ঢাকা, সোমবার 21 November 2016 ৭ অগ্রহায়ন ১৪২৩, ২০ সফর ১৪৩৮ হিজরী
Online Edition

প্রাতিষ্ঠানিক টেকসই মডেল

মো. আবুল হাসান/খন রঞ্জন রায় : বিশ্বজুড়েই গ্রাম হলো গোষ্ঠীবদ্ধ বাসস্থানের ক্ষুদ্রতম একক। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে প্রশাসনিক অবকাঠামোর সর্বনিম্নতম ধাপ। পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার একটি বৃহত্তম অংশ গ্রাম এলাকায় বসবাস করে ন্যূনতম মৌলিক চাহিদা থেকে বঞ্চিত হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। জনসংখ্যার দ্রুত বৃদ্ধি, বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশের জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি, বেকারত্ব, দারিদ্র্যতা, নিরক্ষরতা, কুসংস্কার, অনুন্নত কৃষি ব্যবস্থা-উৎপাদিত ফসলের স্বল্পতা, অভাব, অনটন চিকিৎসার অভাব, কৃষি উপকরণের অভাব, মূলধনের অভাব প্রভৃতি কারণ গ্রামের দরিদ্র মানুষদের জর্জরিত করে তুলে। এইসব বহুবিধ সমস্যা দূর করাই গ্রাম উন্নয়নে টেকসই পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তার উপলব্ধি।
যে কোন দেশেই আঞ্চলিক পরিকল্পনায় গ্রাম উন্নয়নের কথা বিবেচনা মাথায় রেখে পরিকল্পনা করা হয়। সমগ্র বিশ্বজুড়ে দ্রুত নগরায়ণ সত্ত্বেও বিপুলসংখ্যক লোক এখনও গ্রামীণ জীবনধারা অব্যাহত রেখেছে এবং এরা প্রধানত কৃষির ওপর নির্ভরশীল। একারণেই আঞ্চলিক পরিকল্পনায় গ্রাম উন্নয়নের প্রাসঙ্গিকতা বেশি গুরুত্বের সাথে দেয়া হয়ে থাকে। বিশ্বব্যাংকের একটি গবেষণা প্রবন্ধে  (১৯৭৫) বলা হয়েছে, গ্রাম উন্নয়ন হলো এমন একটি কৌশল, যার মাধ্যমে গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অর্থনীতিক ও সামাজিক জীবনমান উন্নয়ন করা যায়। এই উন্নয়ন কৌশলের মাধ্যমে গ্রামীণ উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির পন্থা চিহ্নিত করা। গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর ও সমাজের আধুনিকায়নও গ্রাম উন্নয়ন  শর্তে অন্তর্ভুক্ত। অধিকন্তু গ্রামকে বিচ্ছিন্ন  জনপদের চিরায়ত বৈশিষ্ট্য দূর করে জাতীয় উন্নয়নের মূল স্রোতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট করাও গ্রাম উন্নয়নের অন্যতম উদ্দেশ্য। গ্রাম উন্নয়ন বলতে গ্রামীণ উৎপাদনশীলতার বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের প্রসার, গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর খাদ্য, আশ্রয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য  প্রভৃতি মৌলিক চাহিদার ন্যূনতম সংস্থান বা প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা উপরই নির্ভর করে।
জাতীয় উন্নয়নের মতো গ্রাম উন্নয়নের পরিকল্পনার ক্ষেত্রেও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, সুষম বণ্টন এবং মৌলিক চাহিদা পূরণ প্রভৃতি তাত্ত্বিক দৃষ্টিকোণের উপর জোর দেয়া হয়ে থাকে। উন্নয়ন পরিকল্পনার পরিবর্তে সুষম বণ্টনের প্রতি বেশি জোর দেয়া অনেক সময় ভুল বলে প্রমাণিত হয়েছে, এতে করে দারিদ্র্যই সুষম বণ্টিত হয়েছে, সম্পদের নয়। সম্পদ বণ্টনের পূর্বে সম্পদ সৃষ্টি করাও প্রয়োজন। অনেক ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ব্যাপকভাবে বৈষম্যের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সাম্প্রতিক গবেষণায়  দেখা গেছে দেশের সার্বিক অর্থনীতির প্রভৃতি উন্নতির ফলে বণ্টন বৈষম্যের কারণে ফসল উৎপাদনের কৃষকরা দরিদ্র থেকে আরো দরিদ্র হচ্ছে। 
অথচ কৃষির উপর গ্রামের তথা তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর উন্নয়ন ও কল্যাণ নির্ভর করে। ভূমির খণ্ড-বিখণ্ডতা, সনাতন চাষ পদ্ধতি, পানি সেচের অভাব, বৈজ্ঞানিক চাষাবাদ সম্পর্কে কৃষকদের অজ্ঞতা ও দারিদ্র্যতা কৃষির প্রদান সমস্যা। পৃথিবীর প্রায় সবদেশের কৃষকদের অধিকাংশই নিরক্ষর। আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি সম্পর্কে তাদের পুঁথিগত কোনো শিক্ষা নেই বললেই চলে। এজন্য তারা গোঁড়া, অদৃষ্টবাদী, কুসংস্কারাচ্ছন্ন এবং আধুনিক কৃষিযন্ত্রপাতি ও বিভিন্ন উপকরণের ব্যবহার সম্পর্কে অজ্ঞ ও উদাসীন। কৃষি ও কৃষকের শিক্ষা উন্নয়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নতি বিধান করা ব্যতীত গ্রাম থেকে দারিদ্র্য নিরসন করা যাবে না। ভূমির মালিকানায় সামঞ্জস্য নিয়ে এসে এবং আয় বৈষম্য দূর করে গ্রাম থেকে অনেকাংশে দারিদ্র্য নিরসন করা সম্ভব। উদ্বৃত্ত খাসজমি, অনাবাদি পতিত জমি এবং নতুন জেগে উঠা চর ভূমিহীন এবং নদীভাঙনে সর্বস্বান্ত মানুষদের মধ্যে সুষম বণ্টনের ব্যবস্থা করার জন্য ভূমি/আমিনশিপ ডিপ্লোমা পেশাজীবীর মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে সমাধানের পথ খুঁজতে হবে।
গ্রামীণ এলাকায় আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো খুব দুর্বল। তাই গ্রামীণ উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রাম এলাকার রাস্তা-ঘাট, সেতু, স্কুল, কলেজ, হাসপাতাল, বিদ্যুৎ সরবরাহ, পানি সরবরাহ, স্বাস্থ্য সুবিধা ইত্যাদিও আর্থ-সামাজিক অবকাঠামোর উন্নয়ন হলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। গ্রামের ভৌগলিক অবস্থান, খনিজ, জলজ, বনজ, জনগণের শিল্প, শিক্ষা, সাহিত্য, সাংস্কৃতিক প্রয়োজনে নতুন নতুন বিষয়ে ডিপ্লোমাধারী জনবল তৈরির মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করা লাগবে। গ্রাম এলাকায় প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ সুযোগ সুবিধা খুবই সীমিত। ডিপ্লোমা ইন ব্যাংকিং প্রযুক্তিবিদ্যায় দক্ষ প্রশিক্ষিতদের নিয়োগ নিশ্চিত করে গ্রামীণ এলাকায় ব্যাংকের শাখা বিস্তার ঘটাতে হবে। এতে উন্নয়ন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হয়ে গ্রামীণ ঋণ ব্যবস্থা প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তির উপর দাঁড়াবে।
গ্রামের সমস্যাগুলো পরস্পর ঘনিষ্ঠ ও অবিচ্ছেদ্য। বিভিন্ন সমস্যার কারণে দারিদ্র্যের দুষ্ট চক্র গ্রামবাসীদের বেষ্টন করে রেখেছে। কোন স্বতন্ত্র ব্যক্তির পক্ষে এতসব সমস্যা দূর করা সম্ভব না। এই সমস্যাগুলো মোকাবেলা করার জন্য সমন্বিত ও বহুমুখী কার্যক্রম গ্রহণ করা প্রয়োজন। প্রকৌশল বিষয় প্রতিটি গ্রামের জনশক্তির চাহিদা মোতাবেক ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স, কম্পিউটার কমিউনিকেশন অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং, ডাটা টেলিকমিউনিকেশন অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং। কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ারকন্ডিশনিং, ইন্সট্রুমেন্টেশন অ্যান্ড প্রসেস কন্ট্রোল, আর্কিটেকচার অ্যান্ড ইন্টেরিয়ার ডিজাইন, আর্কিটেকচার, অটোমোবাইল, মেকানিক্যাল, সিভিল, সিভিল (উড), মাইনিং অ্যান্ড মাইন সার্ভে, টেলিকমিউনিকেশন মেকাট্রনিক্স, কন্সট্রাকশন, এনভায়রনমেন্টাল, কেমিক্যাল, পাওয়ার, সার্ভেয়িং, প্রিন্টিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, পাইপ ফিটিংস ইত্যাদি বিষয়ে ৪ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমাপ্রাপ্ত দক্ষ জনবলের যোগান প্রতিটি গ্রামকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করবে।
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার সংজ্ঞা অনুসারে ‘স্বাস্থ্য বলতে কেবলমাত্র রোগমুক্ত দেহ বুঝায় না, রোগ-ভোগ সম্বন্ধে জনগণের সচেতনতাকেও বুঝায়’। পৃথিবীর সব দেশে স্বাস্থ্য একটি মৌলিক অধিকার হিসাবে স্বীকৃত। গ্রাম অঞ্চলে সুস্থ মানুষরা কৃষি কাজে সাফল্য আনতে পারে। আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার সহায়তায় অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য নানা প্রকার কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। এর ফলে এই সব দেশে শিশুমৃত্যুর হার আগের চেয়ে অনেক কম। কোন দেশে জনস্বাস্থ্য পরিস্থিতি পরিমাপের জন্য শিশুমৃত্যুহার প্রতি হাজারে ১০৭ এবং গ্রামীণ এলাকায় ১১৮ ধরা হয়। গ্রাম এলাকার অনেক লোক, বিশেষ করে শিশু ও মা পুষ্টিহীনতায় ভুগছে। গ্রাম ৭০% শিশু অপুষ্টির শিকার।
তৃণমূলে চিকিৎসাবিদ্যায় বিভিন্ন বিষয়ে ডিপ্লোমা কোর্স চালু করে ১। মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ২। মেডিকেল টেকনোলজি ৩। ল্যাবরেটরি মেডিসিন ৪। ডেন্টাল ৫। রেডিওলজি অ্যান্ড ইমজিং ৬। ফিজিওথেরাপি ৭। ফার্মেসি ৮। নার্সিং ৯। অপটিক্যাল রিফ্রাকশন ১০। রেডিওথেরাপি ১১। স্যানেটারি ইন্সপেক্টর ১২। ডেন্টাল অ্যাসিস্ট্যান্ট ১৩। ডেন্টাল হাইজিন ১৪। ডেন্টাল নার্স ১৫। ডেন্টাল ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ান ১৬। মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল  ইন্সট্রুমেন্ট টেকনোলজি ১৭। ব্লাড ব্যাংক টেকনোলজি ১৮। আই টেকনোলজি ১৯। এনেসথেসিয়া টেকনোলজি ২০। ইসিজি টেকনোলজি ২১। হোমিওপ্যাথিক ২২। হোমিওপ্যাথিক নার্স ২৩। হোমিওপ্যাথিক ফার্মাসিস্ট ২৪। মিডওয়াইফ ২৫। অপারেশন থিয়েটার (ওটি) ২৬। হেয়ার কাটিং অ্যান্ড ফ্যাশন ডিজাইন ২৭। ইউনানি অ্যান্ড আয়ুর্বেদীয় ফার্মাসিস্ট, ২৮। আয়ুর্বেদীয় চিকিৎসকের মাধ্যমে গ্রামীণ স্বাস্থ্য উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।
গ্রামের প্রাইমারি স্কুলগুলোতে ডিপ্লোমা ইন এডুকেশন ডিগ্রিধারীদের নিয়োগদানের মাধ্যমে গ্রামীণ শিক্ষা ব্যবস্থার বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটাতে হবে। জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় শ্রমশক্তি যে হারে বৃদ্ধি পায় সেই তুলনায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়নি, ফলে ক্রমশই বেকারত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। স্থানীয় কাঁচামাল নির্ভর কুটির শিল্প স্থাপন, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ, হাঁস-মুরগির খামার, ছাগল-ভেড়া, গরুর খামার, মাছের খাবার তৈরি প্রভৃতি উপার্জনমুখী অর্থনৈতিক প্রকল্প গ্রহণ করে নতুন নতুন কর্মসংস্থানের সৃষ্টিশীল শিক্ষায় উদ্বুদ্ধ করা প্রয়োজন।
দক্ষ জনসংখ্যা না হলে গ্রাম উন্নয়ন ধীর গতি সম্পন্ন হয় কর্মক্ষমতা ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি জন্য ডিপ্লোমা শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ দরকার। শ্রমের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পেলে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়।
প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশের জনশক্তি দক্ষতে পরিণত করা হলে বিদেশেও দক্ষ শ্রম শক্তির প্রেরণ সম্ভব হবে। যে শিক্ষা শিক্ষার্থী তার বাস্তব জীবনে কাজে লাগিয়ে কোন একটি পেশাকে বেছে নিতে পারে তাই ডিপ্লোমা শিক্ষা। উপযুক্ত বৃত্তি বা পেশা নির্বাচনের জন্য দক্ষতামূলক যে শিক্ষা তাকে দেওয়া হয় তাই ডিপ্লোমা শিক্ষা। শিক্ষা গ্রহণের পর শিক্ষার্থীকে বা ব্যক্তিকে আর চাকরির জন্য অপেক্ষা করতে হয় না। সে নিজেই অর্জিত শিক্ষার সাথে মিল রেখে স্বাধীনভাবে পেশা খুঁজে নিতে পারে। ডিপ্লোমা শিক্ষার প্রধান শর্ত হলো ধৈর্য্য, পরিশ্রম ও অনুশীলন। দক্ষতাই উন্নয়ন-এ কথাটি শিক্ষার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। এ শিক্ষার প্রধান সাফল্য ব্যবহারিক ক্ষেত্রে প্রয়োগ। এর উদ্দেশ্য শিক্ষার্থী বা ব্যক্তিকে পরবর্তী জীবনে নির্দিষ্ট কোন বিষয়ে দক্ষ করে তোলা, নিজ নিজ উদ্যোগে স্থানীয় ছোট ছোট শিল্পের প্রসার ঘটানো, স্বাধীনভাবে পছন্দ অনুযায়ী বৃত্তি নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের প্রাকৃতিক ও মানব সম্পদকে প্রকৃষ্টভাবে কাজে লাগিয়ে কর্মীর হাতে পরিণত করা।
যে কোন দেশের গ্রামীণ সম্প্রদায়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ডিপ্লোমা শিক্ষার হার কম। প্রতিটি দেশেই গ্রাম এলাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কম এবং শিক্ষার অন্যান্য সুযোগ সুবিধাও খুবই সীমিত। প্রায় প্রতিটি গ্রামেই একাধিক সরকারি বেসরকারি স্কুল আছে। কিন্তু প্রয়োজনীয় ডিপ্লোমা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নাই।
 “গ্রাম উন্নয়নে বিভাগীয় ডিপ্লোমা শিক্ষা বোর্ড” স্লোগান নিয়ে ২৫ নভেম্বর বিশ্বব্যাপী পালন করা হয় বিশ্ব ডিপ্লোমা শিক্ষা দিবস। এই ঐতিহাসিক স্লোগান বিশ্বব্যাপী তৃণমূল ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউট নির্মাণে সাড়া জাগাচ্ছে। প্রত্যান্ত অঞ্চলের ডিপ্লোমা ইনস্টিটিউটে নিজ বাড়ীতে বসে মাধ্যমিক উত্তীর্ণ ছেলেমেয়েরা ডিপ্লোমা শিক্ষা কোর্সে অধ্যয়নের সুযোগ পাচ্ছে।
এর মাধ্যমে প্রতিটি গ্রামে চাহিদা নির্ভর ডিপ্লোমা পেশাজীবীর অবস্থান নিশ্চিত করা গেলে গ্রামীণ জনপদ প্রযুক্তি নির্ভর হবে। সুষম বণ্টন হবে শিক্ষা প্রযুক্তি আর অর্থনীতি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ