ঢাকা, শুক্রবার 21 September 2018, ৬ আশ্বিন ১৪২৫, ১০ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

মালয়েশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্তে নিহত ৬

অনলাইন ডেস্ক :
মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের মেয়ের বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার সময় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ক্ষমতাসীন দলের এক জ্যেষ্ঠ নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিবসহ ছয়জন নিহত হয়েছেন। রয়টার্স।
শনিবার বিকেলে রাজধানী কুয়ালালামপুরের কাছে হেলিকপ্টার বিধ্বস্তের এ ঘটনা ঘটেছে বলে রোববার জানিয়েছেন দেশটির কর্মকর্তারা। 
মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রিয় বার্তা সংস্থা বেরনামা’কে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিধ্বস্ত হওয়ার আগে মধ্যাকাশে হেলিকপ্টারটিকে বিস্ফোরিত হতে দেখেছেন তারা। 
বিস্ফোরিত হওয়ার পর হেলিকপ্টারটি কুয়ালালামপুরের কাছের সেমেনিয়হ টাউনে বিধ্বস্ত হয় বলে জানিয়েছেন তারা।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, হেলিকপ্টারটি প্রধানমন্ত্রী নাজিবের কন্যার বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেয়া অতিথিদের নিয়ে ফিরছিল।
মালয়েশিয়ার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে ক্ষমতাসীন দলের জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ ও যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত মালয়েশিয়ার সাবেক রাষ্ট্রদূত, আইনপ্রণেতা জামালুদ্দিন জার্জিস এবং প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব আজলিন আলিয়াস রয়েছেন।
শনিবার রাতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী নাজিব, জামালুদ্দিন ও মুখ্য সচিব আজলিন নিহত হওয়ার ঘটনাকে তার জন্য বিরাট বিপর্যয় বলে বর্ণনা করেছেন।
ঘটনার পূর্ণ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকে নিহত জামালুদ্দিন প্রধানমন্ত্রী নাজিবের রাজনৈতিক সহযোগী হিসেবে পাশে ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে অশ্রুসিক্ত নাজিব বলেছেন, “এই শোচনীয় ঘটনায় আমরা দেশের, দলের ও সরকারের জন্য বিরাট অবদান রাখা দুজন ব্যক্তিত্বকে হারিয়েছি।”
জামালুদ্দিন মালয়েশিয়ার ক্ষমতাসীন দল মালয় ন্যাশনাল অর্গানাইজেশনের শীর্ষস্থানীয় নেতা ছিলেন। মালয়েশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক উন্নয়নে জামালুদ্দিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নাজিব।  
নিহত অন্য চারজন হলেন ব্যবসায়ী টান হুয়াত সেয়াং, হেলিকপ্টারের পাইলট, সহ-পাইলট ও জামালুদ্দিনের দেহরক্ষী।
  শনিবার রাতে বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারটির ধ্বংসাবশেষ থেকে নিহত ছয়জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় বলে জানিয়েছেন মালয়েশিয়ার কর্মকর্তারা।
ঘটনার বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে মালয়েশিয়ার বেসামরিক বিমান পরিবহন বিভাগ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ