ঢাকা, বৃহস্পতিবার 03 November 2016 ১৯ কার্তিক ১৪২৩, ২ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

ঘুরে দাঁড়াতে পারবে জাতীয় খেলা কাবাডি?

মাহাথির মোহাম্মদ কৌশিক : জাতীয় খেলা হলেও কাবাডির মান দিনে দিনে নিচের দিকে নামছে। এমন যে পাঁচ বছর আগের পারফরম্যান্সও করতে পারছে না খেলোয়াড়রা। সে কারণে ব্যর্থতা থেকে বের হতে পারছে না খেলাটি। টানা দু’টি বিশ^কাপে ব্রোঞ্চ জিতেছিল বাংলাদেশ। প্রত্যাশার পারদটা তাই এবার অনেক উচুঁতে দাঁড়িয়েছিল। সে কারণেই ব্রোঞ্চ জয়ের আশা ছেড়ে রূপা জয়ের লক্ষ্য নিয়ে ভারতের আহমেদাবাদে গিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু ব্রোঞ্চ কিংবা কোনটিই জিততে পারেনি বাংলাদেশ। উল্টো গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিতে হয়েছে আরদুজ্জামানদের। জাতীয় খেলা হলেও দিনে দিনে পিছিয়ে পড়েছে কাবাডি। পদক জয়ের সংখ্যায় এখন আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলছে পারছে না বাংলাদেশী খেলোয়াড়রা। উল্টো পরিকল্পনা মাধ্যমে প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাচ্ছে ইরান, দক্ষিণ কোরিয়া, পাকিস্তান, শ্রীলংকার মতো দলগুলো। সে কারণেই অন্য আরো ৮/১০টা খেলার মতোই কাবাডি হারিয়ে যাওয়া খেলার তালিকায় ঢুকে পড়েছে। জাতীয় খেলা হিসেবে এশিয়ান গেমস, এসএ গেমসে বরাবরই পদক জিতে আসছে কাবাডি। আশা ছিল এই খেলার জনপ্রিয়তার পাশাপাশি দেশের জন্য সুনাম কুড়িয়ে আনবে। বাস্তবে তা দেখাই মিলছে না। দিন দিন অধঃপতনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে কাবাডি। এশিয়ান গেমসতো দূরের কথা সাউথ এশিয়ান গেমসে পদক জেতাটাও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বরং পুরুষদের চেয়ে মহিলারা এগিয়ে আছে বলা যায়। কাবাডির জন্য আলাদা স্টেডিয়ামও নির্মাণ হয়েছে। এরপরও জাতীয় প্রতিযোগিতা ছাড়া কোনো আসরই নিয়মিত করতে পারছে না। মানোন্নয়নে কর্মকর্তারা অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তার কোনো কিছুই বাস্তবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। এবার ভারতের আহমেদাবাদে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ কাবাডিতে বাংলাদেশ গ্রুপপর্ব খেলেই বিদায় নিয়েছে। সেমিফাইনালে উঠতে না পারায় এবার আর পদক জেতা সম্ভব হয়নি দলটির। শূন্য হাতে ফিরে এসেছে কাবাডি দল। অথচ আগের তিন বিশ্বকাপে ব্রোঞ্চ জিতেছিল বাংলাদেশ। খারাপ কিছু যে ঘটবে তা কোচ আগেই আভাস দিয়েছিলেন। বিশ্বকাপ অথচ এ নিয়ে ফেডারেশন প্রস্তুতির ব্যবস্থা সেভাবে করতে পারেনি। এমন পরিস্থিতিতে পদক জেতা কঠিন কোচ তা জানিয়েছিলেন। তারপরও বিশ্বকাপে শূন্য হাতে ফেরাটা বিস্ময়ই মনে করছেন ক্রীড়ামোদীরা। পদক না জিতলেও ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও আর্জেন্টিনার বিপক্ষে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এই তিনটি দলই কাবাডিতে নবীন হিসেবে পরিচিত। বিশ্ব ক্রীড়ায় তিন দেশই পরিচিত। তাই তাদের বিরুদ্ধে জয় নিয়ে কেউ কেউ আলোচনা করছেন। বাস্তবে ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া বা আর্জেন্টিনা কাবাডিতে মোটেই শক্তিশালী দল নয়। এই খেলা সবেমাত্র শিখতে শুরু করেছে তারা। কাবাডির শিশু বলা যায়, তাই তাদের বিপক্ষে জয় নিয়ে তৃপ্তি পাওয়ার কিছু নেই। ভারতের কাছে শোচনীয় হার নিয়ে আক্ষেপের কিছু নেই। বিশ্ব কাবাডিতে তারা শক্তিশালী দেশ। কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে জেতা ম্যাচ হারে কিভাবে? এটাও ঠিক ভারতের বিপক্ষে দক্ষিণ কোরিয়া প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরেছে। এতে তো লজ্জা পাওয়ারই উচিত বাংলাদেশের। কোরিয়া কত পড়ে এসে এগিয়ে গেছে। কাবাডির এই বিপর্যয় নতুন করে ভাববার সময় এসেছে। বিশ্বকাপে গ্রুপপর্ব থেকে বিদায় তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। কাবাডি ফেডারেশন ঘিরে অভিযোগের শেষ নেই। সুষ্ঠু দিক নির্দেশনা না থাকায় এই অচল অবস্থা নাকি নেমে এসেছে।  জাতীয় খেলা খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলবে কত দিন। ক্রীড়া প্রশাসনের উচিত হবে কাবাডির দিকে নজর দেয়া। সামনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের কারণে কোর্টের খেলায় মন নেই কর্মকর্তাদের। এমন অভিযোগ থাকলেও খেলা নিয়ে সেভাবে মাথা ঘামানোর মানুষও যেন নেই। চলছে পালাবদলের আয়োজন, সেখানে কে থাকবেন আর কে আসবেন এটা নিয়েই বেশি আলোচনা।
তাড়াহুড়োই পদক হারানোর কারণ? : মেজাজ ধরে রাখা সব খেলারই গুরুত্বপূর্ণ একটি অনুষঙ্গ। যা অনেক সময় খেলোয়াড়রা হারিয়ে ফেলেন। সদ্য শেষ হওয়া কাবাডি বিশ্বকাপে দক্ষিণ কোরিয়া ভারতকে হারিয়ে চমক সৃষ্টি করেছিল। সেই কোরিয়াকে নিয়মিতই হারিয়ে আসছে বাংলাদেশ। এবারো ফেবারিট হিসেবেই মাঠে নেমেছিল। কিন্তু এগিয়ে থেকেও শেষ মুহূর্তের ব্যর্থতায় হেরে বসে বাংরাদেশ। এর আগে প্রথম দু’টি আসরে পদক জিতছিল বাংলাদেশ। ধাক্কা খেলে বিশ্ব কাবাডির তৃতীয় আসরে। ভারতের কাছে হারা প্রত্যাশিত ছিল। দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে হেরেই পদকের স্বপ্ন বিবর্ণ হয়ে যায় বাংলাদেশের। কেন এমন হল জানালেন দলের কোচ, অধিনায়ক ও ম্যানেজার। ‘কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের শেষ দিকে ধৈর্য হারিয়ে ফেলে আরদুজ্জামানরা। তাছাড়া আট পয়েন্ট নিয়ে জেতার জন্য চাপেও পড়ে গিয়েছিল তারা। সেই চাপ আর নিতে পারেনি। তাই কোরিয়ার কাছে হার মানতে হয়েছে,’ বললেন কোচ সুবিমল চন্দ দাস। তিনি যোগ করেন, ‘প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ভারত অপ্রত্যাশিতভাবে হেরে যায়। তার প্রভাব পড়ে বাংলাদেশ শিবিরে। ফলে খেলোয়াড়রা মানসিক চাপে ছিল। কোরিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের আগে পরিকল্পনা করেছিলাম। সেই মোতাবেক তারা খেলেও। প্রথম পাঁচ মিনিটে লোনা নিয়ে ১০-০ পয়েন্টে এগিয়ে যাই আমরা। পরে তুহিন তিনটি ক্যাচ মিস করে। বিরতিতে যেতে হয় ১৫-১৫ পয়েন্টে থেকে। শেষ আড়াই মিনিট আগে টাইম আউট নিয়ে খেলোয়াড়দের বলেছিলাম অন্তত এক পয়েন্টে হলেও জিতে ম্যাট ছাড়তে।
এরপরেই নাটকীয় ঘটনা ঘটে। অধিনায়ক আরদুজ্জামান একটি রেইড দিতে গিয়ে ধরা খেল। সেই শুরু কোরিয়ার টার্নিং পয়েন্ট। আমাদের সীমানায় রেইড দিতে এলো কোরিয়ার জ্যামি কুল লি। সোলায়মান কবির তাকে ধরার জন্য ড্রাইভ দিল। পারল না। জিয়া পুশ করতে গিয়ে ধরা খেল। তুহিনও পুশ করতে গিয়ে ব্যর্থ হয়। সুপার রেইডে জ্যামি কুল লি তিন পয়েন্ট নিয়ে গেল। ফলে উল্টো লোনা নিয়ে আমাদের ব্যাকফুটে ফেলে দিল কোরিয়া। ওই ভুলের খেসারত দিতে হল হেরে।’ সুবিমল বলেন, ‘দলে ভালো মানের রেইডার নেই। আগে জিয়া (বর্তমানে কোচ) ও সেনাবাহিনীর মুসা ছিল। বোনাস পয়েন্টও তারা আনতে পারত। এখন সে রকম রেইডার নেই। ভালো রেইডার তৈরি হচ্ছে না। জাকিরও ভালো করতে পারেনি। ফেরদৌস ও সবুজ মিয়াও তাদের সেরাটা খেলতে পারেনি। দুর্বল রেইডিংয়ের কারণেই আমরা সেমিফাইনালে যেতে পারিনি।’ সুবিমলের মন্তব্য, ‘থাইল্যান্ড দু’টি অনুশীলন ম্যাচের দু’টিতেই হেরেছে। থাইল্যান্ড, কোরিয়া ও কেনিয়া তাদের রাগবি দলকে কাবাডিতে এনেছে অনুশীলনের মাধ্যমে। তারা ভারতীয় কোচ নিয়ে গিয়ে অনুশীলন করিয়েছে দলকে। ভারতীয় জগমোহন কিলারু ইংল্যান্ডের কোচ ছিলেন। আর কেনিয়া নিয়মিত খেললে ভবিষ্যতে জায়ান্ট হবে।’ একই সুর অধিনায়ক আরদুজ্জামান মুন্সীর কণ্ঠেও, ‘কোরিয়া আমাদের চেয়ে অনেক দুর্বল দল ছিল। গত এশিয়ান গেমসের আগে তারা আট মাস ভারতে থেকে কোচিং করেছে। আমাদের হার অপ্রত্যাশিত। ভারত যখন কোরিয়ার কাছে হেরে গেল, তখন আট পয়েন্ট নিয়ে জেতা উচিত ছিল। দু’মিনিট আগেও ভেবেছিলাম জিতব।
কিন্তু শেষে সব হারাতে হলো।’ দলের ম্যানেজার নিজামউদ্দিন চৌধুরী পারভেজের মূল্যায়ন, ‘দেড় মাসের অনুশীলনে বিশ্বকাপে ভালো করাটা কষ্টকর। স্বল্প সময়ের প্রস্তুতিতে পদক জেতার ভাবনা দুঃস্বপ্নের মতো। তারপরও আমরা সেখানে গিয়ে পাঁচটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছি। ইরান ছাড়া বাকি চারটিতেই জিতেছি। বিশ্বকাপে আসার আগে দক্ষিণ কোরিয়া আট মাস অনুশীলন করেছে। জাপান তিন-চার মাস পর পর ভারতে গিয়ে অনুশীলন করে। তারপরও আমি বলব আমরা খেলেই হেরেছি।’
শুরু করতে হবে নতুন করেই : এখন বাঁচাতে হলে কাবাডি নিয়ে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিতে হবে। জাতীয় খেলা হিসেবে সরকারের নজরে থাকার কথা কাবাডির। কিন্তু কাবাডি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্যায়ে বিদায় নেয়া বাংলাদেশ দলকে এখনও তাড়া করে ফেরে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে শেষ মুহূর্তে  ৩৫-৩২ পয়েন্টে হেরে যাওয়ার দুঃসহ স্মৃতি! কারণ তৃতীয় এই ম্যাচটি জিততে পারলে শেষ চারে খেলতে পারতো বাংলাদেশ। তাই ভারতের সেই দুঃসহ স্মৃতি ভুলে দেশে ফেরা কাবাডি দলের কোচ, অধিনায়ক ও ম্যানেজারের চাওয়া দলের আরও উন্নত প্রশিক্ষণ ও নবীন খেলোয়াড় সৃষ্টি। এই প্রথম কাবাডিতে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে হেরেছে বাংলাদেশ। কাবাডিতে একটা সময় আমজাদ হোসেন, আবদুল জলিল, বাদশা মিয়া, জিয়াউর রহমানরা আলো ছড়িয়েছেন। তাদের দেখে নতুন প্রজন্মের অনেকেই উঠে এসেছে। সেই দিন যেন আর নেই। এশিয়ার কাবাডিতে ভারত যেন অবিস্মরণীয় দলে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে কাবাডির ছোট-বড় যে কোন আয়োজনেই ভারত সবার ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে গেছে। সেটা এতটাই যে, নতুন কারো পক্ষে সেখানে যাওয়াটা বেশ কষ্টসাধ্য ব্যপার। ভারতীয়দের পর ইরান, জাপান, কোরিয়া উন্নতি করছে। সেখানে হতাশার নাম বাংলাদেশ।
২০১০ এশিয়ান গেমসের আগে জাপানের কাছে হারেনি বাংলাদেশ। গুয়াংজুর সেই আসর থেকেই খালি হাতে ফেরা শুরু বাংলাদেশের। তার আগের ২০০৬ সালের আসরে ইরানকে হারিয়ে ব্রোঞ্চ জিতেছি মান রক্ষা করেছিল। তখন সেটিকেই খারাপ পারফরম্যান্স হিসেবে ধরা হয়েছিল। কারণ ১৯৯০ সালে এশিয়ান গেমসে কাবাডি অন্তর্ভুক্তির পর থেকে চারটি আসরের তিনটিতেই রুপা জিতেছিল বাংলাদেশ। এখন আর সেভাবে স্বপ্নও দেখছে না খেলাটির সংশ্লিষ্টরা। তাই প্রতিভা অন্বেষণের পাশাপাশি নতুন নতুন টুর্ণামেন্ট কাবাডিতে প্রাণ ফেরাতে পারে।
পরাজয়ে তাদের হতাশা : এবারের পরাজয়টা যেন একটু বেশিই ভাবাচ্ছে কাবাডি সংশ্লিষ্টদের। গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিলেও বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক আরদুজ্জামন বলছেন, ‘বাংলাদেশের সোনা জয়ের সামর্থ্য আছে!’ কথাটা কি বর্তমান পরিস্থিতিতে এ কথাটির কি খুব বেশি মূল্য আছে? দশজনকে বিজ্ঞেস করলে বেশিরভাগই ন্যা সূচক উত্তর দেবে। গত দু’টি কাবাডি বিশ্বকাপে ব্রোঞ্জ জিতেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু আহমেদাবাদ থেকে বাংলাদেশ দল ফিরেছে খালি হাতে। পাঁচ ম্যাচের তিনটিতে জিতে গ্রুপে তৃতীয় হওয়া দলটির অধিনায়ক আরদুজ্জামান মুন্সীর কণ্ঠে তাই শুধুই আফসোস।
প্রথমবারের মতো পদকহীন বাংলাদেশ, খেলোয়াড়রা কি কষ্ট পেয়েছেন। আরদুজ্জামানের জবাব, ’সর্বোচ্চ সাফল্যের চেষ্টাই করেছিলাম। কিন্তু সেটা হয়নি। এ জন্য নিজেকে দোষ দিতে পারছি না। আমি রেইডে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ পয়েন্ট পেয়েছি। অন্যরাও চেষ্টা করেছে। কিন্তু দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে দুর্ভাগ্যজনকভাবে হেরে সব শেষ হয়ে গেল। ওদের ৮ পয়েন্টের ব্যবধানে হারাতে পারলে সেমিফাইনালে খেলতাম আমরাই।
৮ পয়েন্টের ব্যবধান তাড়া করতে গিয়েই সেদিন ম্যাচটা হেরেছি। তবে বাংলাদেশের স্বর্ণজয়ের সামর্থ্য আছে’। অন্যদিকে জাতীয় দলের সাবেক সফল কোচ আব্দুল জলিল আরো একধাপ হতাশা নিয়ে বলেছেন, ’অন্তত দক্ষিন কোরিয়ার বিপক্ষে জেতা উচিত ছিল। তবে অন্য অনেকের মতো আমি হতাশ নই। কারণ জাতীয় দলের পারফরম্যান্সে ওঠানামা যায়। সব সময় প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের পাওয়া যায় না। ২০০৪ সালে বিশ্বকাপ শুরুর পর এ পর্যন্ত হওয়া দু’টি আসরেই আমরা ব্রোঞ্জ জিতেছিলাম, সর্বশেষটি ২০০৭ সালে। সেই সময়ের দল তো আর এখন নেই’।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ