ঢাকা, বুধবার 02 November 2016 ১৮ কার্তিক ১৪২৩, ১ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

নারী ও শিশু আইনের একটি ধারার ব্যাখ্যা চান হাইকোর্ট

স্টাফ রিপের্টার : নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ এর ৩১ (ক) ধারার কোনো প্রয়োগ আছে কিনা প্রতিবেদন আকারে তা জানাতে বলেছেন হাইকোর্ট। সুপ্রিম কোর্ট ও আইন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ অতীতে গ্রহণ করেছে কিনা সে বিষয়েও জানতে চাওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে আইন সচিব ও সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে ব্যাখ্যাসহ প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। 
একটি জামিন আবেদনের শুনানি শেষে সময় গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম এবং বিচারপতি জেবিএম হাসান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী কুমার দেবুল দে এবং ব্যারিস্টার মো. ওসমান আজিজ। সরকার পক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল শেখ এ কে এম মনিরুজ্জামান কবির।
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ এর ৩১ (ক) ধারায় বলা হয়েছে, ‘কোনো মামলা এই আইনের ২০ ধারা অনুযায়ী ১৮০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি না হইলে ট্রাইব্যুনাল উহার কারণ লিখে একটি প্রতিবেদন ৩০ দিনের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে দাখিল করিতে হবে। তার একটি অনুলিপি সরকারের সংশ্লিষ্টদের কাছেও দাখিল করিতে হবে। প্রতিবেদন দাখিল করিবার পর তা পর্যালোচনা করে যথাযথ কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ার জন্য দায়ী ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।’
আইনজীবী কুমার দেবুল দে সাংবাদিকদের জানান, মো. মিলাদ হোসেনের বিরুদ্ধে স্ত্রী হত্যার অভিযোগে ২০১৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থানায় একটি হত্যা মামলা করা হয়। মামলা করার দিন থেকে তিনি আটক হয়ে কারাগারে আছেন। গত বছরের শেষের দিকে মামলাটি চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এ বিচারের জন্য যায়। চলতি বছরের ২১ মার্চ  মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত মামলটিতে কোনো সাক্ষী আদালতে উপস্থিত হননি।
তিনি বলেন, মামলাটি আইন অনুযায়ী ১৮০ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি হওয়ার কথা। নির্ধারিত ওই সময় অতিক্রম হলেও মামলাটি নিষ্পত্তি হয়নি। তাই আসামীর এই যুক্তিতে জামিনের জন্য হাইকোর্টে আবেদন করে। শুনানিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন- ২০০০ এর ৩১(ক) ধারাটি আদালতের নজরে আনা হলে আদালত ওই ধারার প্রয়োগ বিষয়ে ব্যাখ্যাসহ প্রতিবেদন তলব করেন। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ