ঢাকা, মঙ্গলবার 25 October 2016 ১০ কার্তিক ১৪২৩, ২৩ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

মোবাইল চুরির সন্দেহে স্কুল ছাত্রকে নির্যাতন

বাঘা (রাজশাহী) সংবাদদাতা : রাজশাহীর বাঘায় মোবাইল চুরির সন্দেহে ৭ম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রকে দোকানের কাঠের সাথে ঝুলিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে। গতকাল সোমবার সকালে উপজেলার নারায়নপুর বাজারের মনিকা সিনেমা হলের সন্নিকটে প্রকাশ্যে ওই ছাত্রকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়। বাজারের লোকজন ওই ছাত্রকে উদ্ধার করে বাঘা হাসপাতালে ভর্তি করে। খবর পেয়ে বাঘা থানা পুলিশ ঘটনায় জড়িত জিল্লুর নামের এক পুলিশ সদস্যসহ মটর সাইকেল আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উপজেলার চক ছাতারি গ্রামের সাবেক মেম্বর হারান আলীর ছেলে ব্যবসায়ী মফিদুল ইসলাম নারায়নপুর বাজারে মাছের হাটে ঘোরাফেরা করছিলেন। এমন সময় তার ব্যবহৃত মোবাইলটি খোয়া যায়। সেখানে ছিল কয়েকজন যুবক। পরে চক নারায়নপুর গ্রামের মোঃ মিঠু প্রামাণিকের সপ্তম শ্রেণীতে পড়ুয়া ছেলে মনিরুল ইসলাম (১৩)কে মোবাইল চোর সন্দেহ করে মফিদুুলসহ তার সহোদর ভাই সেনা সদস্য জাহাঙ্গীর হোসেন, অপর ভাই, পুলিশ সদস্য হাফিজুর রহমান জিল্লুর ওই ছাত্রকে মটর সাইকেলে তুলে, নারায়নপুর বাজারে মনিকা সিনেমা হলের নিকটবর্তী মোবাইল ও ফ্লেক্সিলোড ব্যবসায়ী আনারুলের দোকানের সামনে নিয়ে যায়। সেখানে দুই পা বেঁধে দোকানের কাঠের সাথে, উপরে পা ঝুলিয়ে শারীরিক নির্যাতন করে। এ দৃশ্য থেকে লুৎফল ও তুর্যসহ বাজারের লোকজন মনিরুলকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। বিক্ষুব্ধ জনতার ধাওয়ায় মটরসাইকেল ফেলে তারা পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মটরসাইকেরসহ পুলিশ সদস্য জিল্লুরকে আটক করে। তবে ঘটনার সাথে জড়িত ছিলেন না বলে দাবি করেছেন জিল্লুর। মনিরুলের মা আবেদা বেগমের দাবি তার ছেলে মোবাইল চুরি করতে পারে না।

বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলী মাহমুদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে মটরসাইকেল ও অভিযান চালিয়ে জিল্লুরকে আটক করেছেন। অন্যরা আত্মগোপন করেছে। এ ঘটনায় ছাত্র মনিরুলের মা বাদি হয়ে থানায় মামলা করেছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ