ঢাকা, বৃহস্পতিবার 03 November 2016 ১৯ কার্তিক ১৪২৩, ২ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

নির্বাচনের জন্য এই মুহূর্তে দেশী বিদেশী কোনো চাপ অনুভব করছি না -ওবায়দুল কাদের

স্টাফ রিপোর্টার : সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়েই নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। মধ্যবর্তী কিংবা আগাম নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনের জন্য এই মুহূর্তে আমরা দেশী বিদেশী কোনও চাপ অনুভব করছি না। বাংলাদেশে আন্দোলনের কোনও চিহ্ন আর নেই।
গতকাল বুধবার  বিকেলে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা খান সাহেব ওসমান আলী জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ‘স্পেশাল অলিম্পিক সেকেন্ড সাউথ এশিয়ান ইউনিফাইড ক্রিকেট ২০১৬’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। স্পেশাল অলিম্পিক সেকেন্ড সাউথ এশিয়ান ইউনিফাইড ক্রিকেট ২০১৬ এর চেয়ারম্যান শামীম মতিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক রাব্বি মিয়া, পুলিশ সুপার মঈনুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই, সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত বাদল প্রমুখ। এর আগে বেলুন উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন অতিথিরা। এ টুর্নামেন্টে ভারত, পাকিস্তান  শ্রীলংকা ও স্বাগতিক বাংলাদেশের বুদ্ধি প্রতিবন্ধী খেলোয়াড়রা অংশ নিচ্ছে। গতকাল  বিকেএসপিতে শুরু হয়ে আগামী ৬ নবেম্বর পর্যন্ত চলবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ঢাকার প্রতিবন্ধীদের স্কুল বিউটিফুল মাইন্ডসহ অন্যান্য স্কুলের শিক্ষার্থীরা মনোমুগ্ধকর শারীরিক কসরত প্রদর্শন করেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনের দাবিতে এ পর্যন্ত ৩ থেকে ৫শ লোকের কোনও মিছিলও হলো না। এখানে সরকার ভালোভাবে দেখছে। প্রতিকূল কোনও পরিস্থিতিও নেই। সংবিধান অনুযায়ী যথাসময়েই নির্বাচন হবে। আপনারা যে যেভাবেই বলেন যখনই তফসিল ঘোষণা হোক বিএনপিও আগামী নির্বাচনে আসবে। পুরনো ভুলের পরিণতি কী সেটা তারা এখন বোঝে।
সরকার দলীয় লোকজন বিভিন্ন অপরাধে জড়িত এবং তাদের বিরুদ্ধে সরকার ও দলের অবস্থান প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে অ্যাকশন শুরু হয়ে গেছে। এখানে কে কোন দলের সেটা দেখা হবে না। সে সরকারি দলের হতে পারে, বিরোধী দলেরও হতে পারে। সেটা কোনও বিষয় নয়। এখানে দেখা হবে অপরাধী কে আর অপরাধ কী। প্রত্যেক অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
তিনি আরও জানান, এমনকি আমাদের দলের কেউ থাকলেও তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে। আমাদের ৩ জন মন্ত্রী দুদকের মামলায় বিচারের সম্মুখীন। এছাড়া একজন এমপির ৩ বছরের জেল হয়েছে। এতেই বোঝা যায় আমাদের দলের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী কোনও অপরাধকে ছাড় দিচ্ছেন না।
আওয়ামী লীগের জন্মজেলা নারায়ণগঞ্জের কোন প্রতিনিধিত্ব কেন্দ্রীয় কমিটিতে ও মন্ত্রিসভায় নেই প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ঢাকার মধ্যেই নারায়ণগঞ্জ। কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিত্ব কোনও অঞ্চলভিত্তিক না। আমরা এখন কিছুটা ভাগ করছি যেমন কেউ নেতৃত্ব দেবেন আবার কেউ জনপ্রতিনিধি হবেন। আমরা সরকার এবং দলের কাজকে আলাদা করে দিচ্ছি। কাউকে দলীয় পদে রেখে আবার কাউকে সরকারে রেখে কাজ ভাগ করে দেয়ার একটা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সরকারের তিন বছর পার হয়ে গেছে সুতরাং মন্ত্রিসভায় রদবদলের একটা সম্ভাবনা রয়েছে। সেখানে কাদের রাখা হতে পারে সে বিষয়টা প্রধানমন্ত্রীর এখতিয়ারভুক্ত।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ