্পাদকসহ নামী ৪ কার্টুনিস্ট। ম্যাগাজিনের বৈঠক  চলার সময় এ হামলায় অন্তত ৪ জন গুরুতর আহত হয়েছে। সূত্র: বিবিসি

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ