ঢাকা, বৃহস্পতিবার 24 October 2019, ৯ কার্তিক ১৪২৬, ২৪ সফর ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

লন্ডনের প্রথম মুসলিম মেয়র সাদিক খান

 

সংগ্রাম ডেক্স : লন্ডনের প্রথম মুসলিম মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন লেবার পার্টির সাদিক খান। স্কটল্যান্ডে ধরাশায়ীর পর এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে লেবার পার্টি ফের ঘুরে দাঁড়াল। পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত এই নেতা শুধু লন্ডনেরই নয়, ইউরোপের কোনো রাজধানী শহরের প্রথম মুসলিম মেয়র।

সাদিক খান তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী কনজারভেটিভ পার্টির জ্যাক গোল্ডস্মিথের চেয়ে প্রায় ১৩ শতাংশ ভোট বেশি পেয়েছেন।

বিবিসির শনিবারের এক  প্রতিবেদনে বলা হয়, লন্ডনের মেয়র নির্বাচনে সাদিক খানের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন টোরি জ্যাক গোল্ডস্মিথ। সাদিক পেয়েছেন ১৩ লাখ ১০ হাজার ১৪৩ ভোট। আর টোরি জ্যাক পেয়েছেন লাখ ৯৪ হাজার ৬১৪ ভোট।

সাদিক খানের এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে লন্ডনের সিটি হলে কনজারভেটিভ পার্টির আট বছরের নিন্ত্রয়ণ শেষ হলো।

৪৫ বছর বয়সী সাদিক খান লেবার পার্টির সাবেক সংসদ সদস্য মন্ত্রী ছিলেন। তিনি কেন লিভিংস্টোন বরিস জনসনের পর লন্ডনের তৃতীয় মেয়র নির্বাচিত হলেন।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত সাদিক খানের বাবা একজন বাসচালক আর মা দর্জির কাজ করেছেন। তাঁরা আট ভাইবোন। ছোটোকাল থেকেই সাদিক সংগ্রামী। তিনি যেকোনো সংকট উৎরানোর জন্য সব সময় দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আর বিষয়টি তাঁকে লন্ডনের মেয়র হতে সাহায্য করেছে।

নির্বাচনী প্রচারণার সময় কনজারভেটিভ পার্টির তরফ থেকে সাদিক খানের মুসলিম পরিচয়কে সামনে এনে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হয়েছিল।

এমনকি সাদিক খানের সাথে উগ্রপন্থীদের যোগাযোগ আছে বলে প্রচারণা চালায় কনজারভেটিভ পার্টি। কিন্তু নির্বাচনে এর কোনো প্রভাব তৈরি হয়নি।

লন্ডনের একটি বাংলা সাপ্তাহিকের সম্পাদক এমদাদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন খানের জয় বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। বহু সংস্কৃতির শহর হিসেবে লন্ডনের যে পরিচিতি আছে, এই বিজয় সে পরিচয়কে আরো জোরালো করবে বলে তিনি মনে করেন।

সাদিক খানের বিরুদ্ধে তার প্রতিপক্ষরা নেতিবাচক প্রচারণা চালালেও তিনি সেটি করেনি বলে উল্লেখ করেন চৌধুরী। নির্বাচনী প্রচারণায় সাদিক খান তার কর্মসূচী তুলে ধরেছেন।

চৌধুরী বলেন, সাদিক খান ধর্মীয় বিতর্কে না জড়িয়ে তিনি লন্ডনবাসীর জন্য কী করতে চান সেটি তুলে ধরেছেন।

 

 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ