ঢাকা, সোমবার 12 September 2016 ২৮ ভাদ্র ১৪২৩, ৯ জিলহজ্ব ১৪৩৭ হিজরী
Online Edition

খুলনায় কাঁচা মরিচের দাম দ্বিগুণ বৃদ্ধি

খুলনা অফিস : খুলনায় কাঁচা মরিচ দ্বিগুণ দামে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি কাঁচা মরিচে ১৬০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এছাড়া শাকসবজি ও মশলার দামও বেড়েছে। বন্যার কারণে বাজারে কাঁচা পণ্যের দাম বেড়েছে বলে ব্যবসায়ীদের দাবি। বাজার ঘুরে দেখা গেছে চিনি কেজি প্রতি ৬৬-৭০ টাকা, সাদা সেমাই ৩৮-৪০, বাদাম ২শ ২০, দুধ (প্যাকেট) ৩শ ০৬- ৫শ ২০ টাকা এবং বিরিয়ানির চাল ৫০ থেকে ১শ ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
নিউমার্কেটে আসা ক্রেতা জহির উদ্দিন বলেন, আমি এক সপ্তাহ আগে ২৫০ গ্রাম কাঁচামরিচ কিনেছি ১৫ টাকায়। আর গতকাল রোববার কিনতে হচ্ছে ৫০ টাকায় এবং আমড়া কিনেছি ৩০ টাকায়। এখন কিনতে হচ্ছে ৫০ টাকায়।
খুলনা বড়বাজার, নিউমার্কেট এর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি জিরা ৩৬০ থেকে ৩৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া দারুচিনি দুশ পঞ্চাশ, এলাচ ১২শ থেকে ১৫শ, কালো গোলমরিচ ৫শ ৭০, জয়ত্রী ১৪শ, কিশমিশ ২শ ৬০, আলু বোখারা ৫শ ৮০, সাদা গোলমরিচ ১২শ ৮০, কাঠবাদাম ৬শ, হলুদের গুঁড়া ২শ, মরিচের গুঁড়া ২শ ৪০-২শ ৫০, দেশী পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৩২ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ২৮-৩০ টাকায় বিক্রি হলেও প্রকারভেদে দেশী রসুন ১শ ৬০ থেকে ১শ ৮০, লবঙ্গ ৯শ ৮০, ধনিয়া ৮০, গোল মরিচ ৮শ ৪০, শাহ জিরা ৬শ ৮০, লবণ ৩৮-৪০, আদা ১শ ২০-১শ ৪০, কালজিরা ২শ ৮০, চুঁই ঝাল ৪শ পঞ্চাশ-৭শ ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এবং কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ১শ ৬০-২শ টাকায়। খুলনার পাইকারি বাজারে গিয়ে জানা গেছে, গত কয়েক দিনে মশলা জাতীয় পণ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে এলাচ, চুঁই ঝাল, কাঁচা মরিচ ও রসুনের দাম। বড় বাজারস্থ আবুল হোসেন স্টোরের আবুল হোসেন বলেন, প্রতি ঈদের সময় এ রকম দাম বাড়ে। আমাদের করার কিছু থাকে না। আমরা যেরকম দামে কিনতে পারি সেরকমই বিক্রি করি।
অন্যদিকে পাইকারি মশলা ব্যবসায়ী সেসার্স দীপ্ত ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী বলছেন, সব দেশেই মশলার দাম বাড়তি আছে। তাছাড়া বন্যার কারণেও দাম বাড়তি আছে। আমরা সীমিত লাভে বিক্রি করে থাকি।
কুনজুমার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) খুলনার সাধারণ সম্পাদক এম নাজমুল আজম ডেভিড বলেন, বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য উৎপাদক, আমদানিকারক, পাইকারী ও খুচরা ব্যবসায়ীদের মধ্যে সঠিক সমন্বয় থাকতে হবে। এ জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা থাকতে হবে এবং সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে ভোক্তাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ