ঢাকা, সোমবার 31 October 2016 ১৬ কার্তিক ১৪২৩, ২৯ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

কাদা ছুঁড়াছুঁড়ি বন্ধ করুন প্লিজ -মামুনুল ইসলাম

স্পোর্টস রিপোর্টার : ‘প্লিজ কাদা ছুঁড়াছুঁড়ি বন্ধ করুন।অনেক হয়েছে সমালোচনা,এবার উত্তরণের পথ বের করুন। ভুটানের কাছে পরাজয়ের পর থেকেই আমরা (ফুটবলাররা)ও মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছি। এখন সমস্যা চিহ্নিত করে সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজে  বের করা ও ফুটবল অঙ্গনে নিজেদের মধ্যে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়রা।গতকাল মঙ্গলবার স্থানীয় একটি হোটেলে ফুটবল ধ্বংসের অপচেষ্টার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেন মামুনুল, বিপ্লব ও এমিলিরা। আশ্চর্যজনক হলেও সত্যি যে, সংবাদ সম্মেলনের আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হয়েছে বাফুফের জনসংযোগ অফিসারের ইমেইল থেকে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হোটেল ভাড়া, ব্যানার তৈরি ও আনুষঙ্গিক খরচ বাফুফে থেকেই দেয়া হয়েছে। খেলোয়াড়দের উপস্থিতিও তাই প্রমাণ করেছে। বিগত নির্বাচনে কাজী সালাউদ্দিনের প্যানেলভুক্ত চট্টগ্রাম আবাহনী,  শেখ রাসেল ও রহমতগঞ্জের খেলোয়াড়রাই সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। বিরোধী শিবির খ্যাত শেখ জামাল ও মোহামেডানের কেউ ছিলেন না। এই ব্যাপারে জাতীয় দলের অধিনায়ক মামুনুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা সবাইকে আনার চেষ্টা করেছি। কিন্তু অনুশীলনের কারণে তারা আসতে পারেনি। ’
জাতীয় দলের সাবেক গোলকিপার বিপ্লব ভট্টাচার্য বাফুফের শেখানো বুলি আওড়ালেন, ‘২০০৮ নির্বাচনের আগে আমরা লীগের জন্য মানববন্ধন করেছি। সালাউদ্দিন ভাই আসার পর অন্তত লীগ নিয়মিত হচ্ছে। আমরা অর্থ পাচ্ছি।’ সালাউদ্দিনকে আরো সমর্থন করে বিপ্লব বলেন, ‘পদত্যাগ কোনো সমাধান নয়। সালাউদ্দিন ভাই কেন পদত্যাগ করবেন। উনি পদত্যাগ করলেই কি ফুটবল ঠিক হবে?’ সাবেক ফুটবলাররা ভুটান ব্যর্থতার জন্য বর্তমান খেলোয়াড়দের দায়ী করেননি কখনোই। বাফুফের পরিকল্পনাহীনতা ও নেতৃত্বের সমালোচনা করেছেন। সংবাদ সম্মেলনে মামুনুলরা বলেন, ‘যারা সমালোচনা করছেন তারা তো ফুটবলের উন্নয়নে কাজ করেন নাই। তারা নিজের উদ্যোগে  কোনো একাডেমী, কোনো জেলা ক্রীড়া সংস্থায় ফুটবলের জন্য কাজে আসেন নাই।’ তবে বাফুফেকে সমর্থন করলেও বাফুফের অর্থ লোপাটের দায়  তারা  নেবেন না বলে সাংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন। ফুটবল ধ্বংসের অপচেষ্টাকারী কারা এই ব্যাপারে মামুনুল বলেন, ‘শুধু সাবেক ফুটবলারই নন, যারা ২০০৩-’০৪ সালের পর কমিটির বাইরে রয়েছেন তারাও। সেই সঙ্গে যারা বর্তমানে ফুটবলের সমালোচনা করছে।’ তার কথা, ‘আরেক জন মামুনুল উঠে আসছে না। এর জন্য জেলা পর্যায়ে খেলা হতে হবে।  কোনো জেলাতেই খেলা নেই। আমার নিজ জেলা চট্টগ্রামেই ফুটবল স্টেডিয়াম নেই। এমএ আজিজ মাঠটাও ফুটবলের না। আউটার স্টেডিয়ামেও ফুটবল খেলার সুযোগ নেই। সহসাই আমরা সালাউদ্দিন ভাইয়ের সঙ্গে এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনায় বসবো।ফুটবলের উন্নয়নে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ