ঢাকা, বুধবার 21 November 2018, ৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

সহিংস রাজনীতির কারণে পোলট্রিশিল্পের ২৬৫ কোটি টাকার ক্ষতি

স্টাফ রিপোর্টার: পোলট্রি শিল্পের সাথে জড়িত ৭টি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত বাংলাদেশ পোলট্রিশিল্প সমন্বয় কমিটির (বিপিআইসিসি) নেতারা অভিযোগ করে বলেছেন, গত ১৩ দিনের সহিংস রাজনীতির কারণে পোলট্রিশিল্পের ২৬৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।
আর ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে তারা আর্থিক প্রনোদনা ঘোষনার পাশাপাশি পরিবহন খাতে নিরাপত্তা দিতে সরকারের কাছে দাবী জানান। 
আজ রোববার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতায় পোলট্রিশিল্পের সংকট শীর্ষক এক সাংবাদিক সম্মেলনে এসব দাবী জানান পোলট্রি ব্যবসায়িরা।  এসময় লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সমন্বয়  কমিটির আহ্বায়ক মসিউর রহমান। এ ছাড়া ব্রিডার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি ফজলে রহিম খান ও পোলট্রি ইন্ডাষ্ট্রিজ এসোসিয়েশনের মহাসচিব এম এম খান বক্তব্য দেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, চলমান হরতাল-অবরোধে একদিন বয়সী বাচ্চা, মুরগি ও খাদ্য সরবরাহকারী গাড়ি ভাঙচুরের শিকার হচ্ছে। এসব গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আবার রাস্তায় আটকা পড়ে মারা যাচ্ছে অসংখ্য বাচ্চা। বিক্রি করতে না পেরে সপ্তাহে ২২ লাখ মুরগির বাচ্চা মেরে ফেলতে বাধ্য হচ্ছেন উৎপাদনকারীরা।
তারা বলেন, শিগগিরই অবস্থার পরিবর্তন না হলে পোলট্রিশিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে। আর এটি হলে খাদ্যনিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়বে। বর্তমান রাজনৈতিক সংকটের সমাধান করতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানান তারা।
মসিউর রহমান বলেন,পোলট্রিশিল্পে চাইলেই উৎপাদন বন্ধ রাখা যায় না। কারণ মুরগি ডিম পাড়বেই। খাবারের জোগান দিতেই হবে। আর নির্ধারিত সময়ে মুরগি বিক্রয় যোগ্য  হয়ে উঠবেই।
তিনি বলেন, হরতাল-অবরোধে পরিবহনের অভাবে খামারের উৎপাদিত ডিম ও মুরগি ভোক্তার কাছে পৌঁছানো যাচ্ছে না। ফলে এসবের প্রায় ২৫-৩০ শতাংশই অবিক্রীত থেকে যাচ্ছে। গত ১৪ দিনে প্রায় সাড়ে আট কোটি ডিম, সাত হাজার মেট্রিক টন মুরগির মাংস ও ৯৯ লাখ একদিন বয়সী বাচ্চা বাজারজাত করা সম্ভব হয়নি।


অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ