ঢাকা, শুক্রবার 23 September 2016 ৮ আশ্বিন ১৪২৩, 20 জিলহজ্ব ১৪৩৭ হিজরী
Online Edition

শেখ হাসিনা আরো দশ বছর ক্ষমতায় থাকলে দেশ উন্নত রাস্ট্র হবে --- সৈয়দ আশরাফ

স্টাফ রিপোর্টার : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম নির্বাচন কমিশনসহ সকল সাংবিধানি প্রতিষ্ঠানকে বিতর্কমুক্ত রাখতে বিএনপি নেতাদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘অহেতুক সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়ে যদি বিতর্ক করি তাহলে সভ্যতা থাকবে না, আইন থাকবে না, এ দেশে তাহলে গণতন্ত্র থাকবে কি ভাবে?
 গতকাল বৃহস্পতিবার ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের এক যৌথ সভা শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের সভাপতিত্বে ওই যৌথসভায় ক্ষমতাসীন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ও বি এম মোজাম্মেল হকসহ ঢাকা জেলা-মহানগর, নারায়ণগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, গাজীপুরসহ ঢাকার আশপাশের জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
জাতিসঙ্ঘ সাধারণ অধিবেশনে অংশগ্রহণ শেষে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিমানবন্দর থেকে গণভবন পর্যন্ত গণসংবর্ধনা দেয়া হবে। এই গণসংবর্ধনা সফল করতে এ যৌথ সভার আয়োজন করা হয়।
সৈয়দ আশরাফ বলেন, আমরা যদি সকল প্রতিষ্ঠানকেই বিতর্কিত করি তাহলে গণতন্ত্র থাকবে না, আইন থাকবে না। আমরা যদি হাইকোর্টকে বিতর্কিত করি, সুপ্রিম কোর্টকে বিতর্কিত করি, নির্বাচন কমিশনকে বিতর্কিত করি, তাহলে আমরা যাব কোথায়? আমরা যদি সকল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে বিতর্কিত করি তাহলে সভ্যতা থাকবে না।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনকে নিয়োগ দেন রাস্ট্রপতি। তিনি বিষয়টি নিয়ে সবার সঙ্গে আলোচনা করেন। অতএব তিনি যে নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন সেটাই হবে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য। এই ইনস্টিটিউশনকে বিতর্কিত করলে আমাদের মাথা ঠেকানোর জায়গা থাকবে কোথায়? এই প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখি।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে  আরও ১০ বছর দেশ পরিচালিত হলে বাংলাদেশ উন্নত দেশে পরিণত হবে জানিয়ে আশরাফ বলেন, শেখ হাসিনার কারণেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত হচ্ছে বাংলাদেশ। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণেই দেশ বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে।
সৈয়দ আশরাফ বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘ থেকে দুটি পুরস্কার পেয়েছেন। একটি নারীদের অধিকার রক্ষায়, অন্যটি পরিবর্তনের জন্য। প্রধানমন্ত্রী সব সময় নারী-শিশুদের অধিকারের বিষয়ে সোচ্চার থাকেন। আগে বাংলাদেশের মতো দেশগুলোর কোনো মুখপাত্র ছিল না। শেখ হাসিনা এখন এমন দেশগুলোর প্রতিনিধি হিসেবে কথা বলেন। তিনি যা সত্য,  বলেন। তিনি ভয়হীন। প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে কোনো দাবি তুলে ধরলে তা বাতিল হয়ে যায় না। কেননা তিনি যুক্তি দিয়ে দাবি তোলেন। ফলে অন্য দেশগুলো তাতে সমর্থন দেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ