ঢাকা, বুধবার 26 September 2018, ১১ আশ্বিন ১৪২৫, ১৫ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

কোকোর মরদেহ দাফন হবে বনানী কবরস্থানে

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মরদেহ গুলশানে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আনা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর একটা ৩৫ মিনিটে তার মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি গুলশানে এসে পৌঁছে।

এদিকে বনানী সামরিক কবরস্থানে দাফনের অনুমতি না পাওয়ায় কোকোকে বনানী কবরস্থানে দাফনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। খালেদা জিয়ার প্রেস উইং কর্মকর্তা শামসুদ্দীন দিদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে গুলশান কার্যালয়ে কল্যাণ পার্টির চেয়ারমন্যান ও ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহম্মদ ইবরাহীম (বীরপ্রতীক) সাংবাদিকদের বলেন, সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের স্ত্রী-সন্তানদের সামরিক কবরস্তানে দাফনের নিয়ম চলে আসছে। সেজন্য আমরা অনুমতি চেয়েছিলাম। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে অনুমতি দেয়া হয়নি।

এর আগে কোকোর মরদেহবাহী মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের বিমানটি বাংলাদেশ সময় বেলা পৌনে ১২টার দিকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা সেরে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়। মরদেহ গ্রহণ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, আবদুল্লাহ আল নোমান ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী।

গুলশানে কোকোর মরদেহে শ্রদ্ধা জানাবেন পরিবারের সদস্যরা। বিকেল চারটা নাগাদ তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে। পরে তাকে বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে।

আরাফাত রহমান গত শনিবার মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। পরদিন কুয়ালালামপুরে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

কোকোর মরদেহ দাফন বনানী কবরস্থানে : বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর মরদেহ গুলশানে খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক কার্যালয়ে আনা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর একটা ৩৫ মিনিটে তার মরদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি গুলশানে এসে পৌঁছে।

এদিকে বনানী সামরিক কবরস্থানে দাফনের অনুমতি না পাওয়ায় কোকোকে বনানী কবরস্থানে দাফনের সিদ্ধান্ত হয়েছে। খালেদা জিয়ার প্রেস উইং কর্মকর্তা শামসুদ্দীন দিদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে গুলশান কার্যালয়ে কল্যাণ পার্টির চেয়ারমন্যান ও ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহম্মদ ইবরাহীম (বীরপ্রতীক) সাংবাদিকদের বলেন, সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের স্ত্রী-সন্তানদের সামরিক কবরস্তানে দাফনের নিয়ম চলে আসছে। সেজন্য আমরা অনুমতি চেয়েছিলাম। কিন্তু অজ্ঞাত কারণে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে অনুমতি দেয়া হয়নি।

এর আগে কোকোর মরদেহবাহী মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের বিমানটি বাংলাদেশ সময় বেলা পৌনে ১২টার দিকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা সেরে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। মরদেহ গ্রহণ করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, আবদুল্লাহ আল নোমান ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী।

গুলশানে কোকোর মরদেহে শ্রদ্ধা জানাবেন পরিবারের সদস্যরা। বিকেল চারটা নাগাদ তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে। পরে তাকে বনানী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে।

আরাফাত রহমান গত শনিবার মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। পরদিন কুয়ালালামপুরে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ