ঢাকা, বুধবার 5 October 2016 ২০ আশ্বিন ১৪২৩, ৩ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

বিজ্ঞান বিচিত্রা

সাইবার হামলার পরবর্তী টার্গেট মহাকাশ!
সাইবার হামলাকারীরা মহাকাশের কক্ষপথ পরিক্রমণকারী উপগ্রহে হামলা করতে পারে। কিংবা ভূপৃষ্ঠের উপগ্রহ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রও তাদের হামলার শিকার হতে পারে বলে চাঞ্চল্যকর এই আশঙ্কা প্রকাশ করেছে লন্ডনের ব্রিটিশ থিংকট্যাংক চ্যাথাম হাউজ। খবরে বলা হয়, ব্রিটিশ থিংকট্যাংক চ্যাথাম হাউজের মতে, গত বছরের সাইবার হামলায় ৩০ কোটি ডিজিটাল তথ্য ফাঁস হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া হামলায় ৯৭ কোটি ৩০ লাখ ডলার সমপরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়। আর সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এই আশঙ্কা করা হচ্ছে। চ্যাথাম হাউজ বলছে, এখনও পর্যন্ত সরকার এবং ব্যবসায়ীরা হ্যাকারদের এই সাইবার হামলা ঠেকানোর কোন কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। সাইবার হামলা চালিয়ে উপগ্রহসহ অন্যান্য মহাকাশ পরিকাঠামো দুষ্ট বা অসৎ উদ্দেশে প্রণোদিত ব্যবহার ঠেকানোর মতো কোন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না বলে মনে করছে চ্যাথাম হাউজ। চ্যাথাম হাউজের নতুন প্রতিবেদনে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলা হয়েছে, মহাকাশ যান বা উপগ্রহে এমন হামলা হলে তার পরিণামে বিপর্যয় দেখা দেবে বিশ্বব্যাপী। এই জাতীয় হামলার মাধ্যমে হ্যাকাররা বাণিজ্যের ক্ষতি করতে পারবে, এমনকি জঙ্গিদের হাতে তুলে দিতে পারবে অস্ত্র।  বিমান চলাচল, যোগাযোগ এবং প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসহ বিশ্বের অনেক গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোকে মহাকাশের যন্ত্রপাতির ওপর একান্তভাবে নির্ভর করতে হয়। অথচ এগুলো অরক্ষণীয় অবস্থায় রয়েছে। সাইবার হামলা ঠেকানোর ক্ষেত্রে অন্যতম বিশাল চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে প্রযুক্তির অবিশ্বাস্য উন্নয়ন। উন্নয়নের এ গতি এতই দ্রুত যে এর সঙ্গে তাল রাখতে যেয়ে হাঁপিয়ে পড়ছেন বিশেষজ্ঞরা। এ ছাড়া, এ জাতীয় হামলা ঠেকানোর পদক্ষেপ সমন্বয়ের কোনো আন্তর্জাতিক সংস্থাও নেই বলেও চ্যাথাম হাউজের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ইন্টারনেট।
যেভাবে ধ্বংস হতে পারে পৃথিবী!
এখনও হাতে সময় আছে। তার আগেই সাবধান হোন। নইলে সামনে সমূহ বিপদ। ধ্বংস হয়ে যেতে পারে পৃথিবী। পৃথিবীর বুক থেকে মুছে যেতে পারে মানবসভ্যতার চিহ্ন। এমনই আশঙ্কার বাণী শোনালেন বিশেষজ্ঞরা।
তাঁরা বলছেন,  যে কোনও সময়ে পৃথিবীর বুকে নেমে আসতে পারে গ্রহাণু। হতে পারে পারমাণবিক সংঘর্ষ। আর তার ফলেই ধ্বংস হতে পারে পৃথিবী। ঠিক যেভাবে ধূমকেতুর সঙ্গে সংঘর্ষে পৃথিবীর বুক থেকে মুছে গিয়েছিল ডায়ানোসর। সে কারণে এখনই এ বিষয়ে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন। দরকার মহাকাশের বিভিন্ন গ্রহাণু ও ধূমকেতুর গতিপ্রকৃতি পর্যবেক্ষণ করা। যাতে এড়ানো যায় সম্ভাব্য বিপদ। নজরে রাখা যায়, বিভিন্ন গ্রহাণুর প্রভাবে পৃথিবীর বুকে জীব ও পরিবেশগত কী কী ভারসাম্যের অভাব ঘটছে তার সবটাই। জিনিউজ।
ফেসবুকে নারীর সংখ্যা কম
এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নারী ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম। সম্প্রতি যুক্তরাজ্যভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান উই আর সোশ্যালের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বর্তমানে নারী ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩৮ শতাংশ। তবে দেশের হিসাবে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানে নারী ফেসবুক ব্যবহারকারী সংখ্যা আরও কম। এ তিনটি দেশে প্রতি চারজন নারীর মধ্যে একজন ফেসবুক ব্যবহার করেন। ভারতে নারী ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২৪ শতাংশ, বাংলাদেশে ২৩ শতাংশ আর পাকিস্তানে ২২ শতাংশ।
অন্যদিকে, সবচেয়ে বেশি নারী ফেসবুক ব্যবহারকারীর দেশ নিউজিল্যান্ড। দেশটিতে ৫৯ শতাংশ নারী ফেসবুক ব্যবহার করেন। অস্ট্রেলিয়া, মঙ্গোলিয়া ও ফিলিপাইনেও অধিক নারী ফেসবুক ব্যবহার করেন। এ অঞ্চলে ২০১৫ সালের মার্চ মাসের পর সামাজিক যোগাযোগের ব্যবহার ৩১ শতাংশ বেড়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ায় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে নারী ব্যবহারকারী কম হওয়ার কারণ নারী ও পুরুষের ইন্টারনেট-বৈষম্য। আইএএনএস।
চীনের দ্বিতীয় মহাকাশ স্টেশন উৎক্ষেপণ
কক্ষপথে দ্বিতীয় পরীক্ষামূলক মহাকাশ স্টেশন স্থাপন করছে চীন। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় ১০ টার পর গোবি মরুভূমি থেকে এটিকে উৎক্ষেপণ করা হয়। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যমের খবরে এ কথা বলা হয়েছে।
তিয়ানগং-২ নামে এ মহাকাশ স্টেশনটি স্থাপন শেষে দুই মাস পর দুইজন নভোচারী সেখানে গিয়ে তাদের গবেষণা কাজ চালাবেন। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের পর চীন হচ্ছে তৃতীয় দেশ যারা পরীক্ষামূলকভাবে এটা স্থাপন করতে যাচ্ছে।
বর্তমানে বেইজিং বিষয়টিকে তাদের জাতীয় অগ্রাধিকার হিসেবে গণ্য করছে। ২০১১ সালে প্রোটোটাইপ ছোট তিয়ানগং -১ চালু করার পর তারা দ্বিতীয় এটি চালু করতে যাচ্ছে। ‘মহাকাশ ল্যাব’ হিসেবে চীন এই মনুষ্যবাহী স্টেশনটি স্থাপন করছে। ২০২০ সাল নাগাদ বেইজিং গোটা বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে এর প্রদক্ষিণ করাতে চাচ্ছে। ‘হেভেনলি প্যালেস ২’ নামে এ মহাকাশ স্টেশনটি প্রায় ১৫ মিটার লম্বা। এর সাথে পরে যুক্ত হবে ‘শেনজু ১১’ মহাকাশযান। এরপর ‘তিয়ানজু-১’ কার্গো শিপ ‘তিয়ানগং ২’-এর সাথে যুক্ত হবে, যা জ্বালানি ও প্রয়োজনীয় জিনিস সরবরাহ করবে। বিবিসি

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ