ঢাকা, রোববার 06 November 2016 ২২ কার্তিক ১৪২৩, ৫ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

বন্ধ হয়নি অবৈধ ডায়াগনষ্টিক সেন্টার

আগৈলঝাড়া (বরিশাল) সংবাদদাতা : সিভিল সার্জনের নির্দেশের এক মাস পরেও বরিশালের আগৈলঝাড়ায় বন্ধ করা হয়নি অবৈধ ডায়গনষ্টিক সেন্টার। এ ঘটনায় চিকিৎসা সেবা নিতে আসা সাধারণ লোকজন প্রতারিত হওয়ার পাশাপাশি বৈধ ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের মালিকরা হয়েছেন চরম ক্ষুব্ধ। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২৪ সেপ্টেম্বর বরিশাল সিভিল সার্জন ডা. এএফএম শফিউদ্দিন স্বাক্ষরিত সিএসবি ১৬ নং স্মারকে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা আগৈলঝাড়া উপজেলা হাসপাতালের সামনে সন্যামত ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, জান্নাত ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, বারপাইকা মেটারনিটি হাসপাতাল ও ডায়াগনষ্টিক সেন্টার এবং উপজেলা সদরের জনসেবা মেডিকেল সার্ভিস বন্ধের নির্দেশ প্রদান করেন। ওই চিঠিতে আরও বলা হয়েছে ওই অবৈধ ডায়াগনষ্টিক সেন্টারগুলো লাইসেন্স না করা এবং সরকারী বিধি বিধানের আওতায় না আসা পর্যন্ত বন্ধের নির্দেশ কার্যকর থাকবে। কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য চিঠির অনুলিপি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও ইউএইচএএফপিও’কে প্রদান করাহয়। সিভিল সার্জনের নির্দেশের এক মাস পেরিয়ে গেলেও পূর্বের মতই অবৈধভাবে এসকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা রেখে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে তারা। ফলে গ্রাম থেকে আসা সহজ সরল রোগীরা তাদের পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। অন্যদিকে সিভিল সার্জনের নির্দেশের পরেও অবৈধ ডায়াগনষ্টিক সেন্টার বন্ধ না হওয়ায় বৈধ ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের মালিকরা প্রশাসনের উপর চরম ক্ষুব্ধ হয়েছেন। নাম না প্রকাশের শর্তে একাধিক ডায়াগনষ্টিক সেন্টারের মালিকরা জানান, সরকার যদি অবৈধ ডায়াগনষ্টিক সেন্টার বন্ধ না করে তাহলে সরকারকে তারা কেন প্রতি বছর কাগজপত্র নবায়ন করে রাজস্ব দিয়ে মোটা বেতনে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত কর্মচারী রেখে কাজ করবেন! তার থেকে তো ছয়মাস পর একদিন মোবাইল কোর্টে ৫শ বা ১ হাজার টাকা জরিমানা দেয়াও তাদের জন্য লাভ বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তারা। এ ব্যাপারে থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, তার কর্ম সময়ের মধ্যে (দুই বছর) চার থেকে পাঁচ বার সিভিল সার্জনের এরকম আদেশ পেয়ে অবৈধ ডায়াগনস্টিক সেন্টার পুলিশ গিয়ে বন্ধ করে আসলেও এর কয়েক দিন পর অজ্ঞাত কারণে আবার তা খোলা দেখা যায়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়ায় অথবা অজ্ঞাত কারণেই এগুলো খোলা থাকে। এব্যাপারে সিভিল সার্জন ডা. এএফএম শফিউদ্দিন এক মাসেও তার নির্দেশ কার্যকর না হওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, দু’এক দিনের মধ্যে নির্দেশ কার্যকর করার জন্য উপজেলা হাসপাতাল প্রধানকে বলা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ