ঢাকা, রোববার 06 November 2016 ২২ কার্তিক ১৪২৩, ৫ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

খুলনার ফায়ার সার্ভিস আধুনিকায়নের উদ্যোগ

খুলনা অফিস: বাংলাদেশের অর্থনীতি যত এগিয়ে চলছে, ততই ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের চাহিদা বাড়ছে।
নগরায়ন ও শিল্পায়নের সঙ্গে অগ্নিঝুঁকিও বেড়ে উঠছে। তাছাড়া ভূমিকম্পসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি রয়েছেই। পাশাপাশি ফায়ার স্টেশনের সংখ্যা না বাড়ায় অগ্নিদুর্ঘটনায় হতাহত ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ বেড়ে গেছে।
এমন অবস্থায় ফায়ার সার্ভিস বিভাগকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার পক্ষে বর্তমান সরকার নীতিগত অবস্থান নিয়েছেন। এরই ধারাবহিকতায় খুলনা বিভাগ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স উপজেলায় নতুন ফায়ার স্টেশন নির্মাণ ও অগ্নি নির্বাপক জলযান সংযুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছেন।
খুলনা বিভাগ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সূত্রে জানা গেছে, খুলনা বিভাগে ১১টি পয়েন্টকে দুর্ঘটনা প্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে মাগুরা শহর, নওয়াপাড়া ব্রীজ পার হয়ে মোল্লাহাট, কুষ্টিয়া লালনশাহ ব্রীজ, ঝিনাইদহ, যশোর থেকে বেনাপোল রোড, খর্ণিয়া ব্রীজ থেকে সাতক্ষীরা রোড, যশোর কালিগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা দর্শনার এলাকা, যশোর-নওয়াপাড়া থেকে বসুন্দিয়া। মহানগরীতে অগ্নি নির্বাপক ৬টি ফায়ার ফাইটিং মোটরসাইকেল সর্বক্ষণ টহলে থাকে। এর মধ্যে জিরো পয়েন্ট থেকে ফকিরহাট নওয়াপাড়া দুইটি মোটরসাইকেল আছে।
এছাড়া দুর্ঘটনা কবলিত মানুষদের বাদে সাধারণ জনগণের প্রয়োজনে মুমূর্ষু রোগীদের (সংক্রামক রোগী ছাড়া) ফায়ার সার্ভিসের নিজস্ব এম্বুলেন্স ভাড়া দেয়া হচ্ছে। নন এসি (সাধারণ) এম্বুলেন্সে ৮ কিলোমিটার মধ্যে ১০০ টাকা, এসি গাড়ি ১২০ টাকা এবং ১৬ কিলোমিটার মধ্যে ১৫০ টাকা এর বাইরে গেলে প্রতি কিলোমিটারের জন্য ৯ টাকা হারে সার্ভিস চার্জ নেয়া হয়।
দাকোপ, বটিয়াঘাটা, কয়রা, পাইকগাছা ও ফুলতলায় ফায়ার স্টেশন নেই। জমি পাওয়া গেলে জমি অধিগ্রহণের মাধ্যমে কয়রা ফায়ার স্টেশন পরিকল্পনা রয়েছে। নাটকে অভিনয় করেছেন। এছাড়া চোখে পড়ার মতো তেমন কোনো কাজে সময় দিতে পারেননি তিনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ