ঢাকা, বুধবার 02 November 2016 ১৮ কার্তিক ১৪২৩, ১ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

আওয়ামী লীগের পরবর্তী এজেন্ডা জাতীয় নির্বাচন ---ওবায়দুল কাদের

স্টাফ রিপোর্টার : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের নেতাকর্মীদের সতর্ক করে বলেছেন, তার ভাষণ হবে কম, অ্যাকশন হবে বেশি। তবে তিনি জানিয়েছেন, এ অ্যাকশন হবে পজেটিভ, নেগেটিভ নয়।
গতকাল মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে ৩ নবেম্বর জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।  ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আবুল হাসনাতের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, আমিরুল আলম মিলন, দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ প্রমুখ।
আওয়ামী লীগের পরবর্তী এজেন্ডা জাতীয় নির্বাচন উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে জনগণের ভালোবাসা অর্জন এবং মন জয় করতে হবে। খারাপ শুদ্ধ করতে হবে এবং সংশোধন করতে হবে। অন্যথায় অস্ত্রধারীর বিরুদ্ধে যে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সেই অ্যাকশন শুরু হয়ে যাবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, আমরা এখন সর্বশক্তি নিয়ে নেমে যাবো, জনগণের কাছে যাবো। জনগণকে খুশি করাই আমাদের পরবর্তী এজেন্ডা। যারা আচরণগতভাবে একটু খারাপ, ক্ষমতার অহংকারে জনগণের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছেন, জনপ্রতিনিধি হয়েও অনেকের পা মাটিতে পড়ে না, তাদের বলছি শুদ্ধ হয়ে যান, সংশোধন করুন।’
আ’লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমাদের নেতাকর্মীদের মধ্যে যারা ভুল করেছেন, তিনি যে এলাকার সেই এলাকার জনগণের কাছে গিয়ে ক্ষমা চান। যারা আমাদের নির্বাচিত করেছে, তাদের কাছে ক্ষমা চাইতে আমাদের কোনো লজ্জা নেই। কারও খারাপ আচরণের কাছে আমাদের নেত্রীর অর্জনকে জিম্মি করতে পারি না। এর জন্য শাস্তি পেতে হবে। ডিসিপ্লিন ভঙ্গ করলে ডিসিপ্লিনারি শাস্তি পেতে হবে। এর জন্য কোনো আপস নেই।
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার শক্তিশালী, আওয়ামী লীগ দুর্বল হলে সরকারের মধ্যে হারিয়ে যাবে। সেটা আওয়ামী লীগের জন্য শুভ লক্ষণ নয়। দলের মধ্যে সরকার হারিয়ে যাবে, সরকারের মধ্যে দল হারাবে না। এটাই আমাদের লক্ষ্য। মন্ত্রী বলেন, ‘১৫ আগস্ট, ৩ নবেম্বর এবং ২১ আগস্ট একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা। এগুলো ছিল আমাদের নেতৃত্বশূন্য করে দেয়ার সুগভীর চক্রান্ত।
ওবায়দুল কাদের বক্তব্য শুরু করলে নেতাকর্মীরা শ্লোগান দিতে থাকেন। এ সময় তাদের উদ্দেশে কাদের বলেন, ‘এখন শ্লোগান বন্ধ করুন, সুসময়ে অনেকেই শ্লোগান দেন, গলা ফাটিয়ে বক্তৃতা করেন। দুঃসময়ে হাজার পাওয়ারের বাতি জ্বালিয়েও অনেককেই খুঁজে পাওয়া যায় না। এরা চোরাইপথে পালিয়ে যায়।
এ সময় নেতাকর্মীরা বলেন, হাইব্রিড চাই না, হাইব্রিড বাদ দেন। এর জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, আমি এখন এই শব্দ ব্যবহার করবো না, কারণ আমি পার্টির সাধারণ সম্পাদক। ওইভাবে আমি বলতে চাই না, যেটা আমি বলতে চাই তা বলেই ফেলেছি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ