ঢাকা, রোববার 06 November 2016 ২২ কার্তিক ১৪২৩, ৫ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

রাজশাহী অঞ্চলে এক সপ্তাহে চার শিশুসহ পাঁচজন ধর্ষণের শিকার

রাজশাহী অফিস : রাজশাহী অঞ্চলে গত এক সপ্তাহে পাঁচজন নারী ও শিশু ধর্ষণে শিকার হয়েছে। এর মধ্যে চারজন শিশু ও একজন নারী। এসব ঘটনায় মামলা হলেও পুলিশ নগরীর ষষ্ঠীতলা ও গোদাগাড়ীর মিলে দুই ঘর্ষককে আটক করেছে পুলিশ। আর বাকিগুলোর মামলা হলেও তাদের আটক করতে পারেনি পুলিশ।
এ ধর্ষণের ঘটনার মধ্যে বুধবার রাত ৮টার দিকে পুঠিয়া ৬ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত সোহান উপজেলার ধোপাপাড়া গ্রামের সাইফুলের ছেলে ও স্থানীয় উচ্চ বিদ্যালয়ের জেএসসি পরীক্ষার্থী। স্থানীয়রা জানায়, সোহান শিশুটিকে কৌশলে ডেকে নিয়ে তার বাড়ির কাছের ব্রাক স্কুলের পিছনে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় শিশুটির চিৎকারে এলাকাবাসী ছুটে এলে সে পালিয়ে যায়। একই দিনে রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে সপ্তম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণ করায় শহিদুল ইসলাম নামে এক শিক্ষক কাম লাইব্রেরিয়ানকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর মা থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন। আটক শহিদুল ইসলাম উপজেলার দিগরাম উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কাম লাইবেরিয়ান এবং জাহানাবাদ গ্রামের দাউদ আলীর ছেলে। গত রোববার রাজশাহী মহানগরীতে চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠে। রোববার সন্ধ্যায় নগরীর ষষ্ঠীতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জাহিদ (৪০) নামে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে স্থানীয় লোকজন আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। আটক জাহিদ রাজশাহীর চারঘাট উপজেলার সাদিপুর গ্রামের ইসমাইলের ছেলে। জাহিদ পেশায় একজন নির্মাণ শ্রমিক। একই দিনে মোহনপুর উপজেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মাস্টার্স পড়ুয়া ছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা অভিযোগ উঠেছে শিক্ষকের বিরুদ্ধে। ঐ শিক্ষককে আসামী করে মোহনপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা দায়ের হয়েছে। গত শুক্রবার রাজশাহীর পবার কাঠালবাড়িয়ার ৪ বছরের এক শিশুকে মোবাইল ফোন দেয়ার কথা বলে গত রোববার দুপুর বেলায় বাড়ির পাশের একটি জমিতে ডেকে ধর্ষণ করে একই এলাকার যুবক রুহুল আমিন। এ ঘটনায় রোববার রাতেই ধর্ষককে গ্রেফতার করে পুলিশ। সোমবার বিকেলে শিশুটিকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ