ঢাকা, সোমবার 31 October 2016 ১৬ কার্তিক ১৪২৩, ২৯ মহররম ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

বার্মায় মুসলিম নির্যাতন বন্ধ করতে জেগে উঠুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে ইসলামী ছাত্র খেলাফত চট্টগ্রাম মহানগরীর উদ্যোগে বার্মায় রোহিঙ্গা মুসলিম গণহত্যা ও নির্যাতন বন্ধের দাবিতে এক প্রতিবাদী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর আল্লামা হাফেজ তাজুল ইসলাম বলেন, বার্মায় মুসলমানদের উপর যে ধরণের জুলুম নির্যাতন হচ্ছে, তার প্রতিবাদ না করলে বিশ্বে আল্লাহর গজব নেমে আসবে। তিনি আরো বলেন, খোদায়ী গজব হতে বিশ্বকে বাঁচাতে হলে অবিলম্বে রোহিঙ্গা নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব আল্লামা লোকমান হাকীম বলেন, মায়ানমারের সরকার ও বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীরা পরিকল্পিতভাবে রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর হামলা চালিয়ে অসহায় নারী, পুরুষ ও শিশুদের হত্যা করছে। ঘর বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করছে। অনেকেই জীবন বাচাঁতে দেশান্তরিত হয়েও পার পাচ্ছেনা, বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ফেরত পাঠাচ্ছে। তিনি মিয়ানমারের জাতিগত এ সমস্যা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত সীমান্ত দিয়ে আগত রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশে আশ্রয় দিতে সরকারের প্রতি অনুরোধ জানান। প্রধান বক্তার বক্তব্যে ইসলামী ঐক্যজোট ও হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের যুগ্ম মহাসচিব  মাওলানা মঈনুদ্দীন রুহী বার্মায় রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর অব্যাহত হত্যা,  ও নির্যাতনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়ে বলেন, বর্তমান দুনিয়ার সবচেয়ে স্বল্পমূল্য জিনিসগুলোর তালিকায় চলে এসেছে মুসলিমদের রক্ত। ধরাপৃষ্ঠের অন্য কোনো জাতি বা ধর্ম ইসলাম বা মুসলিমের মতো নির্যাতিত নয়। জগতের সবচে বড় নিগৃহীত জাতির নাম মুসলিম। তাইতো মায়ানমারে প্রতিদিন মুসলিম গণহত্যা হলেও সবাই নীরব। কেউ প্রতিবাদ করছেনা। সারাবিশ্বে ৫৭টি সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম দেশ থাকা সত্ত্বেও মুসলিমদের গণহত্যা থেকে রক্ষা করতে কেউ কোনো প্রকার পদক্ষেপ নিচ্ছেনা। এখন বসে থাকার সময় নেই। এখন ঐক্যবদ্ধ হয়ে বার্মায় মুসলিমদের রক্তের হোলিখেলা বন্ধ করতে বিশ্ব মুসলিমকে জেগে উঠতে হবে। তিনি জাতিসংঘ ও ওআইসি’র মাধ্যমে আন্তর্জাতিকভাবে মিয়ানমার সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ সরকারকে আন্তর্জাতিক এ সংস্থা দুটির মাধ্যমে মিয়ানমার সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে হবে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ