ঢাকা, রোববার 06 November 2016 ২২ কার্তিক ১৪২৩, ৫ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

সংখ্যালঘু নির্যাতন আওয়ামী লীগের নেশা এবং পেশা

বাঁশখালীতে এলডিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন দলের চেয়ারম্যান ড. কর্নেল অলি আহমদ বীর বিক্রম -সংগ্রাম

বাঁশখালী (চট্টগ্রাম) সংবাদদাতা : এলডিপির চেয়ারম্যান সাবেক যোগাযোগ মন্ত্রী ড. কর্নেল অলি আহমদ (অব:) বীর বিক্রম বলেছেন, সংখ্যালঘু নির্যাতন আওয়ামী লীগের নেশা এবং পেশা। সরকারের মন্ত্রী-এমপি এবং দলীয় নেতারা আজ সারা দেশে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘরে লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগ করছে। বি বাড়িয়ার নাছিরনগরে হামলা তার স্পষ্ট প্রমাণ। তিনি আরো বলেন, এদেশে সবচেয়ে বেশি সংঘ্যালঘু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ১৯৭২ সালে। তখন এদেশে আওয়ামী লীগ ছাড়া কোন দল ছিল না।
গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় এলডিপির ১০ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাঁশখালী পৌর শহরের গ্রীনপার্ক কমিউনিটি সেন্টারে উপজেলা ও পৌর এলডিপি আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে তিনি প্রধান অথিতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। বাঁশখালী উপজেলা এলডিপির সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান আবদুস সবুর চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অথিতি ছিলেন এলডিপির যুগ্ম মহাসচিব ও চট্টগ্রাম বারের সভাপতি অ্যাডভোকেট কফিল উদ্দিন চৌধুরী।
পৌরসভা এলডিপির আহবায়ক আনিসুর রহমানের পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে কর্নেল অলি আহমদ আরো বলেন, বর্তমানে দেশে আইনের শাসন নেই। দেশে চলছে আওয়ামী শাসন। একটি অনির্বাচিত সরকার আজ মানুষের মাথার উপর চেপে বসেছে। এই অবস্থা দীর্ঘদিন চলতে পারে না।
দেশে গুম এবং খুনের রাজনীতি চলছে উল্লেখ করে এলডিপি চেয়ারম্যান বলেন, আগামী ৬ মাসের মধ্যে দেশে অবাধ নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। আর ক’দিন পরই মানুষ রাস্তায় নেমে পড়বে বলেও হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেন তিনি। কিছু দুর্নীতিবাজ পুলিশ ও কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা অবৈধ সরকারকে সহযোগিতা করে দেশ ধ্বংসের জন্য দায়ী।
 কর্নেল অলি আহমদ বলেন, ১০ টাকায় চাল খাওয়ানোর কথা বলে এই সরকার ক্ষমতায় এলেও লীগ নেতাকর্মী ছাড়া কাউকেই ১০ টাকা চালের কার্ড দেয়া হয়নি। সর্বত্র লুটপাট আর দুর্নীতি চলছে।
দক্ষিণ জেলা এলডিপির নেতা এডভোকেট ফয়জুল আমিন, চন্দনাইশ পৌর এলডিপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব আঈনুল কবির, প্রবাসী এলডিপির প্রচার সম্পাদক আমিন উল্লাহ, উপজেলা বিএনপির সেক্রেটারি চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিল, বিএনপি নেতা চেয়ারম্যান মাস্টার লোকমান আহমদ ও বিএনপি নেতা দেলোয়ার আজীমসহ অনেকে সমাবেশে অংশ নিলেও এলডিপি ছাড়া অন্য কোন দলের নেতাদের বক্তব্য রাখতে দেখা যায়নি।
 সমাবেশ থেকে পূর্বে কমিটি বিলুপ্ত করে চেয়ারম্যান আবদুস সবুরকে আহবায়ক করে উপজেলা এলডিপি এবং আনিসুর রহমানকে আহবায়ক করে পৌরসভা এলডিপির কমিটি ঘোষণা করা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ