ঢাকা, শুক্রবার 17 April 2015 ৪ বৈশাখ ১৪২২, ২৭ জমাদিউস সানি ১৪৩৬ হিজরী
Online Edition

কবি গোলাম মোহাম্মদ: সময়কে যিনি ঘোরাতে চেয়েছিলেন

সোলায়মান আহসান : অনেক কবি-লেখক আছেন যারা বেশিদিন লেখার সময় পাননি। এমন অনেক কবি-শিল্পী আছেন যারা স্বল্পায়ু জীবনের স্বাদ নিয়ে সৃষ্টিশীলতার মধ্য দিয়ে বেঁচে আছেন। এদের মধ্যে অনেকে বিশ্বজোড়া খ্যাতিকে আলিঙ্গন করেছেন। যেমন ইংরেজী সাহিত্যে জন কীটস (১৭৯৫-১৮২১) ২৬ বছর, জন বায়রন (১৭৮৮-১৮২৪) ৩৬ বছর, ফ্রাঞ্জ কাফকা (১৮৮৩-১৯২৪) ৪১ বছর। বাংলা সাহিত্যে সুকান্ত ভট্টাচার্য (১৯২৬-১৯৪৭) ২১ বছর, আবুল হাসান (১৯৪৭-১৯৭৫) ২৮ বছর প্রমুখ। সত্তর দশকে খান মোহাম্মদ ফারাবী নামে একজন অসামান্য প্রতিভাবান কবির আবির্ভাব ঘটেছিলÑ যাকে সুকান্তর সঙ্গে তুলনা করা হতো এবং তিনি প্রবন্ধ সাহিত্যেও মৌলিক কিছু বিষয় তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করেছিলেন, যিনি বয়স পান মাত্র ২২ বছর।
আশির দশকের কবি গোলাম মোহাম্মদের জন্ম : ২৩ এপ্রিল ১৯৫৯ এবং মৃত্যু: ২২ আগস্ট, ২০০২। অর্থাৎ তিনি বেঁচে ছিলেন ৪৩ বছর ৩ মাস ১৯ দিন। বলা হয়, তিনি স্বল্পায়ু পেয়েছেন। আপাত দৃষ্টিতে আমাদের দেশের গড় আয়ু হিসেবে তার ৪৩ বছরের জীবনায়ুকে স্বল্প বলা যাবে না। তবে শুরুতে স্বল্পায়ুর কবিদের না উচ্চারণ করেছি তার সঙ্গে সামিল  আছে অন্য জায়গায়। যেমন গোলাম মোহাম্মদ প্রথম কাব্যগ্রন্থ (অদৃশ্যের চিত্র-১৯৯৭) থেকে জীবদ্দশায় পাঁচটি কাব্যগ্রন্থের শেষ ( হে সুদূর হে নৈকট্য) ২০০২ অর্থাৎ মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যে তার কাব্যশক্তির উদ্ভব গীতিকার হিসেবে জনপ্রিয় হয়েছে ঐ স্বল্পকালে। তার গানের সংখ্যাও সহ¯্রাধিক। এছাড়া দু’টি ছড়ার গ্রন্থ ছড়ায় ছড়ায় সুরের মিনার ও ‘নানুর বাড়ি’ রয়েছে। শেষোক্ত ছড়াগ্রন্থটি মৃত্যুর পর ২০১২তে প্রকাশ পায়। তার কাব্যসমগ্র যা বাংলা সাহিত্যের কীর্তি মান কবি ও সাহিত্য গবেষক আব্দুল মান্নান সৈয়দ সম্পাদিত ও বাংলা সাহিত্য পরিষদ কর্তৃক প্রকাশ পায় আগস্ট ২০০৫-এ। এদিক থেকে কবিকে ভাগ্যবান বলত হয় আব্দুল মান্নান সৈয়দ সে সময় সুস্থ শরীরে  ছিলেন না এবং অপেক্ষাকৃত কয়েক দশকের অনুজ অখ্যাত কবির কাব্যসমগ্র সম্পাদনার মতো দুরূহ জটিল এবং কষ্টকর কাজটি অত্যন্ত যতœ ও ভালবাসার তাগিদে তিনি করেছেন।
আগেই গোলাম মোহাম্মদ-এর কাব্য চর্চার সময়কাল খুব দীর্ঘ নয়। অত্যন্ত লাজুক স্বভাবের কবি আত্মপ্রকাশে কুণ্ঠিত থেকে তিনি সবার চোখেই প্রতিভাত হন ১৯৯৬-এর দিকে। তিনি একটি সাপ্তাহিক পত্রিকার সাহিত্য পাতার সঙ্গে যুক্ত হন। তিনি অত্যন্ত যতেœর সঙ্গে পত্রিকার শিশু ও সাহিত্য পাতা দু’টি সম্পাদনা করতেন। এর আগে তার হাত থেকে অযতেœ লিখিত (ট্রেসিং পেপারে) কবিতাগুলো সম্পর্কের দাবিতে চেয়ে প্রবন্ধকার মাঝে মধ্যে ছেপেছে। এসব কবিতা সম্পর্কে তিনি ছিলেন দ্বিধান্বিত এবং সংকোচিত।
বলা যায়, তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অদৃশ্যের চিল’ (১৯৯৭) প্রখাশ হওয়ার মাধ্যমে কাব্যাঙ্গনে পরিপূর্ণ প্রবেশ ঘটে। প্রকাশিত গ্রন্থটি প্রাবন্ধিকের যাতে বিন¤্র তুলে দেবার সময় যে কথাটি কবি উৎকীর্ণ করেছিলেনÑ “কবি সোলায়মান আহসান ভাইকে কবিতার জন্য আমি যার কাছে ঋণী।” এই যে অকপটে কারু ভালবাসার ঋণ স্বীকার করা, এটি কবির মৌলিক বৈশিষ্ট্য, এই বৈশিষ্ট্য বিরল। আজকাল দু’কলম লেখার যোগ্যতা অর্জন করলে নিজেকে ‘নজরুল-রবীন্দ্র’ ভাবতে থাকেন।
এরপর অল্পদিনের ব্যবধানে অনেকটা লোকচক্ষুর অন্তরালে ‘ফিরে চলা এক নদী’ (১৯৯৮), ‘হিজল বনের পাখি’ (১৯৯৯), ‘ঘাসফুল বেদনা’ (২০০০) এবং ‘হে সুদূর হে নৈকট্য (২০০২)সহ একটি ছোটদের জন্য ছড়াগ্রন্থ প্রকাশ পায়। ‘লোকচক্ষুর অন্তরালে ’ এ কারণে বললাম কবির আত্মপ্রকাশ নিয়ে কোনোদিন তেমন হৈ চৈ করেননি। কাউকে বলেননি তার ওপর কথা বলতে, দু’কলম লিখতে কিংবা কোনো অনুষ্ঠান আয়োজন করে নিজের উপস্থিতি জানান দিতে। গোলাম মোহাম্মদ একজন জনপ্রিয় গীতিকার ছিলেন তা-ও আমাদের জানতে খানিকটা দেরি হয়েছে তাঁর লিখিত জনপ্রিয় গানগুলো ঠোঁটে ঠোঁটে গীত হলেও তিনি কখনো কাউকে বলেননি গানগুলো তার। তার গানগুলোর বৈশিষ্ট্য হলোÑলিরিক ধর্মী বাংলার প্রকৃতি বর্ণনা এবং ইসলামী আদর্শ নির্ভর। হয়তো গানের ব্যাকরণ বিচারে সুরের নিয়ম অনুসারে গানগুলো কতোটুকু উত্তীর্ণ হতে পেরেছে তার মাপামাপি এখনো হয়নি। হয়তো সেই একাডেমিক বিশ্লেষণ হতে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে। বাংলা সাহিত্যে যারা ইসলামী আদর্শ ও ঐতিহ্যঘনিষ্ঠ ধারার সৃষ্টিতে সুদূর অতীত থেকে অদ্যাবধি নিষ্ঠার সঙ্গে অবদান রেখে চলেছেন গোলাম মোহাম্মদ আশির দশকের অন্যতম কারিগর হিসেবে সুচিহ্নিত হবেন, আশা করি। এ কবি তার নিজস্ব ধারার গান এবং কবিতার গুণেই মানুষের কাছে, হৃদয়ের মনি কোঠায় পৌঁছে যাবেন অনায়াসে।
কবি গোলাম মোহাম্মদ এ কারণে নন্দিত হবেনÑগৃহীত হবেনÑ
১. তার কবিতায় প্রেম-ভালবাসা, বিশ্বাস -স্বপ্ন প্রতিবাদ ক্ষোভের কথাগুলো বলেছেন সহজ সরল পরিচিত উপমা-উৎপেক্ষার আশ্রয়ে।
২. তার গান যেমন আবেগাশ্রয়ী, ভাষা এবং মানুষের সাধারণ আবেগকে সুন্দরভাবে ধারণ করার অদ্ভুত মুন্সিয়ানা লক্ষণীয়। যথাযথ সুরারোপ ও ভাল শিল্পীর কণ্ঠে তোলা হলে, জননন্দিত হবে।
৩. তার কবিতার ভাষা হিসেবে গ্রহণ কেেছন প্রচলিত এবং কম জটিল শব্দকোষ থেকে যা ছন্দরীতিতে সহজে হৃদয়ে স্থান করে নেয়।
৪. তেমনি দেড় হাজার বছরের কবিতার চড়াই উৎরাই, ছন্দের ধারাকে তিনি কখনো উপেক্ষা করেননি। অত্যন্ত যতœসহকারে ভাবকে ধারণ করেছেন উপযোগী ছন্দ বাছাই করে। তবে ছন্দচর্চার ব্যাপারে কিছুটা উদাসীনতা ছিল।
উল্লেখিত বিষয়গুলো একজন প্রথাসিদ্ধ পরিমাপের কবির লক্ষণের সঙ্গে তুলনীয়। তিনি মনে রেখেছেন-
ÒArt is nevet transfixed, never stagnant. It is a fountain rising and falling under the varying pressure of social conditions. blown into an infinite sequence of forms by the winds of destinys.Ó

(Art in Europe of the end of The Second World War. The Philosophy of Modern Art: Hobart Read.

কবি গোলাম মোহাম্মদের আবির্ভাব অনেকটা ধূমকেতুর মত। কিন্তু আমরা তা টের পাইনি। তার কাব্য সাধনার সময়কাল পেয়েছেন মাত্র পাঁচ বছর। নজরুল পেয়েছিলেন ২৩ বছর। নজরুলের প্রসঙ্গ এ কারণে উত্থাপিত হলো নজরুল অসুস্থ হওয়ায় দীর্ঘজীবন পেয়েও তিনি ছিলেন সৃষ্টিহীন। যদি পুরোজীবন সৃষ্টিশীল থাকতেন, কী বিপুল সৃষ্টিভা-ার নজরুল পৃথিবীকে দান করতেন তা আমরা কল্পনায় ভাবতে পারি না। তেমনি গোলাম মোহাম্মদ মাত্র পাঁচ বছর নানা প্রতিবন্ধকার ভেতর দিয়ে যে সৃষ্টি সম্ভার রেখে গেছেন তাও বিস্ময়কর বটে। সবটাই তিনি করেছেন নজরুলীয় স্টাইলে অবহেলায় অনাদরে সংকোচ মনে।
গোলাম মোহাম্মদের আবির্ভাবকে ধূমকেতুর সঙ্গে তুলনা করায় অনেকে বিস্মিত হবেন। আমি এ জন্য এ উপমা ব্যবহার করিনি তিনি বিপ্লবী ছিলেন। আমি তাকে বিপ্লবী কবি বলব না, তবে তার কবিতা-গানে বিপ্লবকে ধারণ করেছেন।
আব্দুল মান্নান সৈয়দ বলেন, “কবি গোলাম মোহাম্মদ (১৯৫৯-২০০২) এই আশির দশকের কবি দলেরই একজন। মাত্র ৪৩ বছরের আয়ুষ্কালে গোলাম মোহাম্মদ কবিতা লিখেছেন, শিশুতোষ রচনা লিখেছেন, গদ্য লিখেছেন, প্রচ্ছদ অংকন করেছেন, অলংকরণ করেছেন। বিভিন্ন বৃত্তি অবলম্বন করেছিলেন গোলাম মোহাম্মদ, কিন্তু সর্বাবস্থায় শিল্প-সাহিত্যে সংযুক্ত থেকেছেন। স্বনামে শুধু নয়- কয়েকটি ছদ্মনামেও লিখেছেন, প্রচ্ছদ অংকনেও কেবল নিজের নাম ব্যবহার করেননি, নিজস্ব প্রতিষ্ঠান ‘শিল্পকোণ’ কথাটি বসিয়েছেন কখনো কখনো। বিনয়ী সুশান্ত, হাস্যোজ্জ্বল গোলাম মোহাম্মদ কবিতা, গান, গদ্য, রচনায়ও যেন একটি নিভৃত নীড় রচনা করেছিলেন, সমসাময়িক কবিদের থেকেও আলাদা করে চেনা যায়।”
(ভূমিকা : কবি গোলাম মোহাম্মদ রচনাবলী)
আরেক জায়গায় আব্দুল মান্নান সৈয়দ গোলাম মোহাম্মদের শেষ কাব্যগ্রন্থ ‘হে সুদূর হে নৈকট্য’ সম্পর্কে বলেছেন-
‘..... যেন বইটির নামের মধ্যেই বেজে উঠেছে গূঢ় গভীর অন্য এক ব্যঞ্জনা। আত্মবিনাশী কবি-শিল্পী গোলাম মোহাম্মদ এই বই-এ অনেক পাতার আড়ালে পরিপক্ক ফল নিয়ে উপস্থিত। আত্মার যে গভীরতর তল থেকে কবিতা তথা তাবৎ শিল্পের উৎসারণ অদৃশ্যের সেই মৌচাক এই বই-এ বাসা বেঁধে আছে। চমকে উঠেছি এই বই-এ জীবন ও মৃত্যুর স্পাইরাল বুনটের গ্রন্থনায়।’ [হিজল বনের পাখি (কবি গোলাম মোহাম্মদ স্মারক)]
গোলাম মোহাম্মদের মধ্যে খানিকটা জীবনান্দীয় স্বভাব পরিলক্ষিত হয়। ত্রিশের অন্যতম কবি জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯-১৯৫৪) লাজুক স্বভাবের ছিলেন। লোকচক্ষুর আড়ালে অন্ধকার নির্জন স্থান পছন্দ করতেন, মৃত্যু চিন্তাও তাকে তাড়িত করতো বলে জেনেছি। তবে জীবনানন্দ এবং গোলাম মোহাম্মদের চিন্তার দূরত্ব অনেক হবারই কথা। কারণ গোলাম মোহাম্মদ নিষ্ঠাবান ধাতস্থ ঈমানদার মুসলমান ছিলেন, জীবনানন্দ হিন্দু সম্প্রদায়ে জন্ম নিলেও ধর্মে তার মতি ছিল কম। জীবনানন্দ আত্মঘাতী হয়েছিলেন অপরদিকে গোলাম মোহাম্মদ ‘আত্মবিনাশী’ হয়েছিলেন। ‘আত্মবিশ্বাসী’ শব্দটি আব্দুল মান্নান সৈয়দ কী অর্থে ব্যবহার করেছেন তা জানি না, আমার দৃষ্টিতে তা যথার্থ বৈকি। কারণ গোলাম মোহাম্মদ নিজের ওপর অভিমানবশত নিপীড়ন করেছেন। তার অভিমান ছিলো নিজ সমাজ, পরিবেশ গোটা পৃথিবীর প্রতি। কিন্তু সেই অভিমান তিনি ভেতরে পুষে রেখে নিজেকে তিলে তিলে হনন করেছেন। জানতে পারেনি কেউ।
কবির পলায়ন পর মানসিক অবস্থা কবিতার পঙ্ক্তিতে কীভাবে ব্যক্ত হয়েছে আসুন দেখিÑ
(ক) কখনও কখনও মাটির নীচে ভালো আশ্রয় হয়
আমি কি তাহলে অভ্যন্তরেই ঢুকে পড়বো।
(কবিরা/হে সুদূর হে নৈকট্য)
(খ) এখন আমি একা থাকতে পারি
একা একা বসে গুনতে পারি  সময়ের সবগুলো পদশব্দ
মানুষেরা যে আসলেই একা-
একা আসে একা যায়।
(একা/হে . সু. হে. নৈ)
গোলাম মোহাম্মদ শুধুমাত্র পলায়নপর ছিলেন এমনটি বলা যাবে না। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন এমন পরিবেশে বাস করছেন এখানে খুব হৈ চৈ করে নিজের অস্তিত্ব জাহির করলেই আরাধ্য বস্তু লাভ করা যাবে না। বরং লোকেরা বলবে- আত্মপ্রচারে বিমুগ্ধ এক বস্তুবাদী কবি বুঝিবা। তাই তিনি দু’টি কাজ করেছেন অত্যন্ত নীরবে এবং নিষ্ঠার সাথে। এক. নিজের সৃষ্টির মাঝে বিশ্বাসের বীজ ছড়িয়ে দিয়েছেন। দুই. তার বিশ্বাস চিন্তা প্রয়াসকে সুদূর প্রসারী করতে তরুণদের মাঝে নিজেকে বিন্যস্ত করেছেন। যে কারণে গোলাম মোহাম্মদ সদলভাবে আজো আমাদের মাঝে বড় বেশি সচল আছেন। তার কাজের মাধ্যমে গুণমুগ্ধ অনুসারীদের মধ্যে।
গোলাম মোহাম্মদ দেশের রাজনৈতিক গতি প্রবাহ, আন্তর্জাতিক ঘটনা, মানবিক বিপর্যয়, শ্রেণী দ্বন্দ্বÑ সবকিছুর ব্যাপারে কবিসুলভ পর্যবেক্ষণ রাখতেন। তার কবিতায় আমরা এর নিখুঁত প্রকাশ দেখিÑ
(ক) হ্যাঁ, আলীযা। গায়ে চিমটি কেটে দানিয়ুব একদিন দেখবে
বলকান বিশ্বাসের কাছে পরাজিত হয়েছে
কি বিস্ময়কর সবুজ তার পতাকা।
(আলীযা তোমার জন্য অনুভব অদৃশের ঢিল)
(খ) যে তার জাতির জন্য দাঁড়াতে পারে না
সে তো পশুর চেয়েও অধম
কাকেরা কেমন ঝাঁক আর্তস্বরে
কাঁপিয়ে তোলে নগরী
(কাক ও বিক্ষোভ/ফিরে চলা এক নদী)
গোলাম মোহাম্মদ কবিতা গান ইত্যাদির মাধ্যমে চেয়েছেন আমাদের জাতীয় জীবনের এক মহান লক্ষ্যে অপূর্ব জাগৃতি। আমরা যাতে নিজেদের করণীয় উপলব্ধি করতে পারি। বুঝতে পারি কোন কাজটি সবচেয়ে জরুরী। নিজে সেই কাজটি অত্যন্ত নিষ্ঠার সঙ্গে করতেন। উদ্বুদ্ধ করতেন। সহায়তা করতেন কারণ তিনি সময়কে ঘোরাতে চেয়েছিলেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ