ঢাকা, শুক্রবার 21 September 2018, ৬ আশ্বিন ১৪২৫, ১০ মহররম ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস কাল

আগামীকাল রোববার বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস-২০১৫। বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও দিবসটি পালিত হবে।

আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়ন (আইটিইউ)- এর ১৫০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে ‘টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি: উদ্ভাবনের চালিকা শক্তি’।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক, একই মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমেদ, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো: ফয়জুর রহমান চৌধুরী এবং বিটিআরসির চেয়ারম্যান সুনীল কান্তি বোস পৃথক বাণী দিয়েছেন।

দিবসের প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন প্রতিষ্ঠান-বিটিআরসি, বিটিসিএল, টেলিটক, বাকেশী, বাংলাদেশ ডাক অধিদপ্তর, মোবাইল অপারেটরসহ টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে ঢাকায় ১৮ ও ১৯ মে, দু’দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী সোমবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবসের মূল অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করবেন। অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশন সরাসরি সম্প্রচার করবে। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ ডাক অধিদপ্তর একটি স্মারক ডাক টিকিট প্রকাশ করবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্মারক ডাক টিকিট অবমুক্ত করবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি পেশাদার, অপারেটর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইটি শিক্ষকদের অংশগ্রহণে চারটি বিষয়ের উপর সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। ‘কানেকটিভিটি এ্যান্ড ইন্টারনেট’ বিষয়ে রবির এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহেদ আহমেদ, ‘ইনোভেশন ইন আইসিটি এ্যান্ড টেলিকম’ বিষয়ে গ্রামীনফোন রেগুলেটরী এ্যাফেয়ার্সের ডিরেক্টর হোসেন সাদাত, ‘কনটেন্ট এ্যান্ড এপ্লিকেশন’ বিষয়ে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. সৈয়দ আকতার হোসেন এবং ‘টেলিকমিউনিকেশন ড্রাইভার ফর ডেভেলপমেন্ট’ বিষয়ে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. রোকনুজ্জামান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন। উপস্থাপিত নিবন্ধের উপর বিস্তারিত আলোচনা করবেন এ্যামটবের সেক্রেটারী জেনারেল টিআইএম নুরুল কবির।

দিবসটির প্রতিপাদ্যের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র থেকে মহাখালী উত্তরা হয়ে বিআইসিসি পর্যন্ত বর্ণাঢ্য রোড শো ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হবে। দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বেতার-টেলিভিশনে টকশো, প্রামাণ্য অনুষ্ঠানসহ বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার ও কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। এ উপলক্ষে অনলাইন রচনা প্রতিযোগিতা ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও সড়কসমূহে প্রতিপাদ্য বিষয়ের উপর ব্যানার ও ফেস্টুন প্রদর্শন এবং লিফলেট বিতরণসহ এসএমএস এর মাধ্যমে জনগণকে দিবসটি সম্পর্কে অবহিত করা হবে।

দিবসটি উদযাপনের উদ্দেশ হলো ইন্টারনেট, টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়ন ও বিকাশের সঙ্গে জনগণকে পরিচিত করা ও সচেতন করে তোলা। যাতে সমগ্র বিশ্ব অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে পারে।

ব্রডব্যান্ড বা উচ্চ গতি ও মান সম্পন্ন ইন্টারনেট সর্বব্যাপী ও সচল ডেটা আদান-প্রদান করে সুশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিল্প, ব্যবসা-বাণিজ্য, পরিবেশ, খাদ্য, জ্বালানি প্রভৃতি খাতে বৈপ্লবিক উন্নতি ঘটাচ্ছে। মানুষের আয়, কর্মসংস্থান ও জীবনমান উন্নয়নে ব্যাপক প্রভাব ফেলছে। তাই দিবসটির এবারের কর্মসূচী জনগণের মধ্যে তথ্য প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং উন্নয়নের প্রয়োজনীয়তা বিষয়ে আরো সচেতনতা বৃদ্ধি করবে।

১৮৬৫ সালের ১৭ মে আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠা এবং প্রথম আন্তর্জাতিক টেলিগ্রাফ সম্মেলন অনুষ্ঠানের নিদর্শন স্বরূপ ১৯৬৯ সালের ১৭ মে থেকে প্রতি বছর বিশ্ব টেলিযোগাযোগ দিবস পালিত হয়ে আসছে। পরবর্তীতে ২০০৬ সালের নভেম্বরে আইটিইউ সম্মেলনে ১৭ মে বিশ্ব টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য সংঘ দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।-শীর্ষনিউজ ডট কম

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ