ঢাকা, বুধবার 19 December 2018, ৫ পৌষ ১৪২৫, ১১ রবিউস সানি ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

জুয়ার আখড়ায় খালেদ মাহমুদ

জুয়ার আখড়ায় (ক্যাসিনো) যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদের বিরুদ্ধে। বেসরকারি টিভি চ্যানেল মাছরাঙায় ক্যাসিনোতে যাওয়ার কথা স্বীকারও করেছেন খালেদ মাহমুদ।  এর আগে বৃটেন থেকে প্রকাশিত একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল এই খবর দিয়েছিল।

মাছরাঙার সংবাদে জানা যায়, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি মেলবোর্নের একটি ক্যাসিনোতে কয়েকজন প্রবাসীর সঙ্গে দেখা গিয়েছে খালেদকে। টিভি ভিডিওতে দেখা যায়, একটি জুয়ার বোর্ডের সামনে দুজনের সঙ্গে দাঁড়িয়ে জুয়া খেলা দেখছেন তিনি। মাছরাঙা কথা বলেছে দুজন প্রত্যক্ষদর্শীর সঙ্গে। তারা দাবি করেন, বাংলাদেশ দলের ম্যানেজারকে জুয়া খেলতে দেখেছেন।

ওই টিভি চ্যানেলকে খালেদ মাহমুদ বলেছেন, “খেলার পর তো আমরা খেতে যাই। সেখানে গিয়েছিলাম খেতে।”

তিনি দাবি করেন, জুয়া খেলায় অংশ নেননি। এমন ঘটনায় সাধারণত নেতিবাচক প্রভাব পড়ে দলে। খালেদ অবশ্য তা মনে করেন না, ‘আমি তো আর দলে খেলি না। আমার কারণে দলে প্রভাব পড়বে, এমন কিছু নয়। আমার সম্পর্কে খেলোয়াড়দের ভালো ধারণা আছে। মনে করি না, এটা অনেক বড় ইস্যু। আসলে খাওয়ার জায়গার সঙ্গেই ওই ক্যাসিনো।”

কদিন আগেই টিম ম্যানেজমেন্টের অনুমতি ছাড়া রাতে হোটেলের বাইরে যাওয়ার অপরাধে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে বাংলাদেশ দলের পেস বোলার আল আমিন হোসেনকে।

আল আমিনের প্রসঙ্গ তুলতেই টিভি চ্যানেলকে বাংলাদেশ দলের সাবেক এ অধিনায়ক বললেন, “আল আমিন একজন খেলোয়াড়। তার জন্য অবশ্যই নিয়মনীতি রয়েছে। নিয়মনীতি সম্পর্কে আমি ভালোই অবগত আছি। আমার খাওয়ার দরকার ছিল, খেতে গিয়েছি। দলের ম্যানেজার হিসেবে আমাকে কাউকে বলতে হবে, সেটা মনে করি না।”
কাউকে কিছু না বলে টিম হোটেলের বাইরে ছিলেন বলে শাস্তি পেয়েছেন পেসার আল আমিন হোসেন। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগেই শাস্তি পেতে হয়েছে তাকে। কিন্তু দলের ম্যানেজার হলে হয়তো এমন শাস্তি পেতে হতো না আল-আমিনকে! অন্তত চলমান ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজনের কথা শুনলে এমনটাই মনে হতে পারে।
এর আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচের আগে জুয়ার আখড়ায় (ক্যাসিনো) যাওয়ার অভিযোগে পাকিস্তান দলের প্রধান নির্বাচক মঈন খানকে দেশে ফিরিয়ে নিয়েছে পিসিবি।-সূত্র: অনলাইন

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ