ঢাকা, শনিবার 29 October 2016 ১৪ কার্তিক ১৪২৩, ২৭ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

জেলা পর্যায়ে মনোবিজ্ঞানী নিয়োগ করা হবে -স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার : স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, মানসিক অস্থিরতার জন্য মানসিক অসুস্থতাকেই দায়ী করেছেন। ক্ষেত্রবিশেষে তারুণ্যের বিভ্রান্তির পাশাপাশি মাদকের অবাধ ব্যবহার বিপথগামিতার জন্য দায়ী। এর একমাত্র সমাধান হিসেবে কাউন্সিলিংয়ের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, নিজ-নিজ সন্তানকে অভিভাবকদেরও আরো বেশি করে সময় দিতে হবে।
গতকাল শুক্রবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনের স্পেশাল সেমিনার রুমে ‘আগ্রাসন ও সহিংসতার মনস্তত্ত্ব’ শীর্ষক এক সেমিনার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগম এবং বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সাইকিয়াট্রিস্টস ও নিউরো-ডেভেলপমেন্টাল ডিজেবিলিটি প্রটেকশন ট্রাস্ট’র সভাপতি অধ্যাপক মো. গোলাম রব্বানী। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. কামরুজ্জামান মজুমদার। মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন অধ্যাপক ড. মুহাম্মাদ মাহমুদুর রহমান। আলোচনায় অংশ নেন বাংলাদেশ মনোবিজ্ঞান সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. শামসুদ্দীন ইলিয়াস এবং বাংলাদেশ ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মো. জহির উদ্দিন।
উল্লেখ্য, গত ১০ অক্টোবর ছিল বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস। এই দিবস পালনে মাসব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ‘মানসিক স্বাস্থ্যে মর্যাদাবোধ-সবার জন্য প্রাথমিক মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তা’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এবছর এ দিবসটি পালিত হয়।
 সেমিনারে মোহাম্মদ নাসিম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিশ্বব্যাপী অটিস্টিক বিষয়ক কাউন্সিলিংয়ের উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি জেলা পর্যায়ে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা বৃদ্ধি এবং মনোবিজ্ঞানী নিয়োগের দাবির বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে বলে আয়োজকদের আশ্বস্ত করেন।
ঢাবি ভিসি সামাজিক অস্থিরতা রোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে মনোবিজ্ঞানীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। মোটর সাইকেলের জন্য পুত্রের হাতে অগ্নিদগ্ধ হন পিতা-এটিকে মানসিক আগ্রাসী ও অসহনশীলতার প্রতিফলন হিসেবে উল্লেখ করে ভিসি বলেন, এগুলো এক ধরনের সামাজিক অস্থিরতা। শারীরিক অসুস্থতা মানসিক অসুস্থতার চেয়ে অনেক বড়। নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার ওপর নির্ভর করছে সামাজিক সুস্থতা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ