ঢাকা, বৃহস্পতিবার 03 November 2016 ১৯ কার্তিক ১৪২৩, ২ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

আতাউর হত্যার ২৭ দিন অতিবাহিত হলেও-

কেশবপুর (যশোর) সংবাদদাতা: যশোরের কেশবপুরে ঘের কর্মচারী আতাউর রহমান হত্যার ২৭ দিন অতিবাহিত হতে চললেও তার মৃত্যুর রহস্য আজও উদঘাটন করতে পারেনি পুলিশ। প্রাথমিক ময়না তদন্তে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
কিন্তু এ ঘটনায় আটক দু’ব্যক্তিকে পুলিশ রিমান্ডে আনলেও তাদের কাছ থেকে হত্যার কোনো ক্লু উদঘাটন করতে পারেনি।
তবে তার হত্যা নিয়ে এলাকায় নানামুখী গুঞ্জন চলছে।
উপজেলার পাঁজিয়া ইউনিয়নের মনোহরনগর গ্রামের বাবুর আলী সরদারের ছেলে আতাউর রহমানের লাশ গত ৩ অক্টোবর বিকেল ৪ টায় পার্শ্ববর্তী চৌগাথার কুড়ের একই গ্রামের মানিক সরদারের ছেলে আব্দুর রাজ্জাক সরদারের মৎস্য ঘের থেকে উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের ভাই সোহরাব হোসেন সিন্টু বাদী হয়ে কারো নাম উল্লেখ ছাড়াই থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। যার নং-৪। দায় এড়াতে পুলিশ সন্দিগ্ধভাবে ঘের মালিক আব্দুর রাজ্জাক সরদার (৩৫) ও একই গ্রামের নওশের আলীর ছেলে হাফিজুর রহমানকে (৪৫) আটক করে আদালতে সোপর্দ করে।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত ৩ মাস ধরে নিহত আতিয়ার রহমান বিভিন্ন জায়গা থেকে মাছের খাদ্য হিসেবে শেওলা সংগ্রহ করে প্রতি নৌকা ১শ’ টাকা দরে ঘের মালিক আব্দুর রাজ্জাক সরদারের কাছে বিক্রি করতো।
প্রতিদিনের ন্যায় গত ৩ অক্টোবর সকালে আতাউর রহমান শেওলা সংগ্রহসহ বাড়ির পোষা ছাগলের জন্যে ঘাস কাটতে বের হয়। দুপুর গড়িয়ে গেলেও সে বাড়িতে না ফেরায় তার পরিবারের লোকজন তাকে খুঁজতে থাকে।
অবশেষে বিকেল সাড়ে ৪টার সময় তার লাশ আবদুর রাজ্জাক সরদারের মৎস্য ঘেরের পূর্বপাশের ভেড়ির পানিতে উপুড় করা অবস্থায় উদ্ধরা করে বাড়ি আনা হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ লাশ ময়নাতদন্তের জন্যে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ