ঢাকা, শুক্রবার 04 November 2016 ২০ কার্তিক ১৪২৩, ৩ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

জরিপে ফের এগিয়ে হিলারি

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাত্র ছয়দিন আগে একে অপরের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক কথা বলেছেন প্রধান দুই প্রতিদ্বন্দ¦ী প্রার্থী ডেমোক্র্যাটিক পার্টির হিলারি ক্লিনটন ও রিপাবলিকান পার্টির ডোনাল্ড ট্রাম্প।
গত বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্স ও জরিপ সংস্থা ইপসোসের প্রকাশিত সর্বশেষ জরিপের ফলাফলে দেখা গেছে, ট্রাম্পের চেয়ে এগিয়ে ফের আগের সপ্তাহের অবস্থান ফিরে পেয়েছেন হিলারি।
 প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রী থাকাকালে ব্যক্তিগত ইমেইল সার্ভার ব্যবহার নিয়ে বিতর্কিত হয়েছেন হিলারি। ওই বিষয়ে ফের তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে শুক্রবার ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই।
এফবিআইয়ের এ ঘোষণার পর জাতীয়ভাবে করা বেশ কয়েকটি জরিপের ফলাফলে দেখা গিয়েছিল, ট্রাম্পের সঙ্গে হিলারির এগিয়ে থাকার ব্যবধান কমে গেছে, কোনো কোনো জরিপে ট্রাম্প এগিয়ে গেছেন বলেও দেখা যায়।
কিন্তু রয়টার্স/ইপসোসের সর্বশেষ জরিপে দেখা যায়, ট্রাম্পের চেয়ে হিলারির এগিয়ে থাকার ব্যবধান ফের বৃদ্ধি পেয়ে ৬ শতাংশ পয়েন্টে এসে দাঁড়িয়েছে।
এফবিআইয়ের ঘোষণার আগে গত সপ্তাহেও এই একই ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন হিলারি।
তবে প্রতিদ্বন্দি¦তা হাড্ডাহাড্ডি হতে যাচ্ছে এমন ইঙ্গিত পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই অর্থ বাজারে প্রবল ঝাঁকুনি অনুভূত হয়। ৮ নভেম্বরের নির্বাচনে নিউ ইয়র্কের ব্যবসায়ী ট্রাম্প জয় ছিনিয়ে নিতে পারেন, এমন ভাবনা পেয়ে বসে বিনিয়োগকারীদের।
এতে বুধবার বিশ্বের শেয়ার বাজারগুলোতে দরপতন হয়, তেলের ও ডলারের মূল্য পড়ে যায়। বিপরীতে বিনিয়োগের নিরাপদ-স্বর্গ হিসেবে বিবেচিত সোনা ও সুইস ফ্রা-র দাম চড়ে যায়।
প্রার্থীদের মধ্যে হিলারি স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে পারবেন বলে মনে করেন বিনিয়োগকারীরা। অর্থবাজারের জন্য স্থিতিশীলতা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, এই বাজার অনিশ্চয়তা পছন্দ করে না।
ফ্লোরিডার পেন্সাকোলায় এই শেষ সময়ের এক প্রচারণায় তিনি জিতবেন বলে অনুমান প্রকাশ করেন ট্রাম্প। খোলা আকাশের নিচে অনুষ্ঠিত এক সমাবেশে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “ইতোমধ্যেই এ রকম (জয়ের) অনুভূতি হচ্ছে, তাই না?”
তিনি বলেন, “আমরা সুন্দর ও শান্ত হয়েছি, সুন্দর ও শান্ত। বেশ, ডোনাল্ড, মূলপথে থাক, মূলপথে, গলিতে না; সুন্দর এবং স্বাচ্ছন্দ্য।”
এর আগে কয়েক মাস ধরে প্রচারণা চলাকালে বিভিন্ন বিতর্কিত মন্তব্য করে নিজের ক্ষতি ডেকে এনেছিলেন তিনি।
সমাবেশে ট্রাম্প বলেন, “দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার পক্ষে হিলারি অযোগ্য।” এ সময় হিলারিকে ‘পুরোপুরি বিকৃতমস্তিষ্ক’ বলে অভিহিত করেন তিনি।
অপরদিকে একইদিন লাস ভেগাসে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে হিলারি, যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের একে অপরের বিরুদ্ধে লেলিয়ে দেওয়া, মসুলমান ও মেক্সিকান-আমেরিকানদের হেয় করা, ট্রাম্পের এ ধরনের বিভিন্ন বিষয়ের উল্লেখ করে বলেন, “এগুলোর গুরুত্ব উপলব্ধি করা তার আয়ত্তের বাইরে।”
ট্রাম্পের পররাষ্ট্র নীতিকে ‘অবিশ্বাস্য রকম বিপজ্জনক’ বলে অভিহিত করেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয়ভাবে করা সব জরিপের গড় করে রিয়েল ক্লিয়ার পলিটিকস্ দেখিয়েছে, বুধবার জাতীয়ভাবে ট্রাম্পের চেয়ে এক দশমিক সাত শতাংশ পয়েন্টে এগিয়ে ছিলেন হিলারি। এই ফলাফলে দেখা যায়, হিলারির পক্ষে ৪৭ শতাংশ এবং ট্রাম্পের পক্ষে ৪৫ দশমিক তিন শতাংশ মানুষ সমর্থন জানিয়েছেন।
বিশ্ববাজারে ‘ট্রাম্পভীতি’
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের কয়েকদিন বাকি থাকতে টানা দুদিন বৈশ্বিক পুঁজিবাজারে শেয়ার ও ডলারের দরপতন হয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, মূল দুই প্রতিদ্বন্দ¦ী প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি নির্বাচনী লড়াইয়ের ইঙ্গিত পেয়ে ঝুঁকি এড়াতে নিরাপদ বিনিয়োগের দিকে ছুটছেন বিনিয়োগকারীরা।
৮ নবেম্বর নির্বাচনের পরিণতি কোন দিকে গড়াবে সেই অনিশ্চয়তায় যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বন্ডের দর একসপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে ঠেকেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের অপরিশোধিত তেলের রেকর্ড পরিমাণ মজুদ হওয়ায় তেলেরও ব্যাপক দরপতন হয়েছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের চেয়ে হিলারি প্রেসিডেন্ট হলে যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজার ভাল চলবে বলে গত মাসে রয়টার্সের পুঁজিবাজার জরিপে পূর্বাভাস দিয়েছিলেন সংখ্যাগরিষ্ঠ বিশ্লেষকরা।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, যেই বিনিয়োগকারীরা ডেমোক্রেট পার্টির প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের জয় নিয়ে অনেক আগে বাজি ধরেছেন তারা নির্বাচনী দৌড়ে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের এগিয়ে যাওয়ার আলামত দেখে নতুন করে ভাবতে শুরু করেছেন। এর ফলে বিশ্বজুড়ে প্রধান পুঁজিবাজারগুলোতে চলতে থাকা দরপতন আরও ঘনীভূত হয়েছে।
এশীয় ও ইউরোপীয় পুঁজিবাজারগুলোতে দরপতনের পর দুর্বল হয়ে পড়া ওয়াল স্ট্রিটের প্রভাবে ‘অল ওয়ার্ল্ড’ নামে পরিচিত এমএসসিআইয়ের ৪৭ দেশের সাধারণ সূচক বুধবার শূন্য দশমিক ৭৪ শতাংশ পড়ে চার মাসের সর্বনিম্ন দরের কাছাকাছি নেমেছে।
 সোমবার প্রকাশিত রয়টার্স/ইপসস মতামত জরিপে ট্রাম্পের চেয়ে ক্লিনটন ৫ শতাংশীয় পয়েন্ট এগিয়ে থাকলেও অন্য জরিপগুলোতে দেখা যায়, ট্রাম্পকে এক থেকে দুই পয়েন্ট এগিয়ে রেখেছে।
 বোস্টনে ম্যানুলাইফ অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নেইল মাসা বলেন, “আজকের মূল চালিকাশক্তি নির্বাচন ঘিরে উদ্বেগ। মনে হচ্ছিল, ক্লিনটনই জিততে যাচ্ছেন এবং এখন যে ট্রাম্প গতি পাচ্ছে তাতে লোকজন উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ছে।”
যুক্তরাষ্ট্রের পুঁজিবাজারে দরপতনের পেছনে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক সুদের হার অপরিবর্তিত রাখারও কিছুটা অবদান রয়েছে। ডিসেম্বরে সুদের হার বাড়ানোর হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
তবে ফেডারেল রিজার্ভের এই সিদ্ধান্তকে ‘অস্বাভাবিক’ মনে করছেন না অ্যালান ল্যাঞ্জ, যিনি ওহাইয়োর টলেডোতে একটি বিনিয়োগ পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে কাজ করছেন।
“ এই বাজার এখন অনেকটাই নির্বাচনে কেন্দ্রীভূত,” বলেন অ্যালান বি ল্যাঞ্জ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের প্রেসিডেন্ট।
ছয়টি প্রধান মুদ্রার বিপরীতে ডলারের মূল্যসূচক ডিএক্সওয়াই বুধবার শূন্য দশমিক ৩৭ পয়েন্ট কমে ৯৭ দশমিক ৩৩৮ পয়েন্টে নেমেছে। পতনের ধারায় এর আগে এই সূচক তিন সপ্তাহের বেশি সময়ের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে ৯৭১৭৮ পয়েন্টে ঠেকেছিল।
ট্রাম্পের বিজয় মেক্সিকোর অর্থনীতিতে আঘাত হানতে পারে এই ভয়ে ডলারের বিপরীতে মেক্সিকান পেসো এক মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। বুধবার ডলারপ্রতি পেসোর মূল্য দাঁড়িয়েছে ১৯৪৬৬৭ পেসো।
নাক গলাবেন না ওবামা
দুইদিন আগেই এফবিআই পরিচালক জেমস কোমির সুরক্ষা নিশ্চিতের চেষ্টা করলেও এবার ওই কেন্দ্রীয় ওই মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাকে একহাত নিয়েছেন ওবামা। নির্বাচনের মাত্র কয়েকদিন আগে হিলারির ইমেইল পুনঃতদন্তে নেওয়া এফবিআই-এর সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করেছেন তিনি। হিলারির ইমেইল পুনঃতদন্তে নেওয়া এফবিআই-এর সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করলেও এই তদন্তের ব্যাপারে কোনওভাবেই নাক গলাবেন না মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।
বুধবার অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘নাও দিজ নিউজ’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসব কথা জানান ওবামা। এর দুইদিন আগে ওই একই সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এফবিআই-এর বিতর্কিত পরিচালক জেমস কোমির পক্ষে পরোক্ষ অবস্থান নিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। মুখপাত্রের মাধ্যমে জানিয়েছিলেন, তিনি মনে করেন না যে নির্বাচন প্রভাবিত করতে এফবিআই এমনটা করেছেন। তবে বুধবার ওবামা বলেছেন, অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে এফবিআই প্রধান বিষয়টি নিয়ে নতুন করে তদন্তের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তা প্রচলিত নিয়মের লঙ্ঘন। অবশ্য সোমবারের সাক্ষাৎকারেও ওবামা বলেছিলেন, কেন এফবিআই হিলারির ইমেইল পুনঃতদন্তের সিদ্ধান্ত নিলো, তার জবাব তীব্র সমালোচনার মুখে পড়া এফবিআই পরিচালক জেমস কোমিকেই দিতে হবে।
হিলারি যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালে ২০০৯-২০১৩ সাল পর্যন্ত ব্যক্তিগত সার্ভার থেকে ইমেইল আদান-প্রদান করেছিলেন। দীর্ঘ সময় ধরে আদান-প্রদান করা ইমেইলগুলোতে রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ অনেক বিষয়েরও উল্লেখ ছিল। যুক্তরাষ্ট্রে সরকারের নিয়ন্ত্রিত চ্যানেল ছাড়া ক্লাসিফায়েড তথ্য আদান-প্রদানের ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এ ধরনের অনিরাপদ চ্যানেলের মাধ্যমে অতি গোপনীয় ইমেইল ফাঁস হওয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে মনে করে মার্কিন সরকার। তবে ব্যক্তিগত সার্ভার ব্যবহারের কথা স্বীকার করলেও হিলারির দাবি, তিনি ভুল কিছু করেননি। হিলারির ব্যক্তিগত সার্ভার ব্যবহার করে ইমেইল আদান-প্রদানের কারণে আইন ভঙ্গ হয়েছে কিনা সে ব্যাপারে তদন্ত শুরু করে মার্কিন তদন্ত সংস্থা এফবিআই। গত ২৯ জানুয়ারিতে সংস্থাটির অনুরোধে হিলারির ২২টিরও বেশি ইমেইলকে ‘অতি গোপনীয়’ বলে ঘোষণা করে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দফতর। আর চলতি বছরের জুলাইয়ে কোমি জানিয়েছিলেন, ‘২০০৯-১৩ মেয়াদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন হিলারি ক্লিনটন অসতর্কভাবে বেশ কিছু গোপন তথ্য আদান প্রদান করেন। যা অপরাধমূলক কাজ। মূলত ফেডারেলের আইন ভঙ্গ করে নিজের ইমেইল সার্ভার ব্যবহার করে হিলারি এসব কাজ করেছিলেন।’ তবে ‘অনিচ্ছাকৃত ভুলের’ জন্য তার বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ দায়ের করেনি এফবিআই। তবে গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই-এর প্রধান জেমস কোমি বেশ হিলারির ব্যক্তিগত সার্ভারে বেশকিছু স্পর্শকাতর তথ্য পাওয়ার দাবি করে হিলারির ইমেইলগুলো নিয়ে পুনঃতদন্তের সিদ্ধান্ত জানান।
বুধবারের সাক্ষাৎকারে ওবামা বলেন, এফবিআই-এর এই তদন্তে তিনি কোনোভাবে নাক গলাতে চান না। নাক গলাচ্ছেন এমন কোনও ইঙ্গিতও দিতে চান না। তবে এই তদন্ত নতুন করে শুরু হওয়ায় তিনি সন্তুষ্ট নন। কারণ, এ বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে তদন্ত করা হয়েছে। ওই তদন্তের ভিত্তিতে এফবিআই ও বিচার বিভাগ একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিল। আর সেটা হচ্ছে, হিলারি ব্যক্তিগত সার্ভার ব্যবহার করে ভুল করেছেন। কিন্তু এর মাধ্যমে তিনি কোনও অপরাধমূলক কাজ তিনি করেননি। কংগ্রেসও এ বিষয়ে তদন্ত করে একই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছিল। এফবিআই-এর অতীত অবস্থানের সঙ্গে সুর মিলিয়ে ব্যক্তিগত সার্ভারে অফিসিয়াল ই-মেইল ব্যবহারকে হিলারির ‘অনিচ্ছাকৃত ভুল’ বলেও মন্তব্য করেন ওবামা। তিনি বলেন, ‘এখন এটা নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। তবে হিলারির ওপর আমার নিরঙ্কুশ আস্থা রয়েছে।’
তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের ফক্স ফ্রাইডে অনুষ্ঠানে এফবিআই পরিচালক জেমস কোমি জানিয়েছিলেন, ‘তদন্তকারীরা হিলারির মেইলগুলোতে কোনও বিশেষ তথ্য আছে বা কোনও বিশেষ বার্তা বহন করে কিনা, তারা তা খতিয়ে দেখছেন। এফবিআই ইতোমধ্যে ডেমোক্রাট প্রার্থীর ব্যক্তিগত ইমেইল সার্ভারে বেশ কিছু স্পর্শকাতর তথ্য পেয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, হিলারির ঘনিষ্ট ‘হুমা আবেদিন ও ওয়েনারের কাছ থেকে এফবিআই একটি ডিভাইস আটক করেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে ওয়েনার নর্থ ক্যারোলিনার এক ১৫ বছর বয়সী কিশোরীর কাছে যৌন হয়রানিমূলক বার্তা পাঠিয়েছেন।’ আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে ফাঁস হওয়া খবর থেকে জানা গেছে, মার্কিন কংগ্রেসের নেতাদের কাছে লেখা চিঠিতে কোমি জানিয়েছেন, সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি তদন্তকাজ পরিচালনার সময় তারা এমন তথ্যের সন্ধান পেয়েছেন, যা হিলারি ক্লিনটনের ই-মেইল তদন্তের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। সে কারণে এই তদন্ত নতুন করে শুরু করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। গোয়েন্দা সূত্রে সম্প্রতি কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংসবাদমাধ্যম জানায়, ইমেইলের বিষয়ে আদালতের আদেশ আসার পরও প্রায় ৩০ হাজার ইমেইল মুছে ফেলা হয়েছিল হিলারির ইমেইল সার্ভার থেকে, যা প্রমাণ লোপাটের অভিযোগকে প্রশ্নাতীত করে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ