ঢাকা, মঙ্গলবার 20 November 2018, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

ইস্ট ওয়েস্টের শিক্ষক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ: আহত ২০

স্টাফ রিপোর্টার: বেসরকারী ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এসময় পুলিশের গুলিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার মাসফিকুর রহমানসহ অন্তত ২০ শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। গুলিবিদ্ধ মাসফিকসহ আরো কয়কজনকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাজধানীর বাড্ডার আফতাবনগর এলাকায় গতকাল বুধবার দুপুর পৌনে দুইটার দিকে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে এ ঘটনার পর কর্তৃপক্ষ বৃহস্পতিবার থেকে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষনা করছে বলে জানা গেছে।
ছ ইস্ট-ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা পওে রামপুরায় সড়ক অবরোধ কওে রাখে। দুপুরে এ ঘটনায় তখন সড়কের উভয় দিকে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন পথচারীরা। এক ঘন্টা পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় বলে জানায় পুলিশ।
ঘটনাস্থনাস্থলে থাকা একজন শিক্ষার্থী জানান, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিউশন ফি’র ওপর থেকে সাড়ে ৭ ভাগ ভ্যাট প্রত্যাহারের দাবিতে দুপুর ১টার দিকে শিক্ষার্থী ও কয়েকজন শিক্ষক বিশ্ববিদ্যালয়ের চত্বরে পূর্ব ঘোষিত অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলেন। কর্মসূচি পালনের অংশ হিসাবে রামপুরা প্রধান সড়কে যাওয়ার সময় পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশ তাদেরকে জমায়েত হতে বাধা দিয় রাস্তা থেকে ক্যাম্পাসে সরে যেতে বলে। শিক্ষার্থীরা সরে যেতে না চাইলে পুলিশ তাদের ঘিরে রাখে। এরপর শিক্ষার্থীরা আফতাবনগর প্রজেক্ট (জহুরুল ইসলাম হাউজিং) থেকে রামপুরা ব্রিজের পূর্ব পাশে অবস্থান নেয়। শিক্ষার্থীরা দাবি করেন,তারা সড়কে গেলেও যানবাহন চলাচলে বাধা দেয়নি বা ভাংচুর করেনি। কিন্তু অতর্কিতে আফতাবনগর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা তাদের বাধা সৃষ্টি করে। কিছুক্ষণ পর সেখানে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য উপস্থিত হয়ে  শিক্ষার্থীদের কর্মসূচিতে বাধা দেয়। ক্যাম্পাস থেকে সামনে এগোনোর চেষ্টা করলে পুলিশ বেধড়ক লাঠিচার্জ করে শিক্ষার্থীদের। একপর্যায় তাদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ সৃষ্টি হলে পুলিশ রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। এতে রেজিস্টার মাসফিকুর রহমানসহ আরো কয়েকজন শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ হয় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা। প্রত্যক্ষদর্শী অপর এক শিক্ষাার্থী জানান, গুলিবিদ্ধ ও লাঠিচার্জে আহত হয়েছে ছাত্রীসহ অন্তত ২০ জন। শিক্ষার্থীরা জানান, তারা এখন পুলিশের হামলা ও গুলিচালানোর বিচার দাবি করেছেন। তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষনা করলেও শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে জমায়েত হয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাবার ঘোষনা দেন তারা।  #

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ