ঢাকা, বুধবার 02 November 2016 ১৮ কার্তিক ১৪২৩, ১ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

বাংলাদেশে নষ্ট রাজনীতি শুরু করে জিয়াউর রহমান : হানিফ

স্টাফ রিপোর্টার: ‘বাংলাদেশে নষ্ট সময় চলছে’ বলে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যে মন্তব্য করেছেন তার সমালোচনা করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ। তিনি বলেছেন, ‘নষ্ট সময় বলতে উনি (ফখরুল) কী বুঝিয়েছেন সেটা আমরা জানি না। বাংলাদেশে নষ্ট রাজনীতি শুরু করেছিলো মির্জা ফখরুলদের বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান।

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে দলের পক্ষে আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে এসব কথা জানান আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব উল আলম হানিফ। সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বিএম মোজ্জাম্মেল হক, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, দফতর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক আফজাল হোসেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক রোকেয়া সুলতানা, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, কার্যনির্বাহী সদস্য এসএম কামাল হোসেন, আমিরুল আলম মিলন, বিপ্লব বড়ুয়া, রেমন্ড আরেং প্রমুখ।

হানিফ বলেন, তিনি( জিয়াউর রহমান) ৭৫ বঙ্গবন্ধু হত্যার পর যে ডায়লগটি দিয়েছিলেন তা হলো- রাজনীতিবিদদের জন্য রাজনীতি কঠিন করে দেবেন। তিনি রাজনীতি শুধু জটিল করে দেননি কুটিল করে দিয়েছিলেন। তার কুফল দেশবাসী অনেক দিন বয়ে বেড়িয়েছে।

তিনি বলেন, এখন দেশ শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের ধারায় চলছে। দেশকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে নিয়ে আসছে। সেই সময় কোন দৃষ্টি থেকে মির্জা ফখরুলের এ ধরনের কথা বলা সেটা আমাদের বোধগম্য নয়। দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে তখন মির্জা ফখরুল এ ধরনের বক্তব্য দিয়ে কোন ধরনের ষড়যন্ত্র করছে তা জাতি জানতে চায়। সোমবার অনুষ্ঠিত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন,দুই একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু হয়েছে। বিএনপির অভিযোগ ভিত্তিহীন।

ঘটনা পরিকল্পিত

স্থিতিশীলতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতার ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ। বিএনপির পক্ষ থেকে এই ঘটনার নিন্দা জানান রিজভী। একইসঙ্গে অভিযোগের বিষয় অস্বীকারের পরও রসরাজ দাসের বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে মামলা ও সত্যিকারের অপরাধের বিষয়টি যাচাই না করে আইন হাতে তুলে নেয়া বর্বরতারই নামান্তর বলে মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি পবিত্র কাবা শরীফকে অবমাননা করে কোটি কোটি মুসলমানের ধর্মীয় চেতনায় আঘাত করার ঘটনায় দলের পক্ষ থেকে নিন্দা জানান। এবং এই ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

রিজভী অভিযোগ করে বলেন, হুজুগ সৃষ্টি করে দোষারোপের মাধ্যমে একটি সংঘাতপূর্ণ অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টিতে একটি মহল বিশেষ ইন্ধন যুগিয়ে থাকে। বিএনপি সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ধর্ম বিশ্বাসকে শ্রদ্ধা করে এবং দেশের সব জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা বিধান ও ধর্মীয় স্বাধীনতাকে নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।

তিনি বলেন, সরকার নিজেদের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য বিভিন্ন ধর্ম সম্প্রদায়ের মধ্যে পরস্পরের শুভেচ্ছাবোধ, সামাজিক বন্ধন ভেঙে তছনছ করে দিয়েছে, সমাজের অভ্যন্তরে অসহিষ্ণুতা ও বিদ্বেষ এখন মহামারি আকার ধারণ করেছে। রিজভীর অভিযোগ, নাসিরনগরে হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর, মন্দির, দত্তবাড়ি মন্দির ও জগন্নাথবাড়ি মন্দিরসহ ১৩টি বাড়িঘর লুটপাট ও ভাংচুরের ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এছাড়া সরকারি দলের উচ্চ পর্যায়ের কোনো নেতা বা সংসদ সদস্য কিংবা মন্ত্রী এলাকা পরিদর্শন ও সংকট উত্তরণে কোনো উদ্যোগ নেয়নি।

সাংবাদিক সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন, সহ-দপ্তর সম্পাদক মুনির হোসেন প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ