ঢাকা, শুক্রবার 04 November 2016 ২০ কার্তিক ১৪২৩, ৩ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

পোশাক কারখানায় কর্মপরিবেশ অনেক উন্নত হয়েছে ---বিজিএমইএ

স্টাফ রিপোর্টার : আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন তৈরি পোশাক কারখানার কর্মপরিবেশ অনেক উন্নত বলে মন্তব্য করেছেন তেরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ সভাপতি মো. সিদ্দিকুর রহমান।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিজিএমইএ অ্যাপারেল ক্লাবে এডিবির অর্থায়নে ‘বিজিএমইএ- স্কিল ফর ইমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট পোগ্রাম (সেপ)’ প্রকল্পের প্রশিক্ষণ শেষে ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে একথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (জাতীয় প্রকল্প পরিচালক) মো. জালাল আহমেদ। এছাড়া বিইউএফটি এর ভিসি প্রফেসর ড. নিজাম উদ্দিন আহমেদসহ আরও অনেকে বক্তব্য রাখেন এতে। চলতি অর্থবছরে পোশাক রপ্তানি থেকে ভারতের আয় হবে ২ হাজার কোটি ডলার।
বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পরে একর্ড, এলায়েন্স এবং সরকার মিলে মোট ৩ হাজার ৭০০ কারখানা পরিদর্শন করেছে। এর মধ্যে ৩৯টি কারখানা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরিদর্শনের সময়ে অনেকে মনে করেছিল, এদেশে  তৈরি পোশাক ব্যবসা টিকবে না। কিন্তু আমাদের কারখানার কর্মপরিবেশ এখন অনেক উন্নত।
এই ব্যবসা অন্য কোথাও যাওয়ার সুযোগ নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, পোশাক রপ্তানিতে আমরা বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে আছি। আমাদের আগে রয়েছে চীন। এছাড়া ভিয়েতনাম আমাদের কাছাকাছি রয়েছে। মিয়ানমার ঠিকমতো কাজ করছে না। আফ্রিকার শ্রমিকরাও বেশি কাজ করে না। তবে আমাদের শ্রমিকরা অনেক পরিশ্রম করে। এজন্যই এই ব্যবসা অন্য কোথাও যাওয়ার সুযোগ নেই।
এই শিল্পের চ্যালেঞ্জগুলোর চিত্র তুলে ধরে সরকারের কাছে জরুরি ভিক্তিতে এনার্জি পলিসির দাবি জানান বিজিএমইএ সভাপতি। তিনি বলেন, পোশাক শিল্পে মিড লেভেলের কর্মকর্তাদের অভাব অনেক বেশি।
প্রসঙ্গত, ২০০ জন ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি পোশাক শিল্প-সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ের উপরে বিজিএমইএ ইনিস্টিটিউট অব ফ্যাশন টেকনোলজি (বিইউএফটি), ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি, ইন্টারটেক ও ইনস্টিটিউট অব এপারেল ম্যানেজমেন্ট (চট্টগ্রাম) থেকে সফলভাবে প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করেছেন। এদের মধ্যে অনেকেই চাকরিতে যোগদান করেছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ