ঢাকা, সোমবার 12 September 2016 ২৮ ভাদ্র ১৪২৩, ৯ জিলহজ্ব ১৪৩৭ হিজরী
Online Edition

পবিত্র ঈদুল আযহার ছুটিতে স্থবির বেনাপোল বন্দর

বেনাপোল সংবাদদাতা : পবিত্র ঈদুল আযহার (৯ দিন) ছুটির ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে বেনাপোল পেট্রাপোল স্থলবন্দরের কার্যক্রম। আমদানি রফতানি বাণিজ্যে পড়বে বিরূপ প্রভাব। এমনিতেই বেনাপোল বন্দরে পণ্যজট লেগেই থাকে। লম্বা ছুটির কারণে অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠানে কাঁচামালের সঙ্কট দেখা দিতে পারে। সীমান্তের দুই পাশের ট্রাকজট আরও বাড়বে বলে মনে করছেন বন্দর সংশ্লিষ্টরা। ছুটিতে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।
দু’দেশের সিএন্ডএফ এজেন্টস ও বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে ঈদের ছুটি শুরু হয়েছে। শুক্র ও শনিবার (৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর) সাপ্তাহিক ছুটি। রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) সরকারের নির্বাহী আদেশে ও সোম, মঙ্গল ও বুধবার (১২, ১৩ ও ১৪ সেপ্টেম্বর) ঈদের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেনাপোল বন্দর ও শুল্ক বিভাগ খোলা থাকলেও বন্দরের সকল কর্মকা- থাকবে মন্থর। পরের দু’দিন শুক্র ও শনিবার (১৬ ও ১৭ সেপ্টেম্বর) আবার সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় অনেকে ছুটি নিয়ে (১৮ সেপ্টেম্বর) অফিসে আসবেন। এ হিসেবে ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসবে এ বন্দরে।
তবে ১৫ ও ১৭ সেপ্টেম্বর সকাল থেকে দু’দেশের মধ্যে আমদানি-রফতানি কার্যক্রম চলবে। টানা ছুটির কারণে সীমান্তের দু’পাশের বন্দরে ট্রাকজট আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বন্দর ব্যবহারকারীরা।
বেনাপোলের মতোই পেট্রাপোল বন্দরেও ট্রাকজট রয়েছে। বন্দরে স্থান সংকুলান না হওয়ায় বন্দরের ট্রাক টার্মিনাল, পেট্রাপোল পার্কিং ও পেট্রাপোল ও কালীতলা টার্মিনালে কয়েকশ পণ্য বোঝাই ট্রাক অপেক্ষা করছে বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায়। দীর্ঘ ছুটির কারণে এসব পণ্য পেট্রাপোল থেকে বেনাপোল বন্দরে ঢুকবে ছুটি শেষে। এতে পেট্রাপোল বন্দর এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হবে।
বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান, ৮ সেপ্টেম্বর বিকেল থেকে বন্ধ হয়ে গেছে কাস্টম ও বন্দরের কার্যক্রম। ১৫ সেপ্টেম্বর অফিস খোলা থাকলেও তেমন কোনো কাজ হবে না। সরকার ঈদের তিন দিন আগে পরে ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান চলাচল বন্ধ রাখায় বন্দর থেকে কোনো পণ্য খালাসও হবে না।
বেনাপোল স্থলবন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) আব্দুল জলিল জানান, প্রতিদিন পেট্রাপোল বন্দর থেকে রফতানি পণ্য নিয়ে সাড়ে ৩শ থেকে ৪শ ট্রাক আসে বেনাপোল বন্দরে। বেনাপোল দিয়ে ২শ থেকে আড়াইশ ট্রাক পণ্য যায় ভারতে। দেশের ৭৫ ভাগ শিল্প প্রতিষ্ঠানের কাঁচা মালামালের পাশাপাশি বিভিন্ন খাদ্যদ্রব্য আসে এই বন্দর দিয়ে। টানা বন্ধের কারণে বন্দরে পণ্যজট তৈরি হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ