ঢাকা, সোমবার 14 October 2019, ২৯ আশ্বিন ১৪২৬, ১৪ সফর ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

স্কুলছাত্র খুনের সাথে পুলিশ, র্যাবের সোর্স এবং ওলামা লীগ নেতা জড়িত

অনলাইন নিউজ ডেস্ক : সিলেটে ৪র্থ শ্রেণির স্কুলছাত্র আবু সাঈদকে মুক্তিপণের জন্য অপহরণ ও পরে হত্যার সাথে পুলিশ সদস্য, র্যাবের সোর্স এবং ওলামা লীগের জেলা সাধারণ সম্পাদক জড়িত বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়া হয়েছে। শীর্ষনিউজ ডট কম।

মুক্তিপণ আদায়ের জন্য প্রথমে অপহরণ ও থানায় জিডি এবং চিনে ফেলায় সাঈদকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গ্রেফতারকৃত পুলিশ কনস্টেবল এবাদুল।

কনস্টেবল এবাদুল বলেন, মুক্তিপণ আদায়ের জন্যই সাঈদকে অপহরণ করা হয়েছিল। অপহরণের পরে সাঈদের বাবার কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়। এ কাজে র্যাবের সোর্স গেদা মিয়া ও জেলা ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিবও জড়িত। অপহরণের পর সাঈদ তাদেরকে চিনে ফেলায় তাকে হত্যা করা হয়।

রোববার দুপুরে সিলেট মহানগর হাকিম আদালদ-১ এর বিচারক শাহেদুল করিমের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ কথা বলেন এবাদুল।

গত বুধবার স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রায়নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র সাঈদকে (৯) অপহরণ করা হয়। অপহরণের পর সাঈদের বাবা ও মামার কাছে ফোন করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। এরপর সাঈদের পরিবার কোতোয়ালি থানায় একটি জিডি করে।

সাঈদের মামা জয়নাল আবেদিন শীর্ষ নিউজকে জানান, অপহরণকারীরা প্রথমে ৫ লাখ টাকা দাবি করে। আমরা এতো টাকা দেয়ার সামর্থ্য নেই বলে জানাই। পরে তারা ২ লাখ টাকা দিতে বলে।

টাকা নিয়ে হযরত শাহজালাল(রহ.) মাজার শরীফে যেতে বলা হয়। আমরা টাকা নিয়ে সেখানে যাই। সেখানে পৌঁছানোর পরে ফোন করে আমাদেরকে বাইশটিলা এলাকায় যেতে বলা হয়। সেখানে যাওয়ার পর তারা আবার ফোন করে বলে, কেন ঘটনাটি পুলিশকে জানিয়েছি। সাঈদকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দিয়ে ফোন রেখে দেয় তারা।’

মোবাইলটি সিলেট মহানগরীর এয়ারপোর্ট থানার কনস্টেবল এবাদুলের বলে জানতে পারে পুলিশ।

শনিবার থানায় জরুরি কাজ আছে বলে কনস্টেবল এবাদুলকে ডেকে আনা হয়। প্রথমে অস্বীকার করলেও ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে এবং সাঈদকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানায়।

এবাদুলের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী শনিবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে তার বাসা থেকে সাঈদের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়। নগরীর কোর্ট এলাকা থেকে র্যাবের সোর্স গেদা মিয়াকে এবং বন্দরবাজার থেকে জেলা ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিবকে আটক করা হয়।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মো. রহমত উল্লাহ বলেন, এবাদুল, গেদা ও আব্দুর রকিব এ তিনজনই অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের হোতা। তারা সব স্বীকারও করেছে।’

আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
ছাত্র খুনের সাথে পুলিশ, র্যাবের সোর্স এবং ওলামা লীগ নেতা জড়িত
সিলেটে ৪র্থ শ্রেণির স্কুলছাত্র আবু সাঈদকে মুক্তিপণের জন্য অপহরণ ও পরে হত্যার সাথে পুলিশ সদস্য, র্যাবের সোর্স এবং ওলামা লীগের জেলা সাধারণ সম্পাদক জড়িত বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়া হয়েছে।

মুক্তিপণ আদায়ের জন্য প্রথমে অপহরণ ও থানায় জিডি এবং চিনে ফেলায় সাঈদকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে গ্রেফতারকৃত পুলিশ কনস্টেবল এবাদুল।

কনস্টেবল এবাদুল বলেন, মুক্তিপণ আদায়ের জন্যই সাঈদকে অপহরণ করা হয়েছিল। অপহরণের পরে সাঈদের বাবার কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করা হয়। এ কাজে র্যাবের সোর্স গেদা মিয়া ও জেলা ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিবও জড়িত। অপহরণের পর সাঈদ তাদেরকে চিনে ফেলায় তাকে হত্যা করা হয়।

রোববার দুপুরে সিলেট মহানগর হাকিম আদালদ-১ এর বিচারক শাহেদুল করিমের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ কথা বলেন এবাদুল।

গত বুধবার স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রায়নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র সাঈদকে (৯) অপহরণ করা হয়। অপহরণের পর সাঈদের বাবা ও মামার কাছে ফোন করে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা। এরপর সাঈদের পরিবার কোতোয়ালি থানায় একটি জিডি করে।

সাঈদের মামা জয়নাল আবেদিন শীর্ষ নিউজকে জানান, অপহরণকারীরা প্রথমে ৫ লাখ টাকা দাবি করে। আমরা এতো টাকা দেয়ার সামর্থ্য নেই বলে জানাই। পরে তারা ২ লাখ টাকা দিতে বলে।

টাকা নিয়ে হযরত শাহজালাল(রহ.) মাজার শরীফে যেতে বলা হয়। আমরা টাকা নিয়ে সেখানে যাই। সেখানে পৌঁছানোর পরে ফোন করে আমাদেরকে বাইশটিলা এলাকায় যেতে বলা হয়। সেখানে যাওয়ার পর তারা আবার ফোন করে বলে, কেন ঘটনাটি পুলিশকে জানিয়েছি। সাঈদকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দিয়ে ফোন রেখে দেয় তারা।’

মোবাইলটি সিলেট মহানগরীর এয়ারপোর্ট থানার কনস্টেবল এবাদুলের বলে জানতে পারে পুলিশ।

শনিবার থানায় জরুরি কাজ আছে বলে কনস্টেবল এবাদুলকে ডেকে আনা হয়। প্রথমে অস্বীকার করলেও ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে এবং সাঈদকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানায়।

এবাদুলের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী শনিবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে তার বাসা থেকে সাঈদের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করা হয়। নগরীর কোর্ট এলাকা থেকে র্যাবের সোর্স গেদা মিয়াকে এবং বন্দরবাজার থেকে জেলা ওলামা লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রকিবকে আটক করা হয়।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার মো. রহমত উল্লাহ বলেন, এবাদুল, গেদা ও আব্দুর রকিব এ তিনজনই অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের হোতা। তারা সব স্বীকারও করেছে।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ