ঢাকা, সোমবার 12 September 2016 ২৮ ভাদ্র ১৪২৩, ৯ জিলহজ্ব ১৪৩৭ হিজরী
Online Edition

মঠবাড়িয়ার দুলালের আর ঈদ করতে বাড়ি ফেরা হলো না

মঠবাড়িয়া (পিরোজপুর) সংবাদদাতা : মঠবাড়িয়া উপজেলার ১১নং বড়মাছুয়া ইউনিয়নের উত্তর বড়মাছুয়া গ্রামের নূরুল আমীন আকনের মেঝ ছেলে মোঃ দুলাল(৪৫) টঙ্গী বিসিক শিল্পনগরীতে ট্যাম্পাকো ফয়লস লিমিটেডের পলি প্যাকেজিং কারখানার কর্মচারী ছিল। প্রতিদিনের ন্যায় ১০ সেপ্টেম্বর শনিবার সকাল পৌনে ৬টার দিকে কারখানায় প্রবেশ করে দুলাল। ৬টায় তার ডিউটি। ৬ টার সময় দুলাল যখন ডিউটি শুরু করবে ঠিক তখনই বিকট শব্দে ৫ তলা বিশিষ্ট কারখানা ভবন ভেঙ্গে পড়লে দেয়ালের নিচে চাপা পরে ঘটনাস্থলেই দুলালের মৃত্যু হয়।
হতভাগা দুলাল স্ত্রী, ১ মেয়ে ও ২ ছেলে সন্তান নিয়ে গাজিপুর এলাকায় বসবাস করত। শনিবার ডিউটি শেষ করে রাতের গাড়িতে স্ত্রী ও সন্তানসহ বাড়িতে ঈদ করতে আসার কথা ছিল দুলালের। টঙ্গি ট্রাজেডি দুলালকে বাড়িতে এসে পরিবার পরিজনের সাথে ঈদ করতে দিল না। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ময়না তদন্ত শেষে আজ রোববার স্ত্রী ও সন্তানসহ দুলালের নিথর দেহ বাড়িতে এসেছে। দুপুরে জানাযা শেষে দুলালের লাশ পারিবারিক কবর স্থানে দাফন করা হয়েছে।  আর মাত্র ১ দিন পর পবিত্র ঈদ-উল-আজহা। দুলালের বাড়িতে এখন ঈদের খুশির পরিবর্তে চলছে শোকের মাতম। তার বৃদ্ধ মা-বাবা ও ভাই-বোন বার বার মূর্ছা যাচ্ছেন। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে গেছে গ্রামের বাতাস ।  নিহত দুলালের চাচাত ভাই সাংবাদিক মোঃ সোহেল আমিন জানান, সরকার ও কোম্পানির নিকট থেকে এখন পর্যন্ত কোন আর্থিক সাহায্য পাওয়া যায়নি। উলে¬খ্য, শনিবার ভোরে গাজীপুরের টঙ্গী বিসিক শিল্পনগরীতে ট্যাম্পাকো ফয়লস লিমিটেডের পলিপ্যাকেজিং কারখানায় অগ্নিকা-ে অন্তত ২৫ জন নিহত হয়েছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ