ঢাকা, শুক্রবার 04 November 2016 ২০ কার্তিক ১৪২৩, ৩ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

৪ অস্ত্র সরবরাহকারী গ্রেফতার ॥ তিনদিনের রিমান্ডে

স্টাফ রিপোর্টার : গুলশান হামলায় ব্যবহৃত গ্রেনেড তৈরির কাঁচামাল ও অস্ত্র সরবরাহ করার অভিযোগে চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এরা হলেন- মো. আবু তাহের (৩৭), মিজানুর রহমান (৩৪), মো. সেলিম মিয়া (৪৫) ও তৌফিকুল ইসলাম ওরফে ডা. তৌফিক (৩২)। সবাই জেএমবির সক্রিয় সদস্য।
ঢাকা মহানগর পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ও ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট বুধবার রাতে রাজধানীর দারুসসালামে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে বলে ডিএমপির উপ-কমিশনার (গণমাধ্যম) মো. মাসুদুর রহমান জানান। তিনি বলেন, “এ সময় তাদের হেফাজত থেকে হ্যান্ডমেড গ্রেনেড তৈরির মূল উপকরণ ৭৮৭টি ডেটোনেটর ও একটি ৯ এমএম বিদেশী পিস্তল উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র ও বিস্ফোরক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে বলে এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান। মাসুদুর বলেন, “ গ্রেপ্তারকৃতরা দেশব্যাপী চালানো সাম্প্রতিক নব্য জেএমবির হত্যাকান্ডগুলোতে ব্যবহৃত গ্রেনেডের ডেটোনেটর, জেল ও অস্ত্র ভারত থেকে চোরাচালানের মাধ্যমে নিয়ে আসত।”এদের মধ্যে মিজানুর রহমান চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেএমবির নেতৃত্বে রয়েছে জানিয়ে এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, তিনি ‘বড় মিজান, ‘ ছোট মিজান’ ও ‘তারা’ নামও ব্যবহার করতেন।“ধারণা করা হচ্ছে, ঢাকায় নতুন করে কোনো নাশকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে গ্রেপ্তারকৃত জেএমবির বর্তমান নেতৃত্বের নির্দেশ ও পরামর্শ মোতাবেক এই ডেটোনেটর ও অস্ত্র ঢাকায় নিয়ে আসে।”
এসব অস্ত্রশস্ত্র চোরাচালানের পর ছোট মিজান ওরফে তারা গুলশান হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী তামিম চৌধুরী ও মারজানের কাছে পৌঁছে দেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে।
তিনদিনের রিমান্ডে
অস্ত্র সরবরাহকারী চার জেএমবি সদস্যের তিনদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট স্নিগ্ধা রানী চক্রবর্তী এ আদেশ দেন।
মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের অপরাধ, তথ্য ও প্রসিকিউশন বিভাগের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মিরাস উদ্দিন  জানান, দারুস সালাম থানায় দায়ের করা মামলায় পুলিশ তাদের আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন  করে। বিচারক শুনানি শেষে প্রত্যেকের তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ