ঢাকা, শনিবার 17 November 2018, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৫, ৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী
Online Edition

সরবরাহ যথেষ্ট থাকলেও খেজুরের বাজার চড়া

অনলাইন ডেস্ক:খেজুর। ইফতারির এক অনিবার্য উপাদান। পবিত্র রমজান মাসে এর চাহিদা বাড়লেও আমদানিও হয় প্রচুর। কিন্তু আমদানি ও সরবরাহ যথেষ্ট থাকলেও খেজুরের দাম বেশ চড়া। আজ সোমবার (০৬ জুন) দেশের বৃহৎ পাইকারি খেজুরের বাজার বাদামতলীতে গিয়ে এই চিত্রই দেখা যায়।

বাজার ঘুরে জানা যায়, আরব আমিরাতের ১০ কেজি প্যাকেটের নাগাল খেজুরের দাম ১১০০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৪০০ টাকা, ইউরোপের ৫ কেজি মরিয়ম খেজুরের দাম ২৪০০-২৫০০ টাকা থেকে বেড়ে ২৮০০-৩০০০ টাকা, ১০ কেজি বরই খেজুরের কার্টন ১২৫০-১৩০০ টাকা থেকে ১৪০০-১৫০০ টাকা, ৬ কেজি প্যাকেটজাত বারারি খেজুর ১৭০০-২০০০ টাকা থেকে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২২০০-২৪০০ টাকা, ৫ কেজি তিউনিশিয়া প্যাকেটজাত খেজুর ১১০০ টাকা থেকে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৪০০-১৫০০ টাকায়।

এছাড়া ফরিদা ৫ কেজি কার্টন ৮৩০ টাকা থেকে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৯০০-১০৫০ টাকা। অন্যদিকে ১০ কেজি কার্টুন সায়ের ৯৫০ টাকা থেকে বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১০৫০-১২৫০ টাকা। ১ কেজি জাহিদি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৮০ টাকা, যা ছিল ৪৫ টাকা। ১০ কেজি কার্টনের রেজিস বিক্রি হচ্ছে ১৪০০-১৫০০ টাকা, যা বিক্রি হতো ১২০০ টাকায়। এক কার্টুন ২৪ প্যাকেট মদিনা খেজুর বিক্রি হচ্ছে ২২০০-২৪০০ টাকা, যা আগে ছিলো ১৯০০-২১০০ টাকা।

সাধারণত রমজানের সময় দেশে ৪০ প্রকার খেজুরের আমদানি করা হয়। কিন্তু সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় ১৫-২০ ধরনের খেজুর। এখন খেজুরের মধ্যে দুবাই থেকে আমদানি করা নাগাল খেজুরের চাহিদা সবচেয়ে বেশি।

ক্রেতাদের অভিযোগ দাম বেশি রাখা হচ্ছে, এমন প্রশ্নে এক দোকানি বলেন, আমাদের কি করার আছে? আমরা যেমন কিনবো তেমন বিক্রি করবো। লস দিয়ে তো আর পণ্য বিক্রি করা যাবে না। আমরা পাইকার থেকে মাল নিয়ে আসি। তবে কিছুদিন পর দাম কমবে বলে মনে করেন তিনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ