ঢাকা, শনিবার 29 October 2016 ১৪ কার্তিক ১৪২৩, ২৭ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

শহীদদের রক্তের পথ ধরেই দেশে ন্যায়-ইসনাফের সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে

স্টাফ রিপোর্টার : রাজধানীসহ দেশব্যাপী দোয়া দিবস পালন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের খুনিদের বিচারের দাবিতে এবং সরকারের গুম, খুন, হত্যা, সন্ত্রাসসহ জুলুম-নির্যাতনের প্রতিবাদে দু’দিনের কর্মসূচির শেষ দিনে গতকাল শুক্রবার দোয়া দিবস পালন করা হয়। রাজধানীতে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী সেক্রেটারি নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ড শুধুই নির্মম ও পৈশাচিক ঘটনা নয় বরং এই হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র হত্যা, আধিপত্যবাদী অপশক্তির কালো থাবা বিস্তার ও স্বৈরতন্ত্র এবং ফ্যাসিতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করা হয়েছে। এই হত্যাকাণ্ড বিশ্বদরবারে আমাদেরকে বর্বর জাতি হিসাবে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে। কিন্তু শহীদানের রক্ত কখনো বৃথা যায়নি, আর কখনো যাবেও না বরং শহীদদের রক্তের পথ ধরেই দেশে ন্যায়-ইসনাফের সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে। তিনি ২৮ অক্টোবর নিহতদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। আহত-পঙ্গুত্ব বরণকারী ও শহীদের পরিবার পরিজনের প্রতি সমবেদনা এবং শহীদের শাহাদাত কবুলিয়াতের জন্য মহান আল্লাহ তায়ালার দরবারে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন।

রাজধানীর এক মিলনায়তনে কেন্দ্র ঘোষিত ‘দোয়া দিবস’ কর্মসূচির অংশ হিসাবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা ও মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুস সবুর ফকিরের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য মোহাম্মদ ফরিদ হোসাইন ও মহানগরীর কর্মপরিষদ সদস্য ড. এডভোকেট হেলাল উদ্দীন। উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী মজলিসে শূরা সদস্য খন্দকার আবু ফতেহ ও মাওলানা মীর আমিরুল ইসলাম, জামায়াত নেতা আব্দুল করিম, আবুল হাসেম, কামাল উদ্দীন আনসারী ও মাওলানা কামাল হোসাইন প্রমুখ। 

নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, সরকার নিজেদের অবৈধ ক্ষমতাকে দীর্ঘায়িত করতেই গোটা দেশেই ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। গুম, খুন, ধর্ষণ, সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, অপহরণ ও গুপ্তহত্যা লাগামহীনভাবে বেড়েই চলেছে। মানুষের স্বাভাবিক মৃত্যুর কোন গ্যারান্টি নেই। জাতিকে নেতৃত্ব ও মেধাশূণ্য করতেই তরুণ ও মেধাবীদের বিশেষভাবে টার্গেট করে কথিত ক্রস ফায়ারের নামে নির্বিচারে হত্যা করা হচ্ছে। যার সূচনা হয়েছিল ২৮ অক্টোবরের নারকীয় হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে। এই বর্বর হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে একদিকে দেশ ও জাতিকে কলঙ্কিত করা হয়েছে, অন্যদিকে গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের কবর রচনা করা হয়েছিল। মূলত লগি-বৈঠার তাণ্ডবের মাধ্যমে যারা এই হত্যাকান্ডের প্রাকাশ্য নির্দেশ দিয়েছিলেন তাদের পরিচয় কারো অজানা নয়। তাই এই অপশক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াস চালাতে হবে। 

তিনি বলেন, দেশে ফ্যাসিবাদ, স্বৈরতন্ত্র ও আধিপত্যবদী অপশক্তির সম্মিলিত পদচারণা চলছে। এই অপশক্তির ষড়যন্ত্রেই পিলখানা ট্রাজেডির মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে ধ্বংস ও দেশের সীমান্তকে অরক্ষিত করা হয়েছে। শাসক দলের হাতে আজ গণতন্ত্র ও দেশ নিরাপদ নয় । এহেন অবস্থায় ২৮ অক্টোবর, পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শোকাহত হলেই চলবে না বরং শোককে শক্তিকে পরিণত করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে জাতিকে জাগ্রত করে লড়াই-সংগ্রাম অব্যাহত রাখতে হবে। ২৮ অক্টোবরের খুনিদের বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে ন্যায়-ইনসাফের ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠার কোন বিকল্প নেই। 

তিনি আরও বলেন, দেশকে নেতৃত্ব ও মেধাশূন্য করে করদরাজ্য বানানোর জন্যই বিশ্বখ্যাত আলেমে দ্বীন, সাবেক সফল মন্ত্রী ও আমীরে জামায়াত মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামান ও আব্দুল কাদের মোল্লা এবং কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মীর কাসেম আলীকে কথিত বিচারের নামে প্রহসন করে নির্মম ও নিষ্ঠুরভাবে শহীদ করা হয়েছে। একইভাবে অপরাপর শীর্ষ নেতৃবৃন্দকেও একইভাবে হত্যার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। মূলত এসব ২৮ অক্টোবরের দেশ ও জাতিস্বত্ত্বাবিরোধী ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা। তাই এই ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় জনগণকে সজাগ ও সচেতন করার কোন বিকল্প নেই। তিনি গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে ২৮ অক্টোবরের শহীদসহ সকল শহীদের রক্তের বদলা নেয়া হবে বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। 

মোহাম্মদ ফরিদ হোসাইন বলেন, ২৮ অক্টোবরের হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে বিশ্ববাসী গণতন্ত্রের কথিত ধ্বজাধারীদের নারকীয় তাণ্ডব প্রত্যক্ষ করেছে। এই নারকীয় হত্যাকাণ্ডের কোন বিচার তো হয়ইনি বরং এ বিষয়ে কোন মামলাও নেই। এমননি এসব খুনিদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা দেয়া হয়েছে। 

ড. এডভোকেট হেলাল উদ্দীন বলেন, ২৮ অক্টোবরের হত্যাযজ্ঞ বিশ্ব ইতিহাসের সকল নির্মমতাকে হার মানিয়েছে। তাই এসব খুনিদের ঐক্যবদ্ধ গণপ্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

শাহজাহানপুর থানা: শাহজাহানপুর থানার উদ্যোগে দোয়া অনুষ্ঠান দুপুর ২টায় থানা আমীর মো: শামছুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উপস্থিত ছিলেন থানা নায়েবে আমীর মো: গিয়াস উদ্দিন, থানা সেক্রেটারি মো: সাইদুর রহমান, মো: সরোয়ার হোসেন, নাহিদ জামাল, ইঞ্জিনিয়ার আবুল বাশার ও ইব্রাহিম খলিল মহসিন প্রমুখ।

কুমিল্লা অফিস : ঐতিহাসিক ২৮ শে অক্টোবর শহীদদের স্মরণে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মাওলানা আবদুল হালিম।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন নব নির্বাচিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগরী নায়েবে আমীর মাস্টার আমিনুল হক, নগর সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক এ কে এম এমদাদুল হক মামুন,মাওলানা মাহবুবর রহমানসহ আরো অনেকে।

টাঙ্গাইল : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী টাংগাইল শহর ও সদর উপজেলা কর্তৃক আয়োজিত ২৮ অক্টোবর লগি বৈঠা সন্ত্রাসে নির্মম হত্যাসহ সরকারের সকল হত্যাকাণ্ডে শহীদদের মাগফেরাত কামনায় এক দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। শহর আমীর অধ্যাপক মিজানুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি অধ্যাপক মনিরুজ্জামানের পরিচালনায় এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দোয়া পরিচালনা করেন টাংগাইল জেলা আমীর আহসান হাবিব মাসুদ। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা পূর্ব জামায়াতের আমীর মো শহীদুল ইসলাম,পশ্চিম আমীর মো আলমগীর হোসাইন প্রমুখ। বিজ্ঞপ্তি।

গাজীপুর সংবাদদাতা : ২৮ অক্টোবর শহীদদের স্মরণে এবং সরকারের অব্যাহত যুলুম নির্যাতন গুম, খুনের শিকার ভাইদের রুহের মাগফিরাত কামনায় জয়দেবপুর থানা উত্তরের উদ্দোগে শুক্রবার দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাও: আবু তাহের এর পরিচালনায় উক্ত দোয়া মাহফিলে প্রধান মেহমান ছিলেন থানা আমীর মোঃ ছাদেকুজ্জামান খান আরো উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আব্দুস সামাদ, মোশারফ হোসেন প্রমুখ, থানা আমীর বলেন সরকার জামায়াতের সকল নেতাদের হত্যা করলেও ইসলামী আন্দোলনকে বন্ধ করতে পারবে না। তিনি জামায়াতের সকল স্তরের জনশক্তিকে ধৈর্য ধারন করে বাংলাদেশের প্রতিটি ঘরে ইসলাম এবং ইসলামী আন্দোলনের এই দাওয়াত পৌছে দেয়ার আহবান জানান।

রংপুর : লগি-বৈঠার তাণ্ডবে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের দরবারে শাহাদাত কবল ও খুনিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে রংপুর মহানগর জামায়াতের সকল সাংগঠনিক থানায় পৃথক পৃথক দোয়া মাহফিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

ফেনী সংবাদদাতা : ফেনীতে গতকাল শুক্রবার সকালে দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৮ অক্টোবর রাজধানীতে লগি-বৈঠার তান্ডবে নিহতদের স্মরণে ফেনী শহর জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে শহরের একটি অডিটোরিয়ামে দোয়া ও আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন শহর জামায়াতে ইসলামীর আমীর মুফতি মাওলানা আবদুল হান্নান। শহর সেক্রেটারি মোহাম্মদ ইলিয়াসের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন শহর নায়েবে আমীর মাওলানা আবদুল ওহাব ভূঞা, শহর সহকারী সেক্রেটারি অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, শিবির শহর সেক্রেটারি আবু তৈয়ব, শিবির নেতা সুলতান মাহমুদ টিপু প্রমুখ। আলোচসা সভা শেষে দোয়া মুনাজাত করেন শহর আমীর মুফতি মাওলানা আবদুল হান্নান। দোয়া মাহফিলে জামায়াত-শিবিরের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা : রক্তাক্ত ২৮ অক্টোবর উপলক্ষে গতকাল শুক্রবার,বেলকুচি উপজেলা জামায়াতের উদ্দ্যোগে এক আলোচনা সভা ও দো’আ মাহফিল উপজেলা অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সিরাজগঞ্জ জেলা কর্মপরিষদ সদস্য ও উপজেলা আমীর অধ্যাপক নূর-উন-নবী সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন,উপজেলা নায়েবে আমীর অধ্যাপক গোলাম আযম, সহকারী সেক্রেটারিদ্বয় মাওলানা ইয়াছিন আহমেদ বাবু, ধুকুরিয়াবেড়া ইউপি চেয়ারম্যান মাওলানা মাহবুবুর রশিদ শামীম, মাওলানা ছানোয়ার হোসাইন, সাইদুল ইসলাম, হাফেজ মাওলানা খা’লিদ সাইফুল্লাহ্ মানিক, মাওলানা আমিরুল ইসলাম ও উপজেলা শিবির সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক।

উল্লেখ্য, বেলকুচি উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও মসজিদে মসজিওে জুম্মাহ’র নামাজ শেষে অনুরূপ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়

কামারখন্দ : গতকাল শুক্রবার, কামারখন্দ উপজেলা জামায়াতের উদ্যোগে এক আলোচনা সভা ও দো’আ মাহফিল অস্থায়ী কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা আমীর মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন,সিরাজগঞ্জ জেলা কর্মপরিষদ সদস্য, বেলকুচি উপজেলা সেক্রেটারি, উপজেলা পরিষদের ভাইস্ চেয়ারম্যান আরিফুল ইসলাম সোহেল। দোয়া মাহফিলে অন্যান্যোর মাঝে আরো বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সেক্রেটারি মাওলানা মো. ইউসুফ আলী, মনিরুল ইসলাম, মোঃ আব্দুল বারী ও ছাত্রনেতা কামরুল হাসান প্রমুখ ।

চৌহালী (সিরাজগঞ্জ) সংবাদদাতা : সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানা জামায়াতের উদ্যোগে দোয়া দিবস ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার দুপুরে অস্থায়ী কার্যালয়ে থানা আমির ডা. সেলিম রেজার সভাপতিত্বে এসময় বক্তব্য রাখেন থানা সেক্রেটারি ডা. মোফাজ্জল হোসেন, ইউসুফ আলী ও যোবায়ের হোসেন প্রমুখ। পরে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরে ঢাকায় আওয়ামী সন্ত্রাসীদের নারকীয় হত্যাকাণ্ডে শহীদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

সোনাগাজী (ফেনী) সংবাদদাতা : শহীদের রক্ত বৃথা যাবে না,খুনিরা কোনদিন ক্ষমা পাবে না। শহীদদের রক্ত ইসলামী আন্দোলনকে অনেক বেগবান করেছে। অক্টোবর আওয়ামী অপশক্তি বাংলার জমিন থেকে ইসলামী আন্দোলনকে নস্যাত করে দিতে সেদিন এক ভয়াবহ নারকীয় তাণ্ডব চালিয়েছিল। কিন্তু তাদের সে স্বপ্ন বুমেরাং হয়েগেছে। কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সোনাগাজী উপজেলার ও সোনাগাজী পৌরসভার সকল ওয়ার্ডে গতকাল পল্টনের শাহাদাতের ঘটনায় দোয়া দিবস পালিত হয়েছে। দোয়া দিবসগুলোতে বক্তৃতায় জামায়াতের নেতৃবৃন্দ উপরোক্ত বক্তব্যগুলো রাখেন। সোনাগাজী পৌরসভা জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ মোহসিন ভূঞার পরিচালনায় দোয়া দিবসে সোনাগাজী আল-হেলাল মসজিদে দোয়া পূর্ব সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা মোহাম্মদ মোস্তফা, পৌর জামায়াতের আমীর মাওলানা মো. কালিম উল্যাহ প্রমুখ।

রাজশাহী অফিস : জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর আমির প্রফেসর এম আবুল হাশেম বলেছেন, আওয়ামী জোট অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর লগি-বৈঠা দিয়ে জামায়াত শিবিরে নেতা-কর্মীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। সেদিন তারা প্রকাশ্য দিবালোকে ৮ জনকে শহীদ ও শত শত নেতা কর্মীদের আহত করেছিল- যা ইতিহাসে বিরল। আওয়ামী জোটের এ নির্মম রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ইতিহাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের জন্য আওয়ামী জোটকে একদিন আল্লাহর আদালতে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। 

গতকাল শুক্রবার জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্র ঘোষিত দু’দিনের কর্মসূচির ২য় দিনে অক্টোবর শহীদদের স্মরণে রাজশাহীতে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। জামায়াতের রাজশাহী মহানগরীর আয়োজিত দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তেব্য দেন প্রফেসর এম আবুল হাশেম। এতে উপস্থিত ছিলেন মহানগর নেতৃবৃন্দ। এছাড়া মহানগরীর বোয়ালিয়া, রাজপাড়া, শাহমখদুম, মতিহার, পবা থানা, কাটাখালি পৌরসভা, নওহাটা পৌরসভাসহ নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড ও ইউনিয়নে শহীদদের মাগফিরাত ও শাহাদাত কবুলিয়াতের জন্য দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

চারঘাটে আলোচনা 

চারঘাট সংবাদদাতা জানান, পল্টন হত্যাকাণ্ডের শহীদদের স্মরণে রাজশাহী জামায়াতের চারঘাট উপজেলা শাখার উদ্যোগে গতকাল শুক্রবার বিকেলে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা আমীর অধ্যাপক মুহা. কামারুজ্জামান। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা সেক্রেটারি শেরে আলম, পৌর আমীর নকিব উদ্দিন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন উপজেল সভাপতি শফিকুল ইসলাম, চারঘাট ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম, ছাত্রশিবির চারঘাট থানা সভাপতি মুহা. ইব্রাহিম প্রমুখ। সভা শেষে ২৮ অক্টোবরে শহীদদের জন্য ও সারা দেশে হত্যা, গুম, খুনসহ সরকারের সকল প্রকার জুলুম-নির্যাতন থেকে পরিত্রাণ কামনায় দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন চারঘাট উপজেলা জামায়াতের আমীর অধ্যাপক মুহা. কামারুজ্জামান।

চট্টগ্রাম : জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও বিশিষ্ট আলেমে দ্বীন এবং বর্ষিয়ান জননেতা মাওলানা মুমিনুল হক চৌধুরী বলেছেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কলংকজনক অধ্যায়। এদিন বিশ্বের বুকে লেপন করা হয় মানবতার বিরুদ্ধে এক নির্মম পাশবিকতা। আওয়ামী লীগের লগি-বৈঠার তান্ডবে পল্টনে জামায়াত-শিবিরের ৮জন নেতা ও কর্মীকে হত্যা করে। আজও সেই হত্যাকান্ডের বিচার আজও হয়নি। বিচারের বাণী নিরবে নিভৃতে কাঁদছে। সেই হত্যাকান্ডের বিচার একদিন এদেশে অবশ্যই হবে। জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতা ও কর্মীদের শাহাদাতের বদলায় এদেশে ইসলামের বিজয় সুনিশ্চিত হবে ইনশা-আল্লাহ্।

চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাম্মদ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, নগর মজলিশে শূরার সদস্য ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুছ ও এম.এ.আলম। মাহফিল শেষে মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা মুমিনুল হক চৌধুরী।

কোতোয়ালী দক্ষিণ থানা আয়োজিত দোয়া মাহফিল থানা জামায়াতের আমীর ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুছের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন, নগর জামায়াতের এসিসটেন্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন।

হালিশহর থানার দোয়া মাহফিল থানা জামায়াত নেতা আবু গালিবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, নগর জামায়াতের এসিসটেন্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা খাইরুল বাশার ও স্থানীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।

পতেঙ্গা থানা আয়োজিত দোয়া মাহফিল থানা জামায়াত নেতা মাওলানা এম. এ. মোতালেবের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, নগর জামায়াতের প্রচার সম্পাদক মুহাম্মদ উল্লাহ ও স্থানীয় অন্যান্য নেতৃবৃন্দ প্রমুখ।

বাকলিয়া থানার দোয়া মাহফিল থানা জামায়াত নেতা এম.এ.আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন, মুহাম্মদ ইসমাঈল ও মঈনুদ্দিন চৌধুরী প্রমুখ।

চকবাজার থানা আয়োজিত দোয়া মাহফিল থানা জামায়াতের আমীর মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন, থানা সেক্রেটারি আহমদ খালেদুল আনোয়ার, একরামুল হক, ছাত্রনেতা সাইদুর রশিদ প্রমুখ।

পাহাড়তলী থানার দোয়া মাহফিল থানা জামায়াতের আমীর মুহাম্মদ নাছির উদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন, জামায়াত নেতা জহিরুল ইসলাম.এম.এ গফুর প্রমুখ।

আকবরশাহ থানার দোয়া মাহফিল থানা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ এম.এ.হান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন, জামায়াত নেতা এম. রেজাউল করিম প্রমুখ।

ই.পি.জেড থানা আয়োজিত দোয়া মাহফিল থানা জামায়াত নেতা মাওলানা হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন, জামায়াত নেতা জে.আলম ও কামাল হোসেন মাস্টার প্রমুখ।

চান্দগাঁও থানার দোয়া মাহফিল থানা জামায়াত নেতা আবু ফয়েজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন, আবু তাহসিন, এম.এ.রফিক প্রমুখ।

পাঁচলাইশ থানার দোয়া মাহফিল থানা জামায়াত আমীর অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন, জামায়াত নেতা এম.সোলায়মান ও মাহবুবুল হাসান প্রমুখ।

ডবলমুরিং থানার দোয়া মাহফিল থানা জামায়াত নেতা আফ.কে.আজমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মোহাম্মদ লোকমান, মোহাম্মদ আলম ও মুহাম্মদ আমিন প্রমুখ।

ডবলমুরিং থানার দোয়া মাহফিল থানা জামায়াত নেতা আফ. কে. আজমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মোহাম্মদ লোকমান, মোহাম্মদ আলম ও মুহাম্মদ আমিন প্রমুখ।

বন্দর থানা আয়োজিত দোয়া মাহফিল থানা জামায়াত নেতা মাহমুদুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জামায়াত নেতা এম উল্লাহ ও মুহাম্মদ ইসহাক প্রমুখ।

কোতোয়ালী উত্তর থানার দোয়া মাহফিল থানা জামায়াত নেতা মুহাম্মদ আবুল কাসেমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, জামায়াত নেতা আমির হোসাইন, মুহাম্মদ জাহের ও এডভোকেট এহতেশামুল হক প্রমুখ।

বায়েজিদ থানার দোয়া মাহফিল থানা জামায়াত নেতা এম.জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মাওলানা মুহাম্মদ ইসমাঈল ও এম.এন.আলম প্রমুখ।

খুলশী থানার দোয়া মাহফিল থানা জামায়াত নেতা এম.এ.কাদেরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দোয়া মাহফিলে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, একরামুল হক, মুহাম্মদ আলমগীর ভূঁইয়া ও এম. এ. শাহীন প্রমুখ। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

বরিশাল অফিস : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী বরিশাল মহানগরীর উদ্যোগে কেন্দ্র ঘোষিত দোয়া অনুষ্ঠান পালিত হয়েছে। অক্টোবরের নারকিয় ঘটনার স্মরণে এবং শহিদদের রূহের মাগফিরাত কামনা করে এই দোয়ার অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বরিশাল মহানগর জামায়াতের প্রতিটি থানা এবং জেলার সর্বত্র এই দোয়া দিবস পালিত হয়েছে। 

নগর নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খসরুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত দোয়া অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সেক্রেটারি অধ্যাপক হারুন-অর রশিদ বিশেষ অতিথি ছিলেন নগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা মতিউর রহমান।

দোয়া অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ২০০৬ সালে জোট সরকারের শেষ দিনে ঢাকার পল্টনে জামায়াতের আয়োজিত সমাবেশে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা করে। ২৮ অক্টোবর আওয়ামী সন্ত্রাসী ও খুনিরা আন্দোলনের নামে প্রকাশ্যে দিবালোকে লগি বৈঠা দিয়ে ৮ জনকে পিটিয়ে হত্য করে। নরপিচাশরা আমাদের নেতাকর্মীদের হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি বরং তারা মৃত লাশের উপর উঠে নৃত্য করেছে। কোন বিবেকবান মানুষ সেদিনের তান্ডব দেখে নিজেকে স্থির রাখতে পারেনি। সেদিন বিশ্ব বিবেক এই বাকশালী, সন্ত্রাসী ও খুনিদেও নৃশংসতা দেখে ধিক্কার জানিয়েছে। 

তারা আরো বলেন, সেদিনের ঘটনায় শাহাদাত বরণকারী নেতাকর্মীদের পরিবারের দায়ের করা মামলার কোন বিচার হয়নি। বর্তমান খুনি সরকার বিচারের নামে তামাশা করে খুনিদের বিচারের পরিবর্তে পুরস্কৃত করে তাদের পুনর্বাসন করেছে। বাংলাদেশের মানুষ একদিন এই খুনি চক্রের বিচার করবে সেদিন বেশী দূরে নয়। এসময় তারা শাহাদাত বরণকারী সকলের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং তাদের রুহের মাগফিরাতে কামনা করে দোয়া করেন। এদিকে শহিদদের স্মরণে বরিশাল নগরীর প্রতিটি থানা এবং ওয়ার্ডে দোয়ার আয়েজন করা হয়।

খুলনা অফিস : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, আজ ২৮ অক্টোবর দেশের জাতীয় ইতিহাসের একটি কলঙ্কিত দিন। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের সন্ত্রাসীরা হাইকমান্ডের নির্দেশে লগি-বৈঠার সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালিয়ে সেদিন পল্টনে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের ৮ জনসহ ১৪ জন নেতা-কর্মীকে নির্মমভাবে হত্যা করে। আহত করে সহস্রাধিক নেতা-কর্মীকে। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটের সন্ত্রাসীরা পল্টনে লগি-বৈঠা দিয়ে পিটিয়ে নৃশংসভাবে তাদের হত্যা করেই ক্ষান্ত হয়নি তারা নিহতদের লাশের উপর উঠে উল্লাস-নৃত্য করেছিল। সেই লোমহর্ষক ও বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ড দেশ ও সারা বিশ্বের মানুষ বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে বিস্ময়ের সাথে অবলোকন করেছে। ঐ দিন ১৪ দলসহ আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা যে বর্বরতা সংঘটিত করেছে তা মানবসভ্যতার এ যুগে কল্পনাও করা যায় না। তিনি এ ঘটনার নিন্দা জানান। তিনি অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে সেদিনের শহীদদের স্মরণ করেন এবং তাদের শাহাদাত কবুল করার জন্য আল্লাহর দরবারে দোয়া করেন এবং তাদের পরিবার-পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

২৮ অক্টোবরের নৃশংস ও জঘন্য হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ, খুনিদের শাস্তির দাবিতে গতকাল জুমাবার খুলনা মহানগরী জামায়াতের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার সদস্য ও খুলনা মহানগরী নায়েবে আমীর মাস্টার শফিকুল আলম ও সেক্রেটারি অধ্যাপক মাহফুজুর রহমানসহ নেতৃবৃন্দ।

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও সিলেট মহানগর আমীর এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেছেন ২০০৬ সালের ২৮শে অক্টোবর প্রকাশ্য দিবালোকে রাজপথে লগি-বৈঠা দিয়ে নিরীহ জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীদের নৃশংসভাবে হত্যার বর্বরতা জাহেলিয়াতকেও হার মানিয়েছিল।

তিনি গতকাল শুক্রবার জামায়াত কেন্দ্র আহূত দেশব্যাপী দোয়া দিবস কর্মসূচির অংশ হিসেবে ভয়াল ও নৃশংস ২৮শে অক্টোবরের নৃশংস লগি-বৈঠার তাণ্ডবে শাহাদাতবরণকারীদের রূহের মাগফেরাত কামনায় সিলেট নগর জামায়াত আয়োজিত দোয়া মাহফিল-পূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনায় সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। সিলেট মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা সোহেল আহমদের পরিচালনায় বাদ আসর অনুষ্ঠিত মাহফিলে অবৈধ সরকারের নির্মমতায় শাহাদাতবরণকারীদের রূহের মাগফেরাত, দেশ-জাতির মঙ্গল কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

মাহফিলে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন মহানগর সহকারী সেক্রেটারি মো: শাহজাহান আলী, জামায়াত নেতা মুফতি আলী হায়দার, মাওলানা আব্দুল মুকিত, মাওলানা আব্দুস শহীদ, হাফিজ মশাহিদ আহমদ ও ইসলামী ছাত্রশিবির মহানগর সভাপতি মাসুক আহমদ প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ