ঢাকা, রোববার 06 November 2016 ২২ কার্তিক ১৪২৩, ৫ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

বিএনপির সমাবেশের আবেদন পায়নি ডিএমপি ॥ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা -কমিশনার

স্টাফ রিপোর্টার : নয়া পল্টনে সমাবেশের অনুমতি চেয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে এখনও কোনো আবেদন না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন ঢাকার পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। গতকাল শনিবার সকালে মিরপুর পুলিশ লাইন্সের পাবলিক অর্ডার ম্যানেজমেন্ট মিলনায়তনে পুলিশের বিশেষ শাখা স্পেশাল উইপন্স অ্যান্ড ট্যাকটিস- সোয়াটের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সদস্যদের  মধ্যে সনদ বিতরণের পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।
‘বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ এর অংশ হিসেবে প্রথমে ৭ ও পরে ৮ নবেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করার অনুমতি চেয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের কাছে আবেদন করেছিল বিএনপি। কিন্তু পুলিশ সোহওরায়ার্দীতে সমাবেশের অনুমতি দেয়নি।
পরে ৮ নবেম্বর নয়া পল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশের অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছে বলে শুক্রবার বিকালে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানান।
বিএনপির সমাবেশের অনুমতি বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ কমিশনার আছাদুজ্জামান বলেন, “নয়া পল্টনে সমাবেশের অনুমতি চেয়ে বিএনপির কাছ থেকে আমরা কোনো চিঠি পাইনি। চিঠি পেলে নিরাপত্তার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।”
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপিসহ বেশ কয়টি দল সেখানে (সোহওয়ার্দী উদ্যান) ৭ নবেম্বর সমাবেশ করার আবেদন করেছে। সার্বিক নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সেখানে কাউকে অনুমতি দেয়া হয়নি।’
এর আগে সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে বক্তব্যে তিনি বলেন, “বাংলার মাটিতে কোনো জঙ্গির স্থান হবে না। যেকোনো মূল্যে জঙ্গিবাদকে নির্মূল করা হবে।” তিনি বলেন, “সাম্প্রতিক সময়ে সোয়াট-এর প্রয়োজনীয়তা ব্যাপক। আমরা গুলশান হামলার পর সোয়াটের প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করেছি। সোয়াট সদস্যদের সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ২০ জন পুলিশ সদস্যকে এক মাসের বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়েছি। “বর্তমানে সোয়াটের সদস্য ৭০ জনে দাঁড়িয়েছে। অচিরেই আমরা ১০০ জনের সুপ্রশিক্ষিত সোয়াট টিম গঠন করবো, যা জঙ্গিবাদ দমনে বিশেষ ভূমিকা রাখবে।” তিনি প্রশিক্ষিত সোয়াট সদস্য ও প্রশিক্ষকদেরকে সনদ, সম্মাননা ও আর্থিক পুরস্কার তুলে দেন।
হলি আর্টিজানে জঙ্গি হামলায় অস্ত্র সরবরাহকারীদের বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘জঙ্গি হামলার ঘটনায় অস্ত্র ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক ডেটোনেটর সরবরাহকারীদের বিষয়ে অনেক তথ্য পেয়েছে পুলিশ। তবে তদন্তের স্বার্থে তা বলা যাবে না।’ ‘আমরা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছি, তাদের কাছ থেকে আরও তথ্য বের করতে প্রয়োজনে আবারও তাদের রিমান্ডে নেয়া হতে পারে।’ সম্পূর্ণ বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মো. শাহাবউদ্দিন কোরেশি, কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান অতিরিক্ত কমিশনার মো. মনিরুল ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের একজন প্রতিনিধি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ